বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৭

গুগল এডসেন্স ব্যান ! দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগারদের জন্য এডস্টেরা এবং প্রফেলার এড নেটওয়ার্ক

আপনার বাংলা ওয়েবসাইট রয়েছে এবং ভিসিটর পাচ্ছেন ভালো। বসে না থেকে আজই এপ্লাই করুন এডস্টেরা এবং প্রফেলার এড নেটওয়ার্কে। গুগল এডসেন্স ব্যান ! দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগারদের জন্য এডস্টেরা এবং প্রফেলার এড নেটওয়ার্ক। 

যাদের ওয়েবসাইট বা ব্লোগ রয়েছে তাদের প্রথম পছন্দ গুগল এডসেন্স। গুগল এডসেন্স খুব ভাল একটি বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা। এর ক্লিক রেট অনেক বেশী।

কিন্তু সমস্যা অনেক!!! কোন দুর্বল ওয়েবসাইট বা ব্লগ হলে সে ওয়েবসাইট বা ব্লগ দিয়ে গুগল এডসেন্স পাওয়াই যাবে না। যদি একটু বুদ্ধি খাটানো যায় তাহলে হয়ত প্রথমবারের মত ইউটিউব দিয়ে এডসেন্স পাওয়া যেতে পারে। সেখান থেকে ইনকাম করাও এখন অনেক কষ্টকর বিষয় কারণ ইউটিউব যখন তখন চ্যানেল রিমুভ করে দিচ্ছে কোনো প্রকার নোটিফিকেশন ছাড়াই! সাথে আবার এডসেন্সও ব্যান ! তাহলে তো আপনার দুঃখ আরও বেড়ে যাবে, কষ্ট করে পাওয়া এডসেন্স ব্যান হয়ে যেতে পারে। গুগল এডসেন্স যদি আপনাকে দয়ার চোখে না দেখে তাহলে অবশ্যই কিছু কারন পেলেই আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে।
তবে চিন্তার কারণ নেই। দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগারদের জন্য রয়েছে এর বিকল্প। আপনি ভালো রেভেনিউ পেতে যুক্ত হতে পারেন এডস্টেরা এবং প্রফেলার এড নেটওয়ার্কে। 
বর্তমান সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগারদের জন্য যে বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা গুগল এডসেন্স এর প্রধান বিকল্প হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে তা হল এডস্টেরা এবং প্রফেলার এড নেটওয়ার্কে। সবদিক থেকেই উন্নত মানের সেবা। মনে হয় আশার আলো নিয়ে এসেছে এই এড নেটওয়ার্কটিগুলি। বিশেষ করে বাংলা ভাষায় পরিচালিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ গুলোর জন্য।

সোমবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৭

ফুচকা কারখানায় তোলা কিছু ছবি ! এভাবেই বানানো হয় আপনার পছন্দের সুস্বাদু ফুচকা

ফুচকা কারখানায় তোলা কিছু ছবি ! এভাবেই বানানো হয় আপনার পছন্দের সুস্বাদু ফুচকা। ছবিটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের ফুচকা খাওয়ার দাওয়াত দিন। ধন্যবাদ...

শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

দারুণ সুখবর: ডিভি লটারির আদলে আসছে রাশিয়ান গ্রিন কার্ড

যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারির মতো রাশিয়াও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দিতে বিদেশী নাগরিকদের জন্য গ্রিন কার্ড লটারি চালু করার চিন্তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতোই বছরে একবার এ লটারি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।

আরটি জানায়, রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্গবার্গের আইন পরিষদের সদস্যরা এ বিষয়ে একটি বিল দেশটির কেন্দ্রীয় সংসদে উত্থাপন করবেন। যদি বিলটি পাস হয় তাহলে বিদেশী নাগরিকদের অবস্থানবিষয়ক আইন সংশোধন হবে। প্রস্তাবকারীদের মতে, এতে করে অভিবাসনে গতি পাবে। প্রস্তাবিত বিলটির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত বিদেশী নাগরিকরা রাশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন।
প্রস্তাব অনুসারে, লটারিতে অংশ নিতে বিদেশী নাগরিকদের কোনো ফি দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য এ লটারিতে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। প্রতিবছর দেশগুলোর তালিকা রাশিয়ার সরকার অনুমোদন দেবে। বর্তমানে বিদেশী নাগরিকদের অবস্থানসংক্রান্ত আইনে সাময়িক বসবাসের অনুমোদন দেয়া হয়। এরপর নির্দিষ্ট সময় পর তারা নিজেদের রাশিয়ায় বসবাসের উপযুক্ত প্রমাণ করতে পারলে দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনুমতি দেয়া হয়। রাশিয়ান নাগরিকদের স্ত্রীরা বিদেশী হলেও স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পান। -যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।

ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন।
দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগিয়ে রাখুন। রোজ ব্যবহার করুন, আঁচিল ঝরে পড়বে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে।

আঁচিলের অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসায় আপনাকে একটু ধৈর্য্ ধরে চর্চা করতে হবে। যেকোন উপায় সপ্তাহখানেক মেনে দেখুন। এর মধ্যে ঝরে না পড়লে অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ব্যক্তিভেদে পদ্ধতি পার্থক্যের সৃষ্টি করে। কেউ কেউ আঁচিল সারাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। সার্জিক্যালি করতে গেলে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আঁচিল দূর করা সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচা-খুঁচি করবেন না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

তবে আঁচিলের সবচেয়ে কার্যকর চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। এ সমস্যায় ভুগলে আপনার আশেপাশের ভালো এবং রেজিস্টার্ড কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন। 

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

সস্তায় নাইকনের ডিএসএলআর ক্যামেরা

সস্তায় বাজারে এলো নাইকনের নতুন ডিএসএলআর ক্যামেরা। ক্যামেরাটির মডেল ‘নাইকন ডি৩৪০০’। এটি ডি সিরিজের সবচেয়ে আপডেট ভার্সন।

এ ক্যামেরায় আছে ১৮-৫৫ লেন্স, ওয়্যারলেস কানেক্টটিভিটি। আছে ভি আর কিট লেন্স। সিএমওএস সেন্সর। এক্সপিড ৪ প্রসেসর।

এটির আইএসও ১০০-২৫০০ । এর রেজুলেশন ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেলে। এতে বাড়তি এসডি কার্ড সাপোর্ট করবে।

এ ডিএসএলআরটির ওজন মাত্র ৩৯৫ গ্রাম । এতে আছে লিথিয়াম আয়নের রিচার্জেবল ব্যাটারি। ক্যামেরায় ২৪.২ মেগাপিক্সেল রেজুলেশন। যা দিয়ে ১০৮০ এইচডি ভিডিও করা যাবে।

এন্ট্রি লেভেলের এ ডিএসএলআর এর দাম ২৭ হাজার ৯৯০ রুপি।

শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন
বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।

২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।

৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।

৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।

৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে সহায়তা করে।

৭. জাফরানের ক্রোসিন নামক উপাদানটি অতিরিক্ত জ্বর কমাতে সহায়তা করে।

৮. জাফরানের রয়েছে অনিদ্রা সমস্যা দূর করার জাদুকরী ক্ষমতা। ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে পান করলে অনিদ্রা সমস্যা দূর হবে ।

৯. সামান্য একটু জাফরান নিয়ে মাড়িতে ম্যাসেজ করলে মাড়ি,দাঁত এবং জিহ্বার নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷

১০. গবেষণায় দেখা যায় জাফরান দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের ছানি পড়া সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে৷

১১. জাফরানের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা,জয়েন্টে ব্যথা,মাংসপেশির ব্যথা এবং দুর্বলতা দূর করতে অব্যর্থ ঔষুধ৷

১২. অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সামান্য একটু খানি জাফরান৷

১৩. জাফরানের ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে৷

১৪. জাফরান দেহের কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

১৫. মস্তিস্কের গঠন উন্নত করতে জাফরানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাফরান স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তা ক্ষমতা উন্নত করে৷এছাড়াও আলজাইমার এবং পার্কিনসন রোগ থেকে দূরে রেখে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বাঁচায়৷

১৬. কিডনি, যকৃৎ এবং মুত্রথলির রোগ থেকে মুক্তি দেয় জাফরান৷

১৭. যষ্ঠিমধু এবং দুধের সঙ্গে জাফরান মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে৷

১৮. পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

১৯. টিউমারের রোধ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে৷

২০. ত্বকে ঔজ্বল্য বাড়ায় এবং বলিরেখা দূর করতে সহায়তা করে৷

মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ফ্রিজে বা যাদের ফ্রিজ নেই তারা কোরবানীর গরুর মাংস কিভাবে সংরক্ষণ করবেন এবং কতদিন রাখা যাবে?

প্রায় সারাদিন ধরেই সবার ঘরে চলবে কোরবানির মাংস রান্নার নানা আয়োজন। কিন্তু এ ঈদে মাংস বেশি হওয়ায় তা সংরক্ষণ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। যাদের ফ্রিজ আছে তাদের কোনো চিন্তা নেই। কিন্তু যাদের ফ্রিজ নেই, তারা মাংস সংরক্ষণ করবেন কীভাবে? আবার মাংস যদি সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে খুব দ্রুতই তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সঠিক উপায়ে মাংস সংরক্ষণের পদ্ধতি জানা খুব দরকার।

পাঠকদের সুবিধার্থে কোরবানির মাংস সঠিকভাবে সংরক্ষণের কিছু সহজ পদ্ধতি জানিয়ে দেয়া হল।

ফ্রিজে রেখে মাংস সংরক্ষণ
সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ফ্রিজে রেখে মাংস সংরক্ষণ করা। কিন্তু ফ্রিজে রেখে মাংস সংরক্ষণ করতে হলেও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।

– মাংস সংরক্ষণ করার আগে প্রথম ধাপ হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা। ঈদের আগের দিন ফ্রিজ বন্ধ করে ভেতরের সব মাছ, মাংস বের করে ভেতরটা ভালোমতো পরিষ্কার করে নিন। কারণ মাছ, মাংস রাখতে রাখতে ফ্রিজের ভেতরে একটা বাজে গন্ধ হয়ে যায়। তাই ঈদের আগে ফ্রিজ পরিষ্কার না করে মাংস সংরক্ষণ করলে সেই মাংসে বাজে গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

– মাংস সংরক্ষণের আগে তা পানি দিয়ে ধুয়ে রক্ত পরিষ্কার করে নিন। এবার বড় চালনিতে করে মাংসের পানি ঝরিয়ে ফ্যানের নিচে রেখে শুকাতে দিন। সব পানি ঝরে গেলে পলিথিনের প্যাকেটে ভরে মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।

– মাংস যদি ধুতে না চান তাহলে পরিষ্কার শুকনা কাপড় দিয়ে মাংসের গায়ে লেগে থাকা রক্ত ভালমতো মুছে নিন। এবার পলিথিনে করে ফ্রিজে মাংস সংরক্ষণ করুন।

– ফ্রিজে মাংস সংরক্ষণ করার জন্য যে পলিথিন ব্যবহার করবেন তা একটু মোটা হওয়াই ভালো। তাহলে ফ্রিজ থেকে মাংস বের করার সময় প্যাকেট ছিঁড়ে যাবে না।

– মাঝে মাঝে ফ্রিজে রাখা প্যাকেট গুলো একটু নাড়াচাড়া করুন। এতে করে প্যাকেট একটার সাথে অন্যটা লেগে যাবে না।

– মাংস প্যাকেট করে ফ্রিজের ভেতর রাখার সময় ২ প্যাকেটের মাঝে মোটা কাগজ বা পাতলা কাঠের টুকরা দিতে পারেন। এতে মাংসের প্যাকেট একটার গায়ের সাথে আরেকটা এঁটে যাবার চিন্তা থাকবে না।

– মাংস সংরক্ষণ করার জন্য অবশ্যই পরিষ্কার পলিথিন ব্যবহার করুন। আগে ব্যবহার করা হয়েছে এমন পলিথিন না নেওয়াই ভালো, কারণ এতে মাংসে গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

– ফ্রিজে মাংস রাখার পর এর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিন। তাহলে মাংস দ্রুত শক্ত হবে।
ভিডিওতে দেখুন :

যাদের ফ্রিজ নেই তারা নিম্নোক্তভাবে মাংস সংরক্ষণ করতে পারেন
জ্বাল দিয়ে মাংস সংরক্ষণ:
জ্বাল দিয়ে মাংস সংরক্ষণ করতে হলে মাংসে চবির্র পরিমাণ একটু বেশি থাকাই ভালো। কারণ এতে মাংস দীর্ঘদিন ভালো থাকে। প্রথমে মাংস ভালো করে ধুয়ে বড় একটা হাঁড়িতে নিন। এবার হলুদ ও লবণ মিশিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাংস জ্বাল দিন। এই মাংস দিনে কমপক্ষে ২ বার নিয়ম করে জ্বাল দিতে হবে।

রোদে শুকিয়ে মাংস সংরক্ষণ:
ফ্রিজ ও জ্বাল ছাড়াও রোদে শুকিয়ে মাংস সংরক্ষণ করা যায় । এই উপায়ে মাংস সংরক্ষণ করলেও তা দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

– রোদে শুকিয়ে মাংস সংরক্ষণ করতে হলে চর্বি ছাড়া মাংস নিতে হবে। প্রথমে মাংস পরিষ্কার করে ধুয়ে ছোট টুকরা করে নিন। এবার তারে একটার পর একটা মাংস গেঁথে নিন।

– তারে গাঁথা মাংস ছাদে বা বারান্দায় কাপড় শুকানোর মতো করে টানিয়ে দিন। এছাড়া চুলার উপরে তার বেঁধেও আগুনের তাপে মাংস শুকানো যায়। এই উপায়ে মাংস সংরক্ষণ করলে মাংসের সমস্ত পানি টেনে মাংস একদম শুকিয়ে যায়, ফলে দীর্ঘদিন তা ভালো থাকে।

– ছাদে মাংস শুকাতে হলে পাতলা কাপড় বা নেট দিয়ে মাংস ঢেকে দিন। এতে করে ধুলোবালি পড়ে মাংস নোংরা হবে না।

– পর পর ৫-৬ দিন মাংস রোদে দিন। মাংস শুকিয়ে একদম শক্ত হলে মুখ বন্ধ করা পাত্রে বা টিনের কৌটায় মাংস ভরে ভালমতো মুখ বন্ধ করে রাখুন। মাঝে মাঝে কৌটা ধরে মাংস রোদে দিন। তাহলে পোকার আক্রমণ হবে না।

-রোদে শুকানো মাংস রান্না করার আগে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা হালকা গরম পানিতে মাংস ভিজিয়ে রাখুন, এতে মাংস নরম হবে।

গরুর মাংসে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ প্রোটিন থাকে, যা অত্যন্ত উচ্চ মানের। এছাড়া এই মাংসে লৌহ, ফসফরাস ও ভিটামিন ডি থাকে। তাই মাংসের এই পুষ্টিগুণ যাতে অতি সহজেই নষ্ট না হয় সেজন্য সঠিক নিয়মে মাংস সংরক্ষণ করা উচিত।

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

জামালপুরে এইডস নিরাময়ের ওষুধ আবিস্কার

জামালপুর শহরের মধ্য বাগেরহাটা এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান মোহন নামের একজন কবিরাজ দেশিয় গাছ-গাছালি ও লতা-পাতার নির্যাস দিয়ে এইডস নিরাময়ের ওষুধ আবিস্কার করার দাবি জানিয়েছেন। সেই মহৌষধ সেবন করে ইতিমধ্যেই তিনজন রোগী শতভাগ এইডসমুক্ত হয়েছেন এবং ৪র্থ রোগী ক্রমেই সুস্থ্য হয়ে উঠছেন। সরকারী বা বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের এইডস রোগীদের মরণব্যাধি এইডস থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন মোহন কবিরাজ। এইডস নিরাময়ের মহৌষধ উদ্ভাবক মোস্তাফিজুর রহমান মোহন কবিরাজ জানান, তার পিতা এবং পিতামহ দুজনই কবিরাজ ছিলেন। 

তারা জীবদ্দশায় দেশিয় গাছ-গাছালি ও লতা-পাতার নির্যাস দিয়ে বিভিন্ন রোগের ওষুধ তৈরি করে রোগাক্রান্ত শত শত মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ্য করেছেন। ওইসব পূর্ব পুরুষদের ওষুধি তথ্য সূত্রের ভিত্তিতে মোহন কবিরাজ দেশীয় গাছ গাছালি ও লতা-পাতার নির্যাস দিয়েই তৈরি করেছেন এইডস নিরাময়ের মহৌষধ। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে সেই মহৌষধ সেবন করিয়ে ইতিমধ্যেই চগ্রামের স্বপন, ঢাকার আশরাফ ও কুমিল্লার জেবুন্নাহার নামের তিনজন রোগীকে শতভাগ এইডসমুক্ত করেছেন। এ ছাড়াও জামাল নামের চতুর্থ রোগীকে এইডসমুক্ত করতে তিনি গত তিন মাস ধরে নিয়মিত ঔষুধ সেবন করিয়ে দ্রুত সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, তিনি নিজের উদ্ধাবিত ওষুধ দিয়ে বিনামূল্যে এইডস রোগের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় একটি প্রচারপত্র বিলি করেন।
ওই প্রচারপত্রের তথ্য সূত্রে পর্যায়ক্রমে চারজন এইডস রোগী তার কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি রোগীগুলোকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য রোগীটি এইডস রোগী কিনা তা আগে নিশ্চিত হয়েছেন। আর সেজন্য আগন্তুক এইডস রোগীকে প্রথমে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে প্রথমে রোগীর রক্ত পরীক্ষা করিয়ে জেনে নিয়েছেন রোগীটির রক্তে কি পরিমাণ এইচ আই ভি’র উপস্থিতি বিদ্যমান। 

পরে রোগীর শারিরীক অবস্থা এবং রোগের পরিধি জেনে সেই অনুপাতে নিজের উদ্ধাবিত ওষুধ দিয়ে বিনামূল্যে এইডস রোগের চিকিৎসা সেবা শুরু করেন। এরপর এক মাস ওষুধ সেবনের পর দ্বিতীয় দফায় রক্ত পরীক্ষা এবং চিকিৎসা শেষে তৃতীয় দফায় রক্ত পরীক্ষা করে রোগীর শরীর থেকে এইডস রোগ নিরাময়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। ঠিক একইভাবে গত এক বছরে তিনি তিনজন রোগীকে শতভাগ সুস্থ্য করে মরণব্যাধি এইডস রোগের কবল থেকে রক্ষা করেছেন। এইডস রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া চট্রগ্রামের স্বপন, ঢাকার আশরাফ ও কুমিল্লার জেবুন্নাহার এর সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্ত পরীক্ষা করে এইডস রোগী হিসাবে সনাক্ত হওয়ার পর মোহন কবিরাজের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়েছেন। 

মোহন কবিরাজের দাবি, তার উদ্ভাবিত ওষুধ সেবনে এইডস আক্রান্ত প্রতিটি রোগী সুস্থ্য করে তোলা সম্ভব। তাই সরকারী বা বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় তার উদ্ভাবিত এইডস নিরাময়ের ওষুধের গুনাগুন যাচাই করে তা বিশ্বমানের ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তুলতে চান। সেই সাথে তিনি মরণব্যাধি এইডস থেকে রক্ষার জন্য তার উদ্ভাবিত ওষুধ বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী ভারতসহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চান। এ ছাড়াও তিনি বিশ্বের সকল এইডস রোগীদের বাঁচতে তার উদ্ভাবিত ওষুধ প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তথ্যসূত্র : কালের কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৬

এইচআইভি ভাইরাসকে মানব ডিএনএ থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হলেন বিজ্ঞানীরা!!

এইচআইভি ভাইরাস যদি একবার মনুষের দেহের কোন কোষে প্রবেশ করতে পারে তবে সেখানে চিরকাল থেকে যায়। এই ভাইরাসটি তার মারাত্মক জেনোম আক্রান্ত ব্যক্তির ডিএনএ তে স্থায়ীভাবে ঢোকায় এবং তাকে চিকিৎসকের দারস্থ হতে বাধ্য করে।

কিন্তু ফিলাডেলফিয়ার গবেষকরা প্রথমবারের মতো এইচাইভি ভাইরাসকে ছাঁটাই (snipping) পদ্ধতির মাধ্যমে মানব ডিএনএ থেকে স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার পথ বের করেছেন। টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষক দল বলেন, মানব কোষ থেকে সুপ্ত এইচআইভি-১ ভাইরাসটি বাদ দেয়ার প্রথম প্রয়াসটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে যা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং এই পদ্ধতিতে অন্যান্য সুপ্ত সংক্রামক থেকেও নিরাময় পাওয়া সম্ভব হবে।
টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামেল খলিলি বলেন, “এইডস থেকে চিরতরে আরোগ্য লাভে এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” তিনি আরও বলেন, “এটি অসাধারণ আবিষ্কার হলেও পদ্ধতিটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়। আমার যে সঠিক পথেই এগুচ্ছি এটা তারই প্রমাণ বহন করছে।”

জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমি প্রকাশিত একটি গবেষণায় ড. খলিলি এবং তাঁর সহযোগীরা বর্ণনা করেন কিভাবে ডিএনএ থেকে এইচআইভি-১ দূর করার জন্য আনবিক সরঞ্জাম তৈরি করেছেন।

যখন নিউক্লিয়েজ নামক ডিএনএ-ছাটাই এনজাইম এবং একটি গাইড আরএনএ (gRNA) সংমিশ্রন ছেড়ে দেয়া হয় তারা দুষিত জিনোমকে অনুসরণ করে এবং ডিএনএ থেকে এইচআইভি-১ অপসারণ করে। সেকান থেকে কোষের জিন মেরামতকারী যন্ত্রাপাতি লাগানো হয়। যা কোষকে ভাইরাস মুক্ত করার ফলে আলগা হওয়া জিনোমের প্রান্ত ঝালাই করে দেয়।

খলিলি ব্যাখ্যা করেন, “যেহেতু ইমিউন সিষ্টেম থেকে এইচআইভি-১ মুক্ত করা সম্ভব নয় তাই রোগটি নিরাময় করার জন্য ভাইরাসটি অপসারণ করার প্রয়োজন পড়ে।” এই আনবিক যন্ত্রগুলি থেরাপিউটিক টিকার মতোও কাজ করে। সশস্র কোষ এবং নিউক্লিস আরএনএ-র সংমিশ্রণকে এইচআইভি সংক্রমণ ভেদ করতে পারেনা।

বিশ্বব্যাপী ৩৩ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত যার মাঝে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্ত অন্তঃত ১ মিলিয়ন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কন্দ্রের হিসেবে প্রতিবছর আরও ৫০ হাজার আমেরিকান এই ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়। এদিকে যুক্তরাজ্যে ২০১৩ তে ১লক্ষ মানুষ এইচআইভি নিয়ে বসবাস করেছে যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৬৫ জনে একজন।

যদিও উন্নত দেশগুলিতে গত ১৫ বছর পর্যন্ত সংক্রমিত মানুষদের Highly active antiretroviral therapy (Haart)পদ্ধতির মাধ্যমে এইচআইভি-১ নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। তবে চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে নতুন আক্রোশে ফিরে আসতে পারে।

খলিলি আরোও বলেন, “স্বল্পমাত্রার এইচআইভি-১ এর পুনরাবৃত্তি সাধারণত রোগীদেরকে বাধৃক্যগ্রস্ততার সাথে সাথে ভোগান্তিতে ফেলে।” আর এই সকল আক্রান্ত ব্যাক্তির ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য গ্রহণকৃত বিভিন্ন বিষাক্ত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে হৃদপিন্ডের পেশী দুর্বল করা, হাড়ের রোগ, কিডনী বিকল করাসহ স্নায়বিক ভাসাম্যহীনতাজনিত সমস্যাগুলি প্রায়ই দেখা যায়।

এই সংক্রমণ রোধে গবেষকরা দ্বিস্তর ভিত্তিক এইচআইভি-১ সম্পাদন পদ্ধতির উপর নির্ভর করেছেন যা ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরক্ষার প্রক্রিয়া হিসেবে উন্নতি সাধন করা হয়েছে।

ড. খলিলির গবেষণাগারে এইচআইভি-১ ডিএনএ কে নিশানা করার জন্য gRNA এর নিওক্লিওটাইড প্রস্তুত করে তা ডিএনএ ছাটাইকারী এনজাইম যাকে Cas9 নামে ডাকা হয় তার সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়েছে। এটি মূলত মানুষের জিনোমকে সম্পাদনার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ড. খলিলি বলেন, “ আমরা কিছু সংখ্যক কৌশল ব্যবহার করে কাজগুলি চালিয়ে যাচ্ছি যাতে আমরা চিকিৎসাক্ষেত্র পূর্ব গবেষণা পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারি। আমরা রেগীর দেহ থেকে এইচআইভি-১ এর প্রত্যেকটা অংশ নির্মূল করতে চাই। তারা এইডস থেকে মুক্তি পাবে। আমি মনে করি এই প্রযক্তির মাধ্যমেই কাজটি আমরা সম্পাদন করতে পার।”

সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০১৬

বাড়ি থেকেই টাকা রোজগার করার বিভিন্ন উপায়

এখন প্রতিযোগিতার বাজার। প্রচুর ডিগ্রি নিয়ে কত মানুষ বেকার হয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন। কিন্তু চাকরি পাচ্ছেন না। আর ভালো ভালো ডিগ্রি নিয়ে বেকার বসে থাকায় কনফিডেন্সেরও বারোটা পাঁচ বাজছে। তাই চাকরি না পেলেও এত ভেঙে পড়বেন না। রোজগার করার আরও অনেক পথ খোলা রয়েছে। অনেক মানুষ চাকরি না করেও রোজগার করে বেঁচে রয়েছেন। কীভাবে বাড়িতে বসে টাকা রোজগার করবেন, তার কয়েকটি উপায় বলে দেওয়া হল।

১) কনটেন্ট রাইটার- এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা লিখতে ভালোবাসেন। অনেক কোম্পানি রয়েছে, যারা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের জন্য লোক চায়। যাঁরা ইংরেজিতে ভালো, তাঁরা সেই সমস্ত জায়গায় চেষ্টা করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনার আয়টাও মন্দ হবে না।

২) পেট ক্রেশ- আপনি কি পোষ্য পছন্দ করেন। তাহলে আপনার জন্য খুবই ভালো একটি কাজের সুযোগ রয়েছে। নিজের বাড়িতে কিংবা কিছুটা বড় জায়গা ভাড়া নিয়ে পেট ক্রেশ খুলতে পারেন। পোষ্যদের দেখভালের জন্য প্রতি ঘণ্টা কিংবা দিনের হিসেবে পারিশ্রমিক নিন। এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা বেড়াতে যাওয়ার জন্য কিংবা সঠিক দেখভালের জন্য তাঁদের পোষ্যকে এমন একটা জায়গায় রেখে যেতে চান, যেখানে তারা নিরাপদে থাকবে। আপনি সেই সমস্ত পোষ্যদের দেখভালের কাজ করুন। আর বিনিময়ে টাকাও রোজগার করুন।
৩) কাউন্সিলিং- আপনি যদি ভালো কাউন্সিলর হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার বাইরে চাকরি করার কোনও প্রয়োজন নেই। বাড়িতেই চেম্বার খুলতে পারেন। আর সেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ সমস্ত মানুষের কাউন্সিলিং করুন।

৪) ইউটিউব- ইউটিউব শুধু সিনেমা দেখা কিংবা গান শোনার জন্যই নয়। ইউটিউব থেকে টাকাও রোজগার করা যায়। ইউটিউবের ভিডিও আপলোড করে আপনিও টাকা রোজগার করতে পারেন। আপনার কাছে যদি যে কোনও বিষয়ের ওপর ভালো ভিডিও থাকে, তাহলে আপনি সেটা ইউটিউবে আপলোড করে টাকাও রোজগার করতে পারবেন।
 
০৫) কাজ শিখা : আর যদি আপনি প্রোগ্রামিং শিখেন তাহলে ঘরে বসেই বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে কাজ করতে পারবেন। এই যেমন বর্তমান বাজারে ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর বিশাল চাহিদা। তবে এই সেক্টরে কাজ করতে হলে আপনাকে ভালো দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আর এই বিষয়ে আপনি ভিডিও টিউটোরিয়ালের সহায়তা নিতে পারেন। ট্রেনিং উইথ লাইভ প্রজেক্ট বাংলাদেশের একটি মান সম্মত টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইট। আপনি এটিকেও অনুসরণ করতে পারেন।

৫) গ্যারাজ- আপনার বাড়ি যদি শহর জাতীয় জায়গায় হয়, আর আপনার বাড়িতে যদি বেশ খানিকটা জায়গা থাকে, তাহলে আপনি নিজের বাড়িতেই একটা গ্যারাজ খুলতে পারেন। অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা গাড়ি নিয়ে কাজের জায়গায় যান। আবার এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁদের বাড়িতে গাড়ি রাখার জায়গা নেই। তাঁদের গাড়ি আপনি আপনার গ্যারাজে রেখে দিলেন। আর তার পরিবর্তে ঘণ্টা কিংবা দিনের হিসেবে ভাড়া নিলেন।

পাইলস্ সমাধানে ঘরোয়া ১০ উপায়!

অর্শ বা পাইলসের সমস্যা ঘরে ঘরে দেখা যায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা, দীর্ঘ মেয়াদী কাশির সমস্যা, প্রস্রাবে বাধা, গর্ভধারণ, মলদ্বারে ক্যানসার, নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এসব থেকে পাইলসের সমস্যা হতে পারে। পাইলসের সমস্যা বলতে মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া মূলত এই ধরণের উপসর্গ দেখা যায়।পাইলসের চিকিৎসার জন্য নানা ধরণের চিকিৎসা রয়েছে। সমস্যা কতটা গভীর তার উপরও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে। কখনও শুধু ওষুধেই কাজ দেয়, কখনও আবার সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তবে পাইলসের সমস্যায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও টোটকা আছে, যা অত্যন্ত উপকারী-

র‌্যাডিশ জুস: র‌্যাডিশ হল মূলা ঘরানার একটি সবজি। এই সবজি পাইলসের সমস্যায় অত্যন্ত উপকারি। এই সবজির রস খেলে উপকার পাবেন। প্রথমে ১/৪ কাপ দিয়ে শুরু করুন। তারপর পরিমাণ আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ১/২ কাপে নিয়ে আসুন।

বেদানা: বেদানার দানা জলে ভাল করে ফোটান। যতক্ষণ না বেদানার দানা ও জলের রং বদলাচ্ছে ততক্ষণ ক্রমাগত ফুটিয়ে যান। এই জল ছেঁকে রেখে দিন। দিনের দুবার করে এই জল খান।
 ভিডিওতে দেখুন : পাইলস্ সমাধানে ঘরোয়া ১০ উপায়!
পাইলস্ সমাধানে ঘরোয়া ১০ উপায়!
ডুমুর: শুকনো ডুমুর বা ফিগ ১ গ্লাস জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই অর্ধেক জল খেয়ে নিন। আবার বিকেলের দিকে বাকি অর্ধেক জল খেয়ে নিন।

আদা ও লেবুর রস: ডিহাইড্রেশনও পাইলসের অন্যতম কারণ। আদা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে ১ চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। দিনে দুবার করে এই মিশ্রণটি খান। এতে শরীর হাইড্রেট হবে এবং পাইলসের সমস্যাও কমবে।

কাঁচা পেঁয়াজ: পাইলসের কারণ যে মলদ্বার থেকে রক্ত পরার সমস্যা তৈরি হয়, কাঁচা পেঁয়াজে সে সমস্যা অনেকটাই কমে। অন্ত্রের যন্ত্রণা প্রশমিত করতেও সাহায্য করে।

প্রাতঃকর্মের সময় বসার ধরণ: অনেকসময় ভুল পদ্ধতিতে কমোডে বসার ফলে অতিরিক্ত চাপের প্রয়োজন হয়। পায়ের নিচে একটা ছোট টুল রাখুন। কমোডে বসার সময় একটু সামনের দিকে ঝুঁকে বসুন। এতে বৃহদন্ত্রের কম চাপ পড়বে।

ওয়ার্কআউট: কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমাতে ও শরীরে রক্তচলাচল স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করা উচিত। তবে যদি খুব পরিশ্রম করেন বা ভার উত্তোলন করেন তাহলে পাইলসের সমস্যা বাড়তে পারে। সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানোর মতো হাল্কা ওয়ার্কআউট করুন।

হলুদ: কাঁচা হলুদ জলে ফোটান ভাল করে। আর এই জল নিয়মিত খান। এতে পাইলসের সমস্যায় অনেকটা উপকার পাওয়া যায়।

কলা: কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সবচেয়ে উপকারি এবং অব্যর্থ ওষুধ হল কলা। বিনা কষ্টে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে কলা। এর ফলে মলদ্বারে কোনও চাপ পড়ে না, ফলে পাইলসের সমস্যা বৃদ্ধি হয় না। কলা সোয়াবিনের দুধ দিয়ে খেলে আরও তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যাবে।

ডাল: মসুর ডাল, খেসারী ডাল, তিসী ডাল, এই ধরনের খাবার পাইলসের সমস্যা নিরাময়ে খুবই উপকারি।

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ৩৪টি কোম্পানির ওষুধ

বাংলাদেশে ২০টি ওষুধ কোম্পানীর সমস্ত ওষুধ এবং ১৪ টি কোম্পানির তৈরি অ্যান্টি-বায়োটিক জরুরী ভিত্তিতে বাজার থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এসব কোম্পানির ওষুধ বাজারে বিক্রি হচ্ছে - এরকম একটি জনস্বার্থ মামলার রায়ে সরকারকে আজ এই নির্দেশ দেয় আদালত।

মামলাটি করেছিলেন মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের আইনজীবী মনজিল মোর্শেদ ।

বিবিসিকে তিনি বলছিলেন, বাংলাদেশে নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদন করছে কিছু কোম্পানি, এ নিয়ে রিট পিটিশন দাখিল করলে আদালত সেই কোম্পানিগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয়। ওসব কোম্পানির অফিস সিলগালা করার পরও তাদের সরবরাহ করা ওষুধ বাজারে রয়ে গেছে।
নিষিদ্ধ এসব ওষুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

সংসদের নির্দেশে গঠিত যে বিশেষজ্ঞ কমিটি ঐ ২০ টি ওষুধ কোম্পানি বন্ধ এবং ১৫ টি কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছিলো তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবম ফারুক।

তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া মানের নিরিখে এই কমিটি দেশের সমস্ত ওষুধ কোম্পানি পরিদর্শন করে তাদের সুপারিশ দিয়েছিলেন।

শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৬

স্লিম ফিগার আর সুন্দর ত্বকের জন্য ডি-টক্স ওয়াটার

আমাদের দেশের কনটেক্সটে ডিটক্স ওয়াটার বা ইনফিউসড ওয়াটার শব্দটা একেবারেই নতুন। লোকে বলে এর সাহায্যে নাকি এক দুই সপ্তাহের মাঝে সব মেদ ঝরিয়ে ফেলা যায়, আবার অনেকে বলে এটা নাকি মসৃণ, উজ্জ্বল ত্বক দেয় চোখের নিমেষে। কিন্তু আসলে ডিটক্স ওয়াটার কী? আমার মতে মাঝে মাঝেই যেমন সৌন্দর্য জগতে একেকটা জোয়ার আসে, যাকে বলে Fad এটাও তেমনি কিছু একটা হতে চলেছে। সম্পূর্ণ ভাবে fad হয়ে যাবার আগেই আপনাদের এর ভালো, খারাপ সব দিক জানিয়ে দেবার উদ্দেশেই আজকের এই লেখা।

ডি-টক্স ওয়াটার কী?
ইনফিউসড ওয়াটার বা ডিটক্স ওয়াটার সাধারণত বলা হয় ঠাণ্ডা পানিতে যেকোনো ফল অথবা উপকারী হার্বস, সবজি বড় বড় করে কেটে বেশ খানিকক্ষণ ডুবিয়ে রাখলে যে মিশ্রণটা পাওয়া যায় তাকে। এই ফল বা সবজি ডুবানো পানি একদিকে হয় ফ্লেভারে ভরপুর আবার অন্যদিকে এতে থাকে না কোন সুগার বা ক্যালরি। যার কারণে প্রতিনিয়ত এটা পান করলে এটা আপনার মেদ দূর করা ও সুসাস্থ্যের অধিকারী হবার যুদ্ধে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে।
কীভাবে তৈরি করবেন ডি-টক্স ওয়াটার?
-ডিটক্স ওয়াটার আপনি একটা কাঁচের গ্লাসেও বানাতে পারেন আবার আড়াই লিটার পানির জগেও বানাতে পারেন। পরিমাণ নির্ভর করবে আপনি কত টুকু পান করবেন তার উপর। আপনি যদি চান আপনি আপনার রোজকার পানির চাহিদা ডিটক্স ওয়াটার দিয়েই পূর্ণ করবেন তাহলে কমপক্ষে আড়াই লিটারের জগ বা বোতল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া যেকোনো আকারের বোতল বা জগ আপনি আপনার ইচ্ছা মত ব্যবহার করুন। কিন্তু মনে রাখবেন বোতল বা জগ কাঁচের বা ফুড গ্রেড মেটালের হওয়া ভালো, কারণ আমরা সবাই জানি প্লাস্টিকের খারাপ প্রভাব সম্পর্কে। বদভ্যাস গুলো যতটা পারা যায় এড়িয়েই যান।

-পাত্রে আপনার ইচ্ছা মত বিশুদ্ধ পানি নিন। এতে এবার আপনার পছন্দের যেকোনো মৌসুমি ফল, সবজি (শশা, গাজর, লাউ, কুমড়া নয় কিন্তু) আর হার্বস কেটে পানিতে ঢালুন।

-এবার পাত্রটি কোন ঠাণ্ডা স্থানে বা ফ্রিজে রাখুন। এটা তৈরি হতে খুব বেশি হলে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগে আর এখন গরমের সময়ে আমাদের দেশে পানিতে ভেজান ফল পঁচে যাবার সম্ভবনা বেশি। এক্ষেত্রে ভালো হয় যদি রাতে ঘুমানোর আগে পানিটা রাখেন, এতে সকালে উঠেই আপনি তৈরি পাবেন আপনার ডিটক্স ওয়াটার। বাইরে রাখলেও সমস্যা নেই কিন্তু পঁচে যাবার ভয় এড়াতে তাড়াতাড়ি আপনাকে পুরোটা পান করে ফেলতে হবে। ফ্রিজে রাখলে ঠাণ্ডা ড্রিঙ্ক খেতেও ভালো লাগবে পঁচার ভয়ও থাকবে না।

-এরপর সারাদিন ধরে যখন খুশি তখন সাধারণ পানির জায়গায় এটা পান করুন।

-মনে রাখবেন পরের দিনের ডিটক্স ওয়াটার বানাবার জন্য একদিনের কাটা ফলের মধ্যেই আবার পানি দেবেন না যেন। এতে কোন উপকারই হবে না। কারণ এর মধ্যেই ঐ ফলের গুনাগুণ একবার পানিতে চলে গিয়েছে। ডিটক্স ওয়াটার তৈরির জন্য প্রতিদিন আপনাকে নতুন করে ফল কাটতে হবে।

কেন ডি-টক্স ওয়াটার পান করবেন?
আসুন এবারে জেনে নেই আসলে ডিটক্স ওয়াটার আমাদের সাস্থ্যের জন্য কী করতে পারে। ডিটক্স ওয়াটার মূলত ক্রাশ ডায়েটের অংশ। যেহেতু এতে ফলের ভিটামিন ও অন্যান্য গুনাগুণ আছে এবং কোন ক্যালরি নেই তাই ক্রাশ ডায়েটাররা সারাদিন এই পানি খেয়েই থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু এরকম ক্রাশ ডায়েটে যা হয়, সেই ডায়েটাররা ভীষণ পুষ্টিহীনতায় ভোগে। একারণে শুধু এই ডায়েটকে পুরোই ভিত্তিহীন বলা হয়। কিন্তু পরিপূর্ণ ডায়েটের অংশ হিসেবে ডিটক্স ওয়াটার বেশ উপকারী।
  • ডিটক্স ওয়াটার সুস্বাদু হবার কারণে এটা আপনার পানি পান অনেক বাড়িয়ে দেয়। যে কারণে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দ্রুত বেরিয়ে যায়।
  • প্রচুর পানি খাবার ফলে জাঙ্ক ফুড খাবার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এটা ফলের স্বাদ যুক্ত হবার কারণে আপনার সুগার ক্রেভিং বা মিষ্টি খাবার হারও কমিয়ে দেয়।
  • শরীরের ফ্যাট সেল গুলো নিষ্কাসনে সাহায্য করে।
  • খাবার হজমে সহায়তা করে ও শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ভালো রাখে।
  • ব্যায়াম করার জন্য যে মাসল ফ্যাটিগ বা শারীরিক অবসাদ তৈরি হয় তা দুর করে।
দ্রষ্টব্যঃ
উপরের এই কারণে আপনার অতিরিক্ত ওজন কিছুটা কমবে এবং ত্বক উজ্জ্বল ও লাবণ্যময় হবে। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন শুধু ডিটক্স ওয়াটার আপনার শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় সব মেদ ঝরিয়ে ফেলতে সক্ষম তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। প্রথম প্রথম এর সেবনে আপনার শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যেতে পারে যাকে বলে ‘ওয়াটার ওয়েট’ কিন্তু সেই কমে যাওয়া ওজন কিন্তু মেদ নয়। আর এর ভরসায় ক্রাশ ডায়েটে যাবার ভুল আশা করি করবেন না।

আপনি ডিটক্স ওয়াটার পান করতে পারেন সুসাস্থ্যের জন্য কিন্তু এটা কোন জাদুর ছোঁয়ায় আপনাকে এক সপ্তাহে স্লিম ফিগার দেবে না। সেটা scientifically সম্ভবও নয়। বলাই বাহুল্য সেজন্য আপনার ওয়ার্ক আউট করা ও ক্যালরি ইনটেক কমানো ছাড়া আর কোন scientifically proven উপায় নেই।

কিছু জনপ্রিয় রেসিপিঃ
এবার দেখুন ডিটক্স ওয়াটারের কিছু সহজ রেসিপি। যার মাধ্যমে আপনি আজকে থেকেই এটা পান করা শুরু করতে পারবেন।

১। একটা আস্ত লেবু চাকা চাকা করে কাটুন। তার সাথে এক মুঠো পুদিনা পাতা পানিতে দিন সারারাত রেখে দিন। এটা সবচেয়ে সহজ ও অন্যতম কর্মক্ষম ওয়াটার রেসিপি। লেবু আর পুদিনা দুটোই ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২।পাতলা স্লাইস করে একটা আপেল কেটে ফেলুন এবার এরসাথে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া পানিতে মেশান। এই রেসিপিটা আপনার মেটাবলিসম হার বাড়াতে সাহায্য করবে।

৩।যতটা পারেন পাতলা চাকা চাকা করে একটা শশা আর একটা লেবু কেটে পানিতে মেশান। এই পদ্ধতি টা আমার নিজের খুব পছন্দ। খুবি রিফ্রেশিং ড্রিঙ্ক তৈরি হয়।

৪। আসছে আমের মৌসুম। এই রেসিপিটা কাঁচা আর পাকা দুই ধরনের আম দিয়েই করতে পারবেন।

একটা আম পাতলা ফালি করে কাটুন তার সাথে এক চামচ কুঁচি করে কাটা আদা পানিতে মেশান।

এছাড়াও আপনি আপনার পছন্দের যেকোনো ফল বা হার্বসের কম্বিনেশনে তৈরি করতে পারেন আপনার পছন্দের ডি টক্স ওয়াটার।

পুরুষাঙ্গ বা পেনিস মোটা, লম্বা ও বড় করার পদ্ধতি ও নিয়ম কোনটি ১০০% কার্যকর?

পুরুষাঙ্গ বা পেনিস সম্পর্কে বর্তমানে আমাদের কোমলমতি তরুণদের মাঝে যে প্রশ্নগুলি ঘোরপাক খাচ্ছে সে গুলি হলো :-
০১. পুরুষের লিঙ্গ মোটা, লম্বা ও বড় করার পদ্ধতি ও নিয়ম কোনটি ১০০% কার্যকর ?
০২. আমার লিঙ্গ খুবই ছোট এবং চিকন, এটা সহজে বড় এবং মোটা করার উপায় কি?
০৩. লিঙ্গের আকার কি পরিবর্তন করা যায় ?
০৪. পুরুষের লিঙ্গ বড় করার কার্যকর মালিশ আছে কি ?
০৫. পেনিস বড় করা যায় কি ?
০৬. ঘরোয়া উপায়ে লিংগ মোটা ও বড় লিঙ্গ বিস্তৃত করার সহজ ব্যায়াম ও কিছু টিপস কি ?
০৭. ছোট লিঙ্গ বড় করার ঔষধ কি ?
ভিডিওটি দেখুন এই প্রশ্ন গুলির সঠিক জবাব পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ 
সতর্কতা :  আজকাল স্বাস্থ্যতথ্যের নামে যৌন এবং প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা প্রকার বিভ্রান্তিকর, ভুল এবং ভূয়া তথ্য দিয়ে যাচ্ছে কতিপয় প্রতারক, যাদের নিজেদেরই স্বাস্থ্যবিষয়ক কোন জ্ঞান নেই অথচ ইন্টারনেটে ফেইসবুকে, ব্লগে, ইউটিউবে নানা সোর্স থেকে তথ্যাদি কপি করে এবং এগুলি উলোটপালট করে তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে যাচ্ছে অনবরত, এখানে তাদের উদ্দেশ্য জনগণের উপকার নয় বরং পুরুপুরি বাণিজ্যিক। তাদের থেকে সাবধান হন।

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১৬

লজ্জ্বাবতী গাছের গুনাগুন ও উপকারিতা

বাংলা নাম- লজ্জাবতী। আবার কেউ কেউ এক বলেন লাজুক লতা।
পরিচয় - বর্ষজীবি গুল্ম আগাছা বা ওষুধী গাছ।
কাণ্ড- লতানো। শাখা প্রশাখায় ভরা। কাঁটাযুক্ত। লালচে রঙের। কিছুটা শক্ত। সহজে ভাঙ্গে না বরং পেচিয়ে টানলে ছিড়ে যায়।
পাতা- যেীগিক পত্র। কয়েক জোড়া পাতা বিপ্রতীপভাবে থাকে। অনেকটা তেতুল পাতার মত। হাত ও পায়ের স্পর্শে লজ্জ্বাবতীর পাতা বুঁজে এসে বন্ধ হয়ে যায়। পাতা সরু ও লম্বাটে, সংখ্যায় ২ থেকে ২০ জোড়া। উপপত্র কাঁটায় ভরা।
ফুল: উভলিঙ্গ। বৃতির সংখ্যা ৪ টি, পাপড়ী ৪টি, ফুল গুলি বেগুনী ও গোলাপী রঙের।
ফল- দেখতে চ্যাপ্টা এবং একত্রিত। মে থেকে জুন মাসে ফুল আসে, জুলাই আগষ্টে ফুল থেকে ফল হয় এবং জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারি মাসে বীজ থেকে চারা গজায়।
উপকারী অংশঃ- পাতা ও মুল। পাতায় এ্যাকোলয়ড়ে ও এড্রেনালিন এর সব উপকরণ থাকে। এছাড়াও (মড়ৎরহং) টিউগুরিনস্ এবং মুলে ট্যানিন থাকে।
ব্যবহারঃ- দাতেঁর মাঢ়ির ক্ষত সাড়াতে গাছসহ ১৫ থেকে ২০ সে.মি. লম্বা মূল পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে কয়েক দিন দিনে ৩ বার কুলকুচা করলে ভালো হয়। সাদা ফুলের লজ্জ্বাবতীর পাতা ও মুল পিষে রস বের করে নিয়মিত খেলে পাইলস্ ও ফিস্টুলায় আরাম পাওয়া যায়।

লজ্জাবতী লতার সমগ্র উদ্ভিদ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এর আছে অনেক ঔষধি গুণ। ধারাবাহিক ভাবে তা আলোচনা করা হলো :

মিথুন দন্ডের শৈথিল্য: লজ্জাবতীর বীজ দিয়ে তৈরি তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করলে তা দৃড় হয়।
যৌনি ক্ষতে : যে কোন কারনে যনিপথে ক্ষত হলে, প্রথমিক স্তরে মাঝে মাঝে অথবা প্রায় রোজই অল্প স্রাব চলতে থাকে, একটা আশটে গন্ধ, কখনো বা একটু লালচে স্রাব হয়, এসব ক্ষেত্রে ‍চিকিৎসক সাবধান করে থাকেন, এটি পরিণামে ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে ।এক্ষেত্রে দুধ-জলে ‍সিদ্ধ করা লজ্জাবতীর কাথ দিনে ২ বার খেলে এ রোগ উপশম হয়। একই সাথে লজ্জাবতীর ক্বাথ দিয়ে ডুশ দিলে বা যোনিপথ ধুলে তাড়াতাড়ি ক্ষত সেরে যায়।
 
আঁধার যোনি ক্ষতে : এ বিচিত্র রোগটি কৃষ্ণপক্ষে বেড়ে যায় আর শুক্লপক্ষে শুকাতে থাকে । এ ক্ষতটি হয় সাধারণত : হাটুর নিচে আর না হয় কুঁচকির দু’ধারে। এক্ষেত্রে গাছও পাতা ( মূল বাদে ) ১০ গ্রাম শুধু জল দিয়ে ক্বাথ করে খেতে হয় এবং ঐ ক্বাথ দিয়ে মুছতে হয়, ফলে অসুবিধা দুর হয়।
 
রমনে অতৃপ্তি : কয়েকটি সন্তান হওয়ার পর প্রসবদ্বারের শৈথিল্য হয়েছে , সেটার অনেকটা মেরামত করে দিয়ে থাকে এ লজ্জাবতীর ক্বাথের ডুশ নেওয়ায়, আর গাছের পাতা সিদ্ধ ক্বাথ দিয়ে তৈরি তেলে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পিচুধারণ কারালে ( Vaginal plugging ) এছাড়া অন্ডকোষের পানি জমা সারাতে পাতার পেস্ট ব্যবহার করা হয়।
 
আমাশয় : অনেকের আছে পুরানো আমাশয় । মল ত্যাগের বেগ হলে আর অপেক্ষা করতে পারে না । গিয়ে প্রথমে যা হল তারপর আর হতে চায় না ।আবার অনেকের শক্ত মলের গায়ে সাদা সাদা আম জড়ানো থাকে। এক্ষেত্রে ১০ গ্রাম লজ্জাবতীর ডাঁটা ও পাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এ ক্বাথ খেলে তারা অবশ্যই উপকার পাবেন।
 
দুর্গন্ধ দুর করতে : অনেকের ঘামে দুর্গন্ধ হয় এবং জামায় বা গেঞ্জিতে হলদে দাগ লাগে, এক্ষেত্রে লজ্জাবতী গাছের ডাঁটা ও পাতার ক্বাথ তৈরি করে বগল ও শরীর মুছতে হবে বা লাগাতে হবে। তাহলে এ অসুবিধা দুর হবে।
 
কোষ্ঠকাঠিন্য : অনেকের মল গুলটে হয়ে যায়, বুলেটের মত কয়েকটা বের হয়, আর কিছুই নেই। এক্ষেত্রে মূল ৭ / ৮ গ্রাম থেঁতো করে সিদ্ধ করতে হবে এবং ছেঁকে ঐ পানিটা খেতে হবে । তাহলে উপকার হবে।

শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০১৬

শতাব্দীর সেরা ছবি!

তুরস্কে সেনাবাহিনীর ক্ষুদ্র একটি অংশ ক্ষমতা দখলে রাস্তায় নেমেছে। সারা দেশে কারফিউ ঘোষণা করেছে তারা। তবে এ যাত্রায় জনগণের কাছে হার মানতে হয় বিদ্রোহী সেনাদের। শুক্রবার রাতে ট্যাঙ্ক নিয়ে তুরস্কের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতে রাস্তায় নামে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য। আর সেনাদের সেই ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে যান এক যুবক।

গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য রাস্তায় নামা এমন সাহসী যুবক সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরাবন্দী হন বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়ানো সেই যুবকের ছবি এখন ইন্টারনেটে ভাইরাল। সর্বত্র প্রশংসায় ভাসছেন সেই যুবক। শতাব্দীর সেরা ছবি বলে দাবি করেছেন অনেকেই।

ছবিতে দেখা যায়, একটি জিন্স প্যান্ট পড়ে উদম গায়ে সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এক যুবক।

এরআগে শুক্রবার রাতে তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছিল সেনাবাহিনীর ক্ষুদ্র একটি অংশ। তারা তুরস্কের ডানপন্থী সরকার উচ্ছেদের দাবিও করেছিল।

তবে সেনাবাহিনীর ওই অংশের এ দাবি নাকচ করে দিয়েছে দেশটির সরকার। কার্যত গণতন্ত্রপন্থী জনগণের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয় বিদ্রোহী সেনাদের।

এ ঘটনায় ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় গোলাগুলি ও বিস্ফোরণে ১৭ পুলিশসহ ৬০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া অভ্যুত্থানে জড়িত ৭৫৪ সেনা সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।