সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

তীব্র হস্তমৈথুন অভ্যাস দূর করতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন

হস্তমৈথুন এমন একটি অভ্যাস যা একবার কাউকে পেয়ে বসলে ত্যাগ করা খুবই কষ্টকর হয়ে দাড়ায়। শুধু তাই না এই অভ্যাসটিই এক সময় অনেক পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্ত করে তুলে। কারণ এর রয়েছে মারাত্মক কিছু কুফল। যারা নিদারুন হস্তমৈথুন অভ্যাসে আসক্ত হয়ে পড়েছেন এবং ত্যাগ করার জন্য অপ্প্রান চেষ্টা করা সত্তেও ছাড়তে পারছেন না তাদের জন্য আজকের লেখা।

আশা করি এই লেখাটি আপনার জীবনকে বদলে দিবে এবং এই গুনাহের কাজ থাকে আপনাকে মুক্তি দিবে। তারপরও যদি আপনার কোন কথা থাকে আপনি আমাদের সাথে ফোনে কথা বলে তা জেনে নিবেন। ব্লগে কমেন্টস করেও লিখতে পারেন।

অনেকেই সরাসরি বলেন - হস্তমৈথুন অভ্যাস ছাড়ার কোন ট্রিটমেন্ট নেই। অ্যালোপ্যাথিরা অনেকেই সরাসরি বিয়ে করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। চিন্তা করুন - বিয়ে করাটাই কি এই সমস্যার কোন সমাধান বা ট্রিটমেন্ট হয়ে পারে? অবশ্যই নয়। হস্তমৈথুন অভ্যাস এবং এ সংক্রান্ত যাবতীয় কুফলসমূহ দুর করার সবচেয়ে কার্যকর এবং অব্যর্থ চিকিৎসা রয়েছে একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে।
 
অথচ পুঁজিবাদী লবিদের অপপ্রচারে আজ এই আধুনিক যুগেও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানকে মানুষের কাছে হেয় করে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। যদিও অ্যালোপ্যাথির ক্রমাগত রোগ জটিলতা এবং ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে লোকজন আজ হোমিওপ্যাথির কাছে আশ্রয় নিচ্ছেন। আজ একটা তথ্য শেয়ার করি আপনাদের কাছে - উন্নত বিশ্বে শুধু সাধারণ লোকজন নয় স্বয়ং অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারগণ নিজেদের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।
বিখ্যাত ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক এবং বিশেষজ্ঞ ডঃ মাইকেল ব্রুক্সের মতে, ফ্রান্সের ৪০ শতাংশ চিকিৎসক হোমিওপ্যাথি ব্যবহার করেন ৷ ব্রিটেনে ৩৭ শতাংশ এবং জার্মানির ২০ শতাংশ অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক নিজেদের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ব্যবহার করেন ৷ ১৯৯৯ সালে চালানো এক সমীক্ষা অনুযায়ী, হোমিওপ্যাথির জন্য কোনও বিমা পরিষেবা না থাকা সত্ত্বেও আমেরিকার ৬০ মিলিয়ন মানুষ তখন হোমিওপ্যাথি ব্যবহার করত ৷ তাদের সংখ্যা এখন আরও অনেক বেড়ে গেছে৷ এটা আমার কথা নয়। "দ্যা সানডে ইন্ডিয়ান" পত্রিকায়  প্রকাশিত ড. এ কে অরুণ, এম ডি এর লেখা।
আশা করি আপনাদের ভূল ধারণা কিছুটা হলেও দূর হবে। যাই হোক, বলছিলাম হস্তমৈথুন অভ্যাসের ট্রিটমেন্ট প্রসঙ্গে। আমাদের দেশে সাধারনত কিশোর বয়স থেকেই ছেলেরা হস্তমৈথুন করা শুরু করে। আর এর জন্য কারা দায়ী সেটা আপনারা ভালো করেই জানেন। দেখা যায় ঐ বয়সে তারা সমস্যাটা দূর করার বিষয়ে কোন চিন্তাও করে না। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে তা করে করে যখন নানা প্রকার সমস্যার সৃষ্টি করে ফেলে তখন তাদের টনক নড়ে। নানা প্রকার যৌন সমস্যা সৃষ্টি করে নিজেদের পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় মানুষ হিসেবে কল্পনা করতে থাকে অনেক তরুণ -যুবক। 

অথচ হস্তমৈথুন, হস্তমৈথুনের সকল কুফলসমূহ এবং পুরুষদের যাবতীয় যৌন সমস্যার সবচেয়ে সফল এবং কার্যকর ট্রিটমেন্ট রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। তাই কোন প্রকার সংকোচ না করে এ সংক্রান্ত সমস্যা নির্মূলে ভাল এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে আজই চিকিৎসা নিন। প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যাবতীয় সমস্যাবলী দূর হয়ে নবযৌবন লাভ করবেন ইনশাল্লাহ।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…