সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পুরুষদের সাধারণ যৌন দুর্বলতার ঘরোয়া সমাধান

প্রায় ৭-৮ মাস আগে চট্টগ্রাম থেকে এক ভদ্রলোক আমার ইংরেজি মাধ্যমের ব্লগ থেকে ইমেইল ঠিকানা সংগ্রহ করে আমাকে তার সমস্যার কথা জানায়। তারপর তাকে আমি আমার ফোন নম্বর দিলে তিনি ফোন করেন। বয়স ৪৩ বছর। ২টা ব্যবসা সামলাতে হয় ভদ্রলোককে। তিন জন ছেলেমেয়ের বাবা। সবদিক মিলে বিশ্রাম নেয়ার সময় নেই বেচারার।

আপনিই বলুন এই যে আমাদের শরীরের শক্তির ক্ষয় হচ্ছে প্রতিদিন তার পরিপুর্ণতার জন্য আমরা সেই পরিমান পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করছি কি? স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের শরীর অবসন্ন হয়ে আসার কথা। যৌন শক্তি তো আপনার শরীরেরই একটা অংশ। সেখানেও বিঘ্ন ঘটা  নিতান্ত  স্বাভাবিক বিষয় । তার জন্য আমাদের কি করা উচিত ?
যাই হোক তারপর আমি ভদ্রলোককে কিছু পরামর্শ দিলাম। যা সবার জন্যে কাজে আসবে। নিচে আমি সেগুলো উপস্থাপন করলাম। সাধারণ যৌন দুর্বলতায় কি করবেন -
  • সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন সকালে এক গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু  মিশিয়ে পান করুন। 
  • সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম খান। 
  • সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন দুধ পান করার অভ্যেস করুন। (ছাগলের দুধ অধিক উপকারী)
  • খুব বেশি পরিশ্রান্ত মনে হলে হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন। 
  • নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন। 
  • দৈনিক অবশ্যই ৬-৭ ঘন্টা ঘুমান।
নিয়ম গুলো অনুসরন করুন, ইনশা-আল্লাহ যৌন দুর্বলতা কেটে যাবে। অযথা ক্ষতিকর হারবাল, কবিরাজি বা এলোপাথিক উত্তেজক ঔষধ সেবন করে করে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না। আর একটি বিষয় খেয়াল রাখবেন পেটে যেন গ্যাস না হয়। পেট যাতে পরিস্কার থাকে অর্থাৎ আপনার নিয়মিত পায়খানায় যেন কোন সমস্যা না হয় সে দিকে নজর রাখবেন। তারজন্য প্রতিদিন সকাল বেলায় এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ ইসব গুলের ভুসি মিশিয়ে পান করুন, এটি সমগ্র পৃথিবীতে সুপরিচিত।  আপনার যেকোনো যৌন সমস্যায় যেকোন পরামর্শের জন্য ২৪ ঘন্টাই আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন নিচের ফোন নম্বরে এবং ঠিকানায় । ধন্যবাদ। 

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…