সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যৌন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যে খাবারগুলি বর্জন করা ভাল !

আমরা প্রতিদিন যে খাবারগুলো খাচ্ছি তা কি আমাদের যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে? সুস্থ যৌন স্বাস্থ্যের জন্য কিছু বিশেষ খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো শরীরে যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিতে ভূমিকা রাখে। আসুন জেনে নেয়া যাক যৌন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।
দুগ্ধজাতীয় খাবার :- অবাক হচ্ছেন? দুধকে আমরা আদর্শ খাবার হিসেবেই জানি। কিন্তু দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবার, যেমন- পনির, ছানা ইত্যাদি শরীরে এক ধরণের এস্ট্রোজেন তৈরী করে যা যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিতে পারে। তাই অতিমাত্রায় দুগ্ধ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।

অ্যালকোহল :- যারা অ্যালকোহল গ্রহণ করে তারা অ্যালকোহল সম্পর্কে নেতিবাচক কিছু শুনতে রাজি নন। কিন্তু নিয়মিত অ্যালকোহল গ্রহণ করলে পুরুষের টেস্টসটেরন হরমোনের উৎপাদন কমে যায় এবং যৌন জীবন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পুদিনা :- কিছু গবেষণায় জানা গিয়েছে যে পুদিনা যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিতে পারে। পুদিনায় উপস্থিত পিপারমিন্ট শরীরের যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিতে ভূমিকা রাখে।

কৃত্রিম চিনি :- অনেকেই মেদ কমাতে কিংবা ডায়াবেটিসের জন্য কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করেন খাবারে। কিন্তু কৃত্রিম চিনি যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হতে পারে। কৃত্রিম চিনি শরীরে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী হরমোন সেরোটোনিনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। সেরোটোনিনের ঘাটতির ফলে বিষণ্ণতা, মাথা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যাও হতে পারে।

তেলে ভাজা পোড়া খাবার :- তেলে ভাজা খাবারে ট্রান্স ফ্যাটের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিতে ভূমিকা রাখে। ট্রান্স ফ্যাটের উপস্থিতির কারণে টেস্টেসটেরনের উৎপাদন কমে যায় এবং পুরুষের স্পার্মের গুণগত মান কমিয়ে দেয়। তাই গবেষকরা ভাজা পোড়া খাবারের বদলে বেক করা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ তেলে ভাজা খাবার যৌন উত্তেজনা কমিয়ে যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে

কফি :- প্রতিদিন অতিরিক্ত কফি পান করলে যৌন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অতিরিক্ত কফি খেলে অ্যাডরেনাল গ্ল্যান্ডের উপর প্রভাব পড়ে এবং ফলাফল হিসেবে স্ট্রেস হরমোন উৎপন্ন হয়। স্ট্রেস হরমোন উৎপাদনের কারণে সেক্স হরমোন ও থাইরয়েড হরমোনের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে ও ক্রমশ যৌন জীবন ফিকে হয়ে আসে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…