সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নারীদের যৌন প্রজননের ব্যাপারে কিছু ভুল ধারণা

আমরা সকলেই জানি নারীদের প্রকৃতি প্রদত্ত একটি ক্ষমতা হলো সন্তান গর্ভে ধারণ করা ও জন্ম দেওয়া। কিন্তু অবাক করা হলেও সত্যি এই যে, এই ক্ষমতার ব্যাপারে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষেরই রয়েছে কিছু ভুল ধারণা। একেবারেই সাধারণ এসব ব্যাপারে শুধু নারী নন, বরং আমাদের সবারই জেনে রাখা উচিৎ। কেননা এইসব ভুলগুলো মোটেও ছোট খাটো নয় । বরং সব ভুল ধারণাগুলি মনে মনে লালন করার জন্য একজন নারী পড়তে পারেন নানান রকম সমস্যায়। আসুন দেখে নেওয়া যাক যৌন প্রজনন, অর্থাৎ সন্তান ধারণ এবং জন্মদানের ব্যাপারে আমাদের কী কী ভুল ধারণা রয়েছে -


0১. আমাদের সমাজে খুব প্রচলিত একটি কুসংস্কার জাতীয় ধারণা হলো, দিনে একবারের বেশি শারীরিকভাবে মিলিত হলে তাদের গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়বে। কেউ কেউ এমনটাও বিশ্বাস করেন, বিশেষ কিছু অবস্থানে মিলিত হলে তাদের গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি হতে পারে।

0২. গর্ভধারণের জন্য আসলে যে ব্যাপারগুলো কাজ করে তার ব্যাপারে জানেন না অনেকেই। যেমন: বয়স বাড়ার সাথে সাথে যে উর্বরতা এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমতে থাকে তা জানা নেই অনেকেরই। বিভিন্ন যৌনরোগ বা ইনফেকশনের ফলে কমে যায় গর্ভধারণের ক্ষমতা – এটাও জানেন না অনেকেই।
0৩. গর্ভধারণের জন্য নারীদের শরীরে থাকতে হয় ডিম্বাণু। এই ডিম্বাণু জন্ম থেকেই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে থাকে নারীর শরীরে। এটা সময়ের সাথে সাথে কমে যায়, নতুন করে তৈরি হয় না। অনেকেই এ ব্যাপারটা জানেন না এবং মনে করেন ডিম্বাণু আবার নতুন করে তৈরি হবে।

0৪. বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির যত অগ্রগতি ঘটছে, ততই বাড়ছে গর্ভপাত এবং জন্মগত ত্রুটির সংখ্যা। এর জন্য অনেকাংশেই দায়ী প্রচণ্ড গতিশীল জীবন যাত্রা। কিন্তু এ ব্যাপারে অনেকেই সচেতন নন।

0৫. নিজের শরীরের গঠনের ব্যাপারেও সচেতন নন অনেক নারীই। ঋতুস্রাবের ঠিক ১৪ দিন আগে ডিম্বপাত হয় এবং এ সময়টায় যে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকে, এটা জেনে রাখা উচিৎ সবারই। যারা গর্ভধারণ করতে চান এবং যারা গর্ভধারণ এড়াতে চান উভয়ের জন্যেই এটা জেনে রাখা জরুরী।

0৬. ঋতুস্রাবের সময়ে ব্যাথা বা অনিয়মিত ঋতুচক্র অনেকেরই আছে, এটা যে গর্ভধারণের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এটা জানেন না অনেকেই। ব্যথা স্বাভাবিক ধরে নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন না।

0৭. অতিরিক্ত ওজন বা ওবেসিটির কারণে অনেক রোগ হয়ে থাকে, এটা আমাদের জানা। কিন্তু এর প্রভাব যে আমাদের প্রজননক্ষমতার ওপরে পড়ে, তা গুরুত্ব দেন না কেউ।

নিজের প্রজননতন্ত্রের ব্যাপারে এতসব ভুল ধারণা এবং জ্ঞানের ঘাটতি থাকার মূল কারণ হলো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য সেবাদানকারী কোনো ব্যক্তির সাথে কথা না বলা। শারীরিক সমস্যা থাকুক বা না থাকুক, নিজের শরীরের ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞান রাখা আমাদের সবারই কর্তব্য। আর এর মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখাও অনেক সহজ হবে । তাছাড়া  যে কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় সকলেরই তাত্ক্ষণিক ভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। 

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…