সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পুরুষের শুক্রানুর গুনগত মান বাড়াতে কিছু পরামর্শ

শুক্রাণুর গুণগত মানের হ্রাস ও শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া সারা বিশ্বজুড়েই এখন বিজ্ঞানীরদের মহা চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। শুক্রাণু নিয়ে সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞানীরা পাঁচটি উপায়ও বের করেছেন। নিচে এগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো

লাল সব্জী খাওয়া:
গত মাসে ওহিও ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক থেকে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুযায়ী খাদ্যে লাইকোপেনের উপস্থিতি ৭০% অবধি স্পার্ম কাউন্ট বাড়িয়ে তুলতে পাড়ে। শুক্রাণুর গতি এবং ঘনত্ব বাড়িয়ে তোলে। লাইকোপেন লাল সব্জী যেমন টম্যাটো, স্টবেরি, চেরি ও লাল ক্যাপসিকমের মধ্যে পাওয়া যায়। 
কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ না করা:
দীর্ঘক্ষণ ধরে কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করলে স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। কমে যায় শুক্রাণুর গতি। শুক্রাণুর ডিএনএ-তে পরিবর্তন দেখা যায়। ল্যাপটপের সঙ্গে যদি WiFi কানেকশন থাকে তাহলে এই সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

কম সময় ধরে সাইক্লিং করা:
সাইকেল চালানো একটি উন্নত মানের ব্যায়াম হলেও দীর্ঘক্ষণ ধরে সাইকেলে বসে থাকলে শুক্রাণুর উপর তার ক্ষতিকারক প্রভাব পরে। ২০০৯ সালে স্পেনের একটি স্পোর্টস মেডিসিন সংস্থার প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী দীর্ঘক্ষণ সাইকেলে বসে থাকলে স্পার্মাটোজোয়ার সাধারণ আকার নষ্ট হয়। গড়ে ৩৩ বছর বয়সী স্পেনের ১৫ জন ট্রায়াটলিথসের উপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে যাঁরা সপ্তাহে ৩০০ কিলোমিটার সাইক্লিং করেন তাঁদের ফার্টিলিটি নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়।

বেশি গরমের মধ্যে না থাকা:
৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস শুক্রাণু তৈরি হওয়ার আদর্শ উষ্ণতা। এই উষ্ণতা দেহের স্বাভাবিক উষ্ণতার থেকে কিছু কম। ক্যালিফোরনিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় টানা তিন বছর গবেষণা করে দেখেছে যে সমস্ত পুরুষরা হট বাথ নেওয়া বন্ধ করেছেন তাঁদের স্পার্ম কাউন্ট গড়ে ৫০০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

কফি খাওয়া কিন্তু অল্প পরিমানে:
২০০৩ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ৭৫০ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের উপর পরীক্ষা করে দেখেছেন কফি স্পার্মের মোবিলিটি বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি দিনে তিন বা ততোধিকবার কফি খেলে স্পার্মের জেনেটিক মিউটেশন ঘটে। ফলে শুক্রাণুর ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…