সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

খারাপ বৈবাহিক সম্পর্ক আপনাকে সহজেই অসুস্থ্য করে তুলতে পারে !

ডিবরা উম্বারসন যিনি ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক তার এবং তার অন্য সহযোগী অধ্যাপকগনের জার্নাল অব সোস্যাল বিহেভিয়র এ প্রকাশিত এক গবেষনায় দেখা গেছে শক্তিশালী সামাজিক বন্ধনের সাথে সুস্বাস্থ্যের অনেক সংযুক্তি রয়েছে। ভাল স্বাস্থ্যের জন্য বিবাহ হচ্ছে সবছে ভাল সামাজিক আত্মীয়তার বন্ধন। বিবাহের সাথে শাররীক সুস্থ্যতা নির্ভর করার মানে এটা নয় যে, অবিবাহিত থাকার চেয়ে বিবাহ করা উত্তম। শুধুমাত্র বিবাহ ভাল স্বাস্থ্যের নিয়ামক নয় – এর জন্য অবশ্যই স্বামী-স্ত্রীর সু-সম্পর্ক জরুরী।

উম্বারসন এবং তার দল ১,০৪৯ জন বিবাহিত যুগলের ব্যাক্তিগত জীবনের তথ্য সংগ্রহ করেন ১৯৮৬, ১৯৮৯ এবং ১৯৯৪ সালে। অংশগ্রহনকারীগন তাদের স্বস্থ্য এবং বিবাহিত জীবনের মান এর বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তারা বলেন, “বিবাহিতদের মাঝে – দূর্দশাগ্রস্ত সম্পর্কের মানুষের স্বাস্থ্য সুসম্পর্কযুক্ত যুগলের তুলনায় খারাপ। গবেষনার ফলাফলে আরো বলা হয় – খারাপ সর্ম্পকের বিবাহিত যুগলের স্বাস্থ্য ঝুকি ডিভোর্সড যুগলের চেয়ে অনেক মাত্রায় বেশি; বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে।”
বৈবাহিক মান এর সাধারন জ্ঞানমুলক প্রশ্নমালা :-
  • আপনার বিবাহে আপনি কতটা খুশি?
  • আপনার স্বামী/স্ত্রী আপনাকে কতটা ভালবাসে এবং আপনার প্রতি কতটা যত্নশীল বলে আপনার ধারনা?
  • আপনি যখন আপনার সমস্যা এবং চিন্তার কথা আপনার সঙ্গীকে বলতে চান – তখন তা শুনতে সে কতটা আগ্রহ দেখায়?
  • কত সময় ব্যভধানে আপনার মনে হয় “বৈবাহিক সম্পর্ক বিরক্তিকর” অথবা “বিয়েটি আপনার জন্য বিপর্যয় ঢেকে এনেছে”?
  • আপনার কি মনে হয় আপনাদের সম্পর্ক অপ্রিয় এবং আপনাদের মাঝে অনেক মানসিক অমিল?
দুর্বল বৈবাহিক সম্পর্ক – দুর্বল স্বাস্থ্য :-
স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিজের মুল্যায়ন সব সময় একই প্রকার থাকেনা। সব যুবক-যুবতী সুস্বাস্থ্যের অধিকারী আবার সব বৃদ্ধ বয়সীরা দুর্বল তা কিন্তু নয়। বিবাহিত সম্পর্কে যারা বেশি অসুখী তাদের স্বাস্থ্যের মান নিন্মমুখী। আবার যাদের পারিবারীক বন্ধন বিশ্বাসপুর্ন তাদের ক্ষেত্রে সুস্বাস্থ্যের সাথে বয়সের তারতম্যে কোন পার্থক্য পরিলক্ষীত হয়নি।

অসুখী মানুষের বৃদ্ধবয়সে স্বাস্থ্যঝুকি বাড়ার কিছু কারন হতে পারে :-
  • বছরের পর বছর পারিবারিক অশান্তি মানসিক চাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে বয়সের সাথে সাথে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি অসুস্থ থাকেন। 
  • বয়স মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বল করে দেয়। দুশ্চিতা তাই সহজে বয়স্কদের ঘায়েল করে। যা হার্ট এ্যটাক এর ঝুকি বাড়ায়। 
  • বয়স্ক মানুষ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরিবারকেন্দ্রিক হয়ে যান। সমাজের সাথে সম্পর্ক কমে যাবার কারনে সাংসারিক অশান্তি নানান রোগের উপশর্গ দেখা দেয়। 

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…