সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দীর্ঘস্থায়ী এবং সুখী দাম্পত্য জীবন হবে আপনার - মেনে চলুন কয়েকটি বিষয় !

সম্প্রতি টাইমস অব ইনডিয়ার এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘস্থায়ী এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য বেশ কয়েকটি বিষয়ের কথা তুলে ধরেছেন। কারণ আধুনিকতার ছোয়ায় আজ 'দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবন' কথাটি এখন একটি অবাস্তব বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা রীতিমতো বেড়েই চলেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার কোনও দ্বন্দ্ব সমাধানের সহজ উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে একে অন্যকে ত্যাগ করা।

এভাবে অতিরিক্ত বিবাহ বিচ্ছেদের ফলে বিপাকে পড়ছে তাদের সন্তানেরা। তাদের সামাজিক ও মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে না। তবে এমনটি না করে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই যদি কিছু নিয়মকানুন মেনে চলেন তাহলে দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব।

ছাড় দিতে শেখা :- 
অনেকে মনে করেন, অন্যকে ছাড় দেয়া মানে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করা। কিন্তু বিষয়টি মোটেও ঠিক নয়। একে অন্যকে ছাড় দিয়ে চললে তাদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও বেশি মজবুত হয় ও দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।

একে অপরকে সম্মান দেয়া :- 
স্বামী-স্ত্রীর প্রত্যেকেরই উচিত একে অপরকে সম্মান দিয়ে কথা বলা। সঙ্গীর সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো। তার কোনও সিদ্ধান্ত আপনার পছন্দ নাও হতে পারে তবে তাকে তা নিয়ে এমনভাবে কোনও কিছু বলবেন না যাতে তিনি কষ্ট পান।
এ সম্পর্কে ক্লিনিক্যাল সাইকোলোজিস্ট সীমা হিঙ্গোরাণী বলেছেন, ‘একে অপরকে সম্মান দেখানো ও যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার বন্ধন অনেক বেশি শক্ত হয়।’

অর্থ লেনদেনের বিষয় গোপন না করা :-
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন হতে পারে যে, তাদের উভয়ের আলাদা আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে। কিন্তু কে কোথায় কতো টাকা ব্যয় করছেন, আয় করছেন তা অবশ্যই একে অপরকে জানাতে হবে।

সর্বত্র যোগাযোগ রক্ষা করা :- 
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যদি যোগাযোগের ঘাটতি থাকে তাহলে সেটি দাম্পত্য জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপনার অফিস, আদালত, ব্যবসা যাই থাকুক না কেন, সব কাজের মধ্যে অন্তত ১৫-২০ মিনিট সময় করে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করুন।

শক্ত বন্ধন তৈরি করা :-
দুই জনের মধ্যে বন্ধন শক্ত করার অন্যতম উপায় হচ্ছে, মাঝে মাঝে দুই জন বসে নরম স্বরে কথা বলা, একসঙ্গে বসে খাবার খাওয়া, কোথাও বেড়াতে যাওয়া। বন্ধন শক্ত থাকলে দুই জনের মধ্যে সহজে কোনও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় না।

রোমান্স না হারানো :-
বিবাহ বিষয়ক পরামর্শক ড. সঞ্জয় মুখার্জি বলেছেন, ‘বিবাহ যতো আগেই হোক না কেন নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে পুরাতন মনে করবেন না। সবসময় নতুন মনে করবেন। দুই জনে মিলে বেড়াতে যাবেন, মজা করবেন।’

এছাড়া আপনি আপনার মতো করে বা কোনও মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নিয়ে আরও কিছু উপায় মেনে চলতে পারেন। যেগুলো আপনার দাম্পত্য জীবন সুখী ও দীর্ঘস্থায়ী করবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…