সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন নিয়ে ভীত ! কিন্তু কেন ?

বিয়ের আগে নানা প্রকার অনাচারের জন্য হয়ত যৌন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। আমাদের দেশের যুবকদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই এটা দেখা যায়। আপনি হয়ত জানেনও না যে প্রপার ট্রিটমেন্ট না করলে এ সমস্যা গুলো আপনাকে সারা জীবনই বয়ে বেড়াতে হবে।

তবে ঐ গুলো নিয়ে আপনাদের টেনসনের কোনো কারণ নাই। হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিন, বলে রাখলাম মাত্র কয়েক মাসের চিকিত্সায় আজীবনের জন্য আপনার যৌন সমস্যাগুলো দূর হয়ে যাবে। তবে অবশ্যই ভালো কোন হোমিওপ্যাথের দারস্থ হবেন। কারণ আপনার Symptoms অনুসারে হোমিও ঔষধ সিলেকশন না হলে ঐ ঔষধ খেয়ে যাওয়া আর গ্লাস ভর্তি সাদা পানি খেয়ে যাওয়ার মধ্যে কোনো তফাৎই থাকবে না। আমাদের কাছে এরকম একজন রোগী আসছিলেন তিনি নাকি ৪ বছর যাবৎ ঔষধ খেয়ে আসছেন।
https://youtu.be/S1ydE05aX-0
ইন্টার্নি করার সময় আমাদের একজন সিনিয়র ডাক্তার বলেছিলেন বাংলাদেশের ৭০%-৮০% হোমিও ডাক্তার যথাযথ চিকিত্সাটাই দিতে জানেন না। কারণটা আমরা এখন খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছি। আমরা এমনও অনেক হোমিওপ্যাথি ডাক্তার দেখেছি, রোগ নিয়ে তাদের কাছে কেউ গেলেই তারা বই বের করে একবার দেখে নেন (ক্ষেত্রে বিশেষে প্রযোজ্য)। আবার কেউ কেউ একটা বোতলে সাদা স্পিরিট দিয়ে আগামী কাল বা ৩ দিন পর আবার দেখা করতে বলেন , আর এই সময়টাতে তিনি বই খুলে দেখে নেন। ভেবে দেখুন আপনি আপনার ভালো ছেলে বা মেয়েটাকে ইঞ্জিনিয়ার বা MBBS ডাক্তার বানাতে চাইবেন কিন্তু হোমিওপ্যাথ বানাতে চাইবেন না। অর্থাৎ খুব কম মেধাবীদেরই  হোমিওপ্যাথ হতে দেখা যায়। তাই আমাদের সিনিয়র সেই স্যারের কথাটা কোন ভাবেই অযৌক্তিক মনে হয় নি। 

এবার আসুন মূল বিষয়ে যাই। আমাদের কাছে ট্রিটমেন্ট নিতে আসা এমন কয়েক জনকেই দেখলাম তেমন কোনো সমস্যা নেই কিন্তু তারপরও তারা যৌন মিলন নিয়ে বেশ ভীত। এই প্রকার রোগীদের ক্ষেত্রে আমরা যে পরামর্শ গুলো দিয়ে থাকি সেগুলো হলো :- 
  • আপনার স্ত্রী সম্পর্কে মনের একান্ত ভাবনা গুলো তাকে খুলে বলুন। দেখবেন স্ত্রী আপনার মনোবল বাড়াতে উৎসাহ যোগাবে। বেস, তাতেই আপনি ৮০% রেজাল্ট পেয়ে যাবেন আশা করি। 
  • এমনটি ভাবা থেকে বিরত থাকুন যে,  যৌন মিলন একজনের একার পারফরমেন্স। এখানে স্বামী এবং স্ত্রী দু'জনেরই তৃপ্তির আদান-প্রদান হয় বিভিন্ন আসন ভঙ্গিতে। এতে সবসময়ই ‘পরিপুর্ন তৃপ্তি’ পেতে হবে এমনটি আশা করাও ঠিক নয়।
  • মানসিক প্রশান্তির জন্য ব্যায়াম, সামাজিক কর্মকান্ড এবং আপনার শখের কাজগুলো করুন। মনের প্রশান্তিই আপনাকে সহবাসে দারুন উৎসাহীকরে তুলবে।
  • সম্ভব হলে মাঝে মাঝে সহবাসের সময় আবহ সৃষ্টি করুন। ফুল, মোমবাতির আধো আলো-ছায়া এবং সুগন্ধি দিয়ে এক মায়াবী বলয় তৈরি করতে পারেন। দেখবেন আপনার পুরো অনুভূতিটাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। 
  • যৌন মিলন শব্দটিকে পুনঃবিন্যাস করুন। মিলন বলতে শুধু সরাসরি শারীরিক মিলন বুঝায় না। এটা হতে পারে চুমো খাওয়া, ছোয়া ইত্যাদি। অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর সহবাস হচ্ছে পরষ্পরের তৃপ্ত অনুভব। এ সময় তৃপ্তির বিনিময় হয়ে থাকে। তাই বিষয়গুলো চর্চা করলে উপকৃত হবেন আশা করি। ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন সবাই। 

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…