সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আমার বিবাহ হয়েছে ১৬ মাস, আমার সমস্যা হচ্ছে, আমার ফিলিংস আসে কম এবং খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়।

সম্মানিত পাঠকের প্রশ্ন :- ভাই, আমার বিবাহ হয়েছে ১৬ মাস, আমার সমস্যা হচ্ছে, আমার ফিলিংস আসে কম এবং খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়। আমার বয়স ৩২ বছর। উচ্চতা ৫'৫"। ওজন ৬৭ কেজি। বিয়ের পুরবে হস্তমৈথুন এর অভভাস ছিল। আর কোন ধরনের বাজে অভ্যাস নেই। সমাধান সম্ভব কিনা? আর কতদিন এ ভালো হতে পারে। আমি এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিয়েছি। ওষুধ যতদিন খাই মোটামুটি কাজ হয়। বন্ধ করলে কাজ হয়না।
আমাদের ফেইসবুক পাতায় প্রশ্নটি করেছিলেন আমাদের সম্মানিত একজন পাঠক ভাই। বিষয়টা নিয়ে এখানে লেখার কারণ হলো, এ সমস্যাটা আমাদের দেশে প্রায় সার্বজনীন অর্থাৎ আমাদের এই ভাই একাই শুধু এ রকম সমস্যায় আক্রান্ত নন। ওনাকে অনেক ধন্যবাদ কমেন্টটি করার জন্য। আর আমি আশা করি ওনার কমেন্টটির জন্য আরো লাখ লাখ তরুণ উপকৃত হবেন।

উত্তর :-
ধন্যবাদ আমার ভাই, কমেন্টটি করার জন্য। আপনাদের কাছে অনুরোধ মেহেরবানী করে আমাদের ব্লগের সবগুলি আর্টিকেল সময় করে একবার পড়ে নিবেন। তখন দেখবেন আপনাদের অনেকের সমস্যা এমনিতেই ঠিক হয়ে গেছে। আমার ভাই, আপনি যে সমস্যাটি নিয়ে লিখেছেন, আমরা বার বার বলে আসছি:-
"যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য বিবাহিত পুরুষের কোনো প্রকার উত্তেজক ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই।  কারণ স্বাভাবিক খাবার দাবার থেকেই প্রতিটা পুরুষ তার যৌন শক্তি লাভ করে থাকে।"
আর আপনার যে সমস্যাটি সেটা অপ্রাকৃতিক উপায়ে তৈরী করা। আপনি যদি এ অবস্থায় যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য ঔষধ খেতে থাকেন তাহলে আপনাকে সারা জীবন তা খেয়ে যেতে হবে। কিন্তু প্রবলেম হলো কিছু দিন পরই তা আর আপনার শরীরে কাজ করবে না। সাথে লিভার, হার্ট এবং কিডনিতে দেখা দিবে নানান জটিলতা। তাই ভুল করেও আর ঐ পথে হাত বাড়াবেন না। 

এবার আসেন কিভাবে সমস্যাটা নির্মূল করবেন। হোমিওপ্যাথি আপনার যৌনশক্তি বাড়াবে না। হোমিওপ্যাথি যে কোনো সমস্যার কারণটাকে তার মূল থেকে নির্মূল করে দেয় আর তখন অটোমেটিক ভাবেই রোগটি চিরদিনের জন্য শরীর থেকে দূর হয়ে যায়।

আপনারা হয়ত জানেন মানুষের শরীর হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সবচেয়ে জটিল এক মেশিন। যখন আপনি হস্তমৈথুন করতেন না তখন কিন্তু আপনি ঠিকই ছিলেন। দীর্ঘ দিন এই কাজটি করার কারণে আপনার শরীরে যৌন দুর্বলতা সমস্যাটা সৃষ্টি হয়েছে যেটি স্বাভাবিক খাবার দাবার থেকে ফিল আপ করতে পারছে না। এখন দরকার সমস্যাটার মূল কারণটাকে তার রুট লেভেল থেকে দূর করে দেয়া। তখন দেখবেন আপনার মেশিন (শরীর) আগের মতই সঠিক ভাবে কাজ করছে। তার জন্য আর কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ারই দরকার নেই। মাত্র কয়েক মাসের প্রপার হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিলেই দেখবেন, আবার নব যৌবনে ভরে উঠেছে আপনার যৌন জীবন। আর আপনারা সুখে থাকেন, আনন্দে থাকেন এটাই আমাদের কামনা।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…