সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পুরুষ বা নারী - যৌন জীবনে কে বেশি সুখী ?

আমাদের অনেকের মনে হয়ত প্রশ্ন জাগতে পারে যে - যৌন জীবনে কে বেশি সুখী হন ? পুরুষরা নাকি নারীরা। এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটা জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে সমগ্র বিশ্বের কথা মাথায় রেখে। ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পাইজার কর্পোরেশান এর তত্বাবধানে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে বিশ্বজুড়ে পুরুষ তাদের যৌন জীবনে নারীর চেয়ে অধিক সুখী হয়ে থাকেন । আসুন এবার বিস্তারিত বিষয়ে যাই :- 

জরিপে ২৯ টি দেশের ১৩,৮২২ নারী এবং ১৩,৬১৮ জন পুরুষ অংশ নেন। সব অংশগ্রহনকারী গড়পড়তা ৪০ বছর বয়সী ছিলেন। “অংশগ্রহনকারীরা কোথায় বসবাস করছেন তা ব্যাপার নয় – তবে সব স্থানেই পুরুষের যৌন সুস্বাস্থ নারীর তুলনায় ভাল” – এ্যাডওয়ার্ড লওম্যান, পিএইচডি, ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো। সঙ্গীদের মাঝে শাররীক এবং মানসিক তৃপ্তির হারের উপর ভিত্তি করে যৌন সুস্বাস্থের অবস্থান জানার জন্য এ জরিপ চালানো হয়।

আন্তঃজাতিক জরিপঃ জরিপে অংশগ্রহনকারীদের বিক্ষিপ্তভাবে নির্বাচন করা হয়। তাদেরকে বলা হয় তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।
জরিপে নিন্মোক্ত প্রশ্নগুলোও যুক্ত ছিল: 
  • মোটের উপর গত ১২ মাসে কতটা সুখি ছিলেন (শাররীক, পারিবারিক, সামাজিক এবং কাজের ক্ষেত্রে)? 
  • গত ১২ মাসে আপনার সঙ্গীর সাথে শাররীক সম্পর্কে কতটা তৃপ্ত ছিলেন? 
  • বিগত ১২ মাসে আবেগ-অনুভবে কতটা সুখি ছিলেন আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে? 
  • যদি আপনাকে আপনার বাকী জীবন এখন যে রকম যৌনকার্য এবং যৌনস্বাস্থ নিয়ে আছেন সে রকম থাকতে হয় – তাহলে এ বিষয়ে আপনার কেমন অনুভুতি হবে? 
 
এছাড়াও অংশগ্রহনকারী ব্যক্তিদের আরো কিছু বিষয়ে “হ্যাঁ” কিংবা “না” বোধক জবাব দেয়ার জন্য বলা হয়, তা হল - 
  • বয়স্ক মানুষ যৌন মিলন করতে চান না। 
  • “সত্যিকারের পুরুষ” যে কোন সময় যৌন মিলন করতে প্রস্তুত। 
  • যৌন আকঙ্খা নিয়ন্ত্রনে নারী পুরুষের চেয়ে অধিক শক্তিশালী। 
  • পুরুষের যৌনক্ষুধা নিবারন করা নারীর/স্ত্রীর এক প্রকার কর্তব্য। 
যৌন সুস্বাস্থ সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিঃ গবেষকগন জরিপকৃত দেশগুলোকে তিনটি বিভাগে ভাগ করেছেন:
বিভাগ ০১: পশ্চিম ইউরোপ, মেক্সিকো, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিন আফ্রিকা, আমেরিকা।
বিভাগ ০২: আলজেরিয়া, মিশর, ইসরাইল, ইতালী, মরক্কো, তুরষ্ক, কোরিয়া, মালেয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রাজিল।
বিভাগ ০৩: চীন, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড।

১ নং বিভাগের মানুষ সর্বচ্চ হারে যৌনতৃপ্তি প্রাপ্ত। কিন্তু ০২ নং বিভাগের মানুষ অন্যান্য বিভাগের মানুষের চেয়ে যৌনতা বিষয়ে বেশি গুরত্ব দিয়ে থাকে। ০৩ বিভাগ জরিপের সর্বদিক থেকেই সর্বনিন্ম অবস্থানে আছে।

গবেষনার ফলাফলে পরিশেষে বলা হয়েছে যে, সংস্কৃতি এবং চিন্তা-ধারার পার্থক্যের কারনে যৌন-স্বভাব এবং অভ্যস্ততায় পশ্চিমা দেশের মানুষ প্রাচ্যের মানুষের চেয়ে অধিক সুখকর যৌন জীবনের অধিকরী। এবং বেশিরভাগ মানুষের কাছে বয়সের ব্যবধানের চেয়ে সুস্থ শরীর-ই যৌনসুখের জন্য প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…