সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ফোন সেক্স - পুরুষদের যৌন দুর্বলতা এবং দ্রুত বীর্যপাতের কারণ

প্রযুক্তির অপব্যবহারে অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে, চিকিত্সকরা নির্দিধায় বলতে বাধ্য হচ্ছেন, ভয়াবহ যৌন দুর্বলতা সৃষ্টি হতে পারে ফোন সেক্স এর মত খারাপ অভ্যাসের কারণে৷ এমনকি, লিঙ্গশীতলতা, দ্রুত বীর্যপাত এবং পুরুষত্বহীনতার মতো রোগেও আক্রান্ত হতে পারে ফোন সেক্সে৷তাই যদি এ ধরনের অভ্যাসে আসক্ত হয়ে থাকেন তাহলে এক্ষুনি সতর্ক হন।
ফোন সেক্স বিষয়টা কি:-
ফোনের মধ্যে দিয়েই ছেলে এবং মেয়ের অন্তরঙ্গতা বেড়ে চলা৷পোশাকের বিবরণ থেকে তারপর ফোনের মধ্যেই শরীরের থেকে সব পোশাক খুলে নেওয়া৷ কথার মধ্যে দিয়ে আপদমস্তক আদর৷ আর সে আদর বাড়তে বাড়তে একেবারে যৌনমিলন৷ প্রতিটি ভঙ্গির নিঃখুত বিবরণ৷ কখনও কোথায় হাত যাচ্ছে, কখন কোথায় যাচ্ছে ঠোঁট, মুখ, যৌনাঙ্গ৷ সবই কথায় কথায় ফোন থেকে সোজা শরীরে৷ ফোনের কথায় কাছে আসা, শেষমেশ স্বমৈথুনের মধ্যে দিয়েই এ যেন দূরে থেকে কাছে আসার ফন্দি৷ ‘ফোন সেক্স’ এমনই এক আদবকায়দা যেখানে এক মুহূর্তের জন্যে ভুলে যাওয়া, প্রিয়মানুষটি দূরে আছে৷ কিন্তু জানেন কি? রুমা-অমিত একা নয়, একরকম অভ্যাসে আসক্ত বহু প্রেমিক-প্রেমিকাই৷ কাজের খাতিরে দূর দেশে পাড়ি দিয়ে প্রিয় মানুষকে কাছে পাওয়ার একটা অভিপ্রায় এই ‘ফোন সেক্স’৷ 

তবে এই অভ্যাস একেবারেই যে সু-অভ্যাস নয়, তা বলছেন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞরা৷ চিকিৎসকদের মতে, ‘ফোন সেক্স’ একটা নেশা৷ এই নেশা যতদিন যায় ততই বাড়তে থাকে৷ ডাক্তারদের কথায়, যৌন দুর্বলতা আনতে পারে এই ধরণের অভ্যাসে৷ এমনকি, লিঙ্গশীতলতা, দ্রুত বীর্যপাত এবং পুরুষত্বহীনতার মতো রোগেও আক্রান্ত হতে পারে ফোন সেক্সে৷ তবে উপায় আছে, এর থেকে রেহাই পাওয়ারও৷

ফোন সেক্স থেকে কিভাবে বাচবেন:-
  • অভ্যাস ত্যাগ করার জন্য প্রথমেই শক্ত হতে হবে দু’পক্ষকে৷ প্রেমিক চাইলে, প্রেমিকাকে সামলাতে হবে পুরো ব্যাপারটা৷ উলটোটিও ঘটতে পারে৷
  • বেশি রাতে প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলা ববন্ধ করুন৷ তাহলে দেখবেন আসতে আসতে ফোন সেক্স বন্ধ হয়ে যাবে৷ প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলুন খোলামেলা জায়গায় দাঁড়িয়ে৷ বাড়ির বারান্দা বা ছাদকে বেছে নিন৷
  • পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলুন৷ প্রেমের কথা থাকলেও তাতে যেন যৌনতার উসকানি না থাকে৷
  • বিয়ের কথা উঠতেই পারে৷ তবে ফুলশয্যার কথা আলোচনা না করে৷ বরং সংসার গোছানোর কথা বলুন৷
  • সিনেমা, সাহিত্য, গান-বাজনা নিয়ে কথা বলুন৷ দরকার পড়লে গান শুনুন বা শোনান৷
  • এক টানা কথা না বলে কথার সময়কে ভাগ করে নিন৷ তাহলে দেখবেন খুব সহজেই যৌনতার কথা উঠবে না৷
  • প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলার সময় ফোনে অল্প পয়সা রিচার্জ করুন৷ যাতে দরকারি কথা শেষ হওয়ার পর নিজেক থেকেই ফোনটা কেটে যায়৷
  • ফোন সেক্সের নেশা বাড়াবাড়ি পর্যায় গেলে অবশ্যই মনোরোগ বিশষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন৷
  • সুস্থ জীবন গড়ে তুলুন৷ প্রোডাক্টটিভ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন৷
সব শেষে ইচ্ছাশক্তিই বড় শক্তি৷ দু’জনেই দু’জনের সাহায্যে হাত বাড়ান৷ ভালবাসার গল্প হয়ে উঠুক সুখের গল্পের৷ তাতে প্রযুক্তি নির্ভর যৌনতার কালো রং না ধরাই ভাল৷

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…