সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ছেলেদের প্যারাফিলিয়া বা (যৌন) সেক্সুয়াল ডিসঅর্ডারে করণীয় কি ?

প্রশ্ন :  আমার নাম অভিজিত সরকার, বয়স ২৩৷ বাড়িতে শুধু মা এবং আমি থাকি৷ কিছুদিন আগে সদ্য বিবাহিত এক দম্পতি পেয়িংগেস্ট হিসেবে এসেছে৷ একদিন রাতে পাশের ঘরে গিয়ে মেয়েটির শাড়ি, ব্লাউজ, ইনার ওয়্যার শুকোতে দেওয়া অবস্থায় দেখে আমি সেগুলো হঠাত্‍ পড়ে ফেলি৷ অসাধারণ সেনসেশন হয়৷ তারপর মাঝে মধ্যেই পড়তে থাকি৷ কিন্ত্ত হঠাত্‍ মেয়েটির চোখে পড়ে যাই৷ তারপর থেকেই সে আমাকে দেখলে মুখ টিপে হাসে এবং একদিন জানায় সে আমার পরার জন্য ওই ঘরে আরও ভালো শাড়ি রেখে দেবে৷ মেয়েটিকে কিভাবে ফেস করব? আমার হঠাত্‍ কেন ওর জামাকাপড় পরে ভালো লাগছে? সব ছেলেদেরই কি এরকম হয় ?

উত্তর: না সব ছেলেদেরই এরকম হয় না, তবে কারওর কারওর তো নিশ্চয়ই হয়৷ আপনার সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি, অ্যারাউজাল ও মাস্টারবেশনের প্যাটার্ন জানতে পারলে আরও নিশ্চিতভাবে ডায়াগনোসিস করা যেত৷ আমার মনে হয় আপনার ট্রান্সভেস্টিক ফেটিশিজম আছে৷ এটি একধরণের প্যারাফিলিয়া অর্থাত্‍ সেক্সুয়াল ডিসঅর্ডার৷ আপনি হয়তো আগে এটা এক্সপেরিয়েন্স করেননি, কারণ সঠিক সুযোগের অভাব৷ এই মেয়েটির মেলে রাখা ইনার ওয়্যার আপনার ক্ষেত্রে অনসেট অফ বির্ভোভয়ারের কাজ করেছে৷ 
এই প্যারাফিলিয়া শৈশব বা কিশোর বয়স থেকেই অন্তর্নিহিত অবস্থায় থাকে, কিন্ত্ত এক্সপেরিয়েন্টের অভাবে অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি তা নিজেও জানতে পারেন না৷ আপনি যবে থেকে এই অ্যাক্টিভিটি আরম্ভ করেছেন তার পর থেকে আপনার নিজের মনেই একটা খটকা লেগেছে৷ ছ'মাসের বেশি যদি এই প্র্যাকটিস চলতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে স্বাভাবিক যৌন জীবনযাপনে অসঙ্গতি আসতে বাধ্য৷ সেক্ষেত্রে বিয়ে করলে বা কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে পার্টনার যদি সাপোর্টিভ না হন সেটি ভেঙে যাওয়ার চান্সই বেশি৷ 

আপনি যতশীঘ্র সম্ভব একজন সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিন৷ সঠিক ডায়াগনোসিস এবং কগনিটিভ বিভোভিয়ারাল থেরাপির মাধ্যমে আপনি চাইলে এই প্র্যাকটিস থেকে বেড়তে পারেন৷ ধৈর্য হারালে চলবে না৷ এটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার৷ মেয়েটিকে ইগনোর করার চেষ্টা করুন৷ হাসলে তাকাবেন না৷ কোন টীকা টিপ্পনী করলেও না৷ তবে স্বাভাবিক কথাবার্তা বলতে এলে আপনারও সাড়া দেওয়া উচিত্‍৷

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…