সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সানস্ক্রিন, টুথপেস্ট ও সাবান পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী !!

এ বিষয়টি জানা সকলেরই দরকার তাই জাতীয় দৈনিক থেকে হুবহু জনসাধারণের সচেতনতার জন্য তুলে ধরা হলো। সুস্থ এবং পরিপাটি জীবনযাপনের জন্য টুথপেস্ট থেকে শুরু করে সানস্ক্রিন ও সাবানের কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এসব প্রসাধনসামগ্রী আপনাকে শুধুই কি পরিচ্ছন্ন-পরিপাটি রাখে? নাকি ভেতরে ভেতরে ক্ষতি করছে? ভাবছেন টুথপেস্টের মতো প্রয়োজনীয় প্রসাধনসামগ্রীতে আবার ক্ষতির কী আছে? এমনটা ভাবলে ভুল করবেন। বিশেষ করে পুরুষদের এমনটা ভাবাই যাবে না। টুথপেস্ট, সানস্ক্রিন ও সাবানের মতো প্রসাধনসামগ্রীগুলো অজান্তেই কিন্তু পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের জন্য অনেকটা দায়ী। গালগল্প নয়, অনেক ঘেঁটেঘুঁটে এমন তথ্য দিয়েছেন গবেষকেরা।


একটি ইউরোপীয় সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্র উদ্ধৃত করে আজ সোমবার দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক খবরে বলা হয়, প্রসাধনী ব্যবহারে পুরুষদের খুব সাবধান হওয়া দরকার। জার্মানির বন শহরের টিমো স্ট্রাঙ্কার অব দ্য সেন্টার অব অ্যাডভান্স ইউরোপিয়ান স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের দ্য ইএমবিও সাময়িকীতে ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রসাধনসামগ্রী প্রস্তুতের সময় নন-টক্সিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা শুক্রাণু কোষকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর ধীরে ধীরে তা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের আশঙ্কাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে। 
গবেষকেরা প্রথমে কয়েক বছর ধরে মরে যাওয়া শুক্রাণুর ওপর গবেষণা চালান। পরে ওই গবেষণার ওপরে ভিত্তি করে তাঁরা পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। এ ধরনের গবেষণা এটাই প্রথম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা খুব শিগগির ইউরোপের বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত নথিপত্র উপস্থাপন করবেন এবং আবেদন জানাবেন যাতে পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী বাজারে যাওয়ার আগে সেগুলোর বিষবিদ্যা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। যদি পরীক্ষায় শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক 

কোনো পদার্থের অস্তিত্ব মেলে, তবে ওইসব পণ্য ছাড় না করার সুপারিশ করবে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। শুক্রাণু বিশেষজ্ঞ ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের অধ্যাপক নেইলস স্কাক্কেবায়েক বলেন, ‘এই প্রথম আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রীর সঙ্গে শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক এমন পদার্থের যোগসূত্র পেয়েছি।’ 

গবেষণায় দেখা গেছে, নিত্য ব্যবহার্য প্রসাধনসামগ্রীর প্রতি ৯৬টির মধ্যে ৩০টিতেই শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ রয়েছে। এসব রাসায়নিক পদার্থ শুক্রাণুর ক্যাটস্পার আমিষকে নষ্ট করে দেয়। এ আমিষটির ওপরে শুক্রাণুর মেয়াদ, গতিশীলতা এবং ডিম্বাণুর আবরণ ফেড়ে দেওয়ার সক্ষমতা নির্ভর করে।

এডিনবার্গের দ্য মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল হিউম্যান রিপ্রডাক্টিভ সায়েন্সেসের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রিচার্ড শার্প বলেন, এ গবেষণা নতুন এক দিকের উন্মোচন করলো। নিত্য ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রী যে পুরুষদের প্রজননক্ষমতা ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখে চলেছে, তা জানা সম্ভব হলো। 

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…