সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যৌন এবং পর্নো আসক্তির মানসিকতা মাদকাক্তির মতোই - কি বলছেন গবেষকেরা ?

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনই তথ্য পাওয়া গেছে যে - যৌন আসক্তিদের মানসিকতা মাদকাসক্তদের মতোই।যদিও, এ বিষয়ে এখনও বিবাদ রয়েছে। আদৌ কি, যে মানুষদের পর্নো ফিল্ম দেখার নেশা হয়েছে তাদের মানসিকতা একজন চেন স্মোকারের মতোই?

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা প্রায় ১৯ জন মানুষের মস্কিষ্কের গবেষণা করছেন। যারা পর্নো ফিল্ম নিয়মিত দেখেন। এই গবেষণায় দেখা গেছে, পর্নো ফিল্ম দেখার সময় মস্কিষ্কের সেই অংশই সক্রিয় হয় যা মাদকের নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির পছন্দের মাদক দেখলে হয়। গবেষণায় এমন দু’জন রয়েছেন যারা কাজের সময় পর্নো ফিল্ম দেখছিলেন বলেই তাদের চাকরি ছাড়তে হয়েছে।

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর বেলেরি বুন জানিয়েছেন, এটি এই বিষয়ের উপর প্রথম গবেষণা। ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এটা এখনও বলা সম্ভব নয় যে, একে যৌনতার নেশা বলা যায় কিনা। তিনি জানান, একজন ব্যক্তি যত কম বয়সে নেশাজাতীয় পদার্থের ব্যবহার শুরু করেন, তার ক্ষেত্রে নেশাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।
পর্নোগ্রাফির নেশা থেকে মুক্তির উপায়(ভিডিওটি দেখুন )
অ্যাসোসিয়েশন ফর ট্রিটমেন্ট অফ সেক্স অ্যডিকশন অ্যান্ড কম্পলসিভিটি’র পলা হাল জানিয়েছেন, ‘ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন ২৪ ঘণ্টাই সেক্সের সামগ্রী পাওয়া যায়। এমন যুবকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, যারা পর্নো সামগ্রীর ফলে নিজের উপার্জন খরচ করে ফেলছে।’ যদিও তিনি জানান, এই ধরনের লোকেদের যৌন নেশাগ্রস্ত বলা উচিত হবে না। কারন এখনও এই বিষয়ে সঠিক গবেষণা করা হয়নি।

তবে যে কোনো সমস্যারই পেছনেই একটা যৌক্তিক কারণ থাকে। অনেক সময় কারনটা খুঁজে পাওয়া যায় না আবার অনেক সময় পাওয়া যায়। যে গুলির কারণ মেডিকেল টেস্টে খুঁজে পাওয়া যায় না সেখানে অ্যালোপ্যাথি ব্যর্থ আর লক্ষণ ভিত্তিক একমাত্র অব্যর্থ চিকিত্সা হলো হোমিওপ্যাথি। তাই কোনো কারণ পান বা না পান এ ধরনের কোনো সমস্যায় আক্রান্ত হলে অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিত্সা নিন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…