সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নারীদের জরায়ু নেমে আসার কারণ, লক্ষণ এবং চিকিত্সা

নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত রোগসমূহের মধ্যে "জরায়ু নেমে আসার  (Prolapsed Uterus) " সমস্যাটি অন্যতম । দেখা যায়, এই রোগটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একটি বা একাধিক সন্তান জন্মের জন্য হয়ে থাকে । এক্ষেত্রে জরায়ু প্রায় সবটাই যোনির মধ্যে ঝুলে পড়ে । বাইমেনুয়াল পরীক্ষাতে একটি আঙ্গুল প্রবেশ করালেই এই রোগ অনেকটা বুঝতে পারা যায়। এই রোগের নিশ্চিত আরোগ্যকারী চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানে।
নারীদের জরায়ু নেমে আসার কারণসমূহ :- বিভিন্ন কারণে জরায়ু নেমে আসতে পারে যথা :
  • জন্মগত কারণে এই রোগ দেখা দিতে পারে এবং ইহা যোনির আগমনের সঙ্গেই বুঝতে পারা যায় ।
  • কখনো কখনো ব্লাডার নিচের দিকে নেমে আসে বলে তার সাথে জরায়ুও নেমে আসে । একে বলে Cystoceled.
  • কখনো কখনো রেক্টাম নিচের দিকে নেমে আসে বলে তার সাথে জরায়ুও নেমে আসতে পারে । একে বলে Rectocele.
  • কোন কোন ক্ষেত্রে অধিক সন্তান ধারণের ফলে জননেন্দ্রিয়ের বিভিন্ন অংশ ঢিলে হয়ে যায় এর ফলে জরায়ুর লিগামেন্টগুলি ঢিলে হয়ে যায় এবং নিচের দিকে নেমে আসে ।
  • জরায়ুর স্থানচ্যুতি হলে এই রোগ দেখা দিতে পারে। কোনো কোন সময় দেখা যায় যেসব নারীরা অনবরত আমাশয়, উদরাময় ইত্যাদি রোগে ভুগে থাকে তাদের এই রোগটি প্রকাশ পায়।
https://youtu.be/EJRklU0ZLao
নারীদের জরায়ু নেমে আসার লক্ষণসমূহ :- এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর কোমরে এবং পিঠে বেদনার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেক সময় প্রদাহ ভাবের সৃষ্টি হয় এবং প্রদাহ বেশি হলে জ্বরও আসতে পারে। যদি জরায়ু অধিক পরিমান নেমে আসে তবে রোগীর পায়খানা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আবার অনেক সময় পেলভিক ক্যাভিটিতে সেপটিক হতে পারে এবং ধীরে ধীরে তা ক্যান্সারের রূপ নিতে পারে। জরায়ু অধিক পরিমান নিচে নেমে আসলে যৌন মিলনে অসুবিধার সৃষ্টি হতে পারে। জরায়ু কতটা পরিমান নেমে আসে তার একটা মোটামুটি মাত্রা রয়েছে এবং সেই মাত্রা অনুসারে এই রোগ লক্ষণটিকে তিনভাবে ভাগ করা যায় যথা :
  • প্রথম ডিগ্রী :- সামান্য নেমে আসা অর্থাৎ ১/৪'' পর্যন্ত নেমে আসা।
  • দ্বিতীয় ডিগ্রী :- অনেকটা বেশি নেমে আসা অর্থাৎ ১" পর্যন্ত নেমে আসা।
  • তৃতীয় ডিগ্রী :- প্রায় সবটাই নেমে আসা অর্থাৎ ২" -- ২.১/৪" পর্যন্ত নেমে আসা অথবা তার চেয়ে বেশি নেমে আসা।
নারীদের জরায়ু নেমে আসার সমস্যায় তৃতীয় ডিগ্রীই মারাত্মক। তবে অন্য দুটি ক্ষেত্রেও নারীরা বেশ জটিলতায় ভুগে থাকেন। এই রোগের যেকোনো অবস্থায় যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে সমস্যাটি সমূলে নির্মূল হয়ে যায়। তবে রোগ ধরা পরার সাথে সাথেই সময় নস্ট না করে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে যথাযথ চিকিত্সা নেয়া উচিত। তাতে যাবতীয় উপসর্গগুলি দূর হয়ে রোগিনী খুব তাড়াতাড়িই এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করেন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…