সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

November, 2014 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিয়ের পূর্বে ফিট থাকতে সহজ কিছু ডায়েট টিপস

বিয়ের আগে নিমন্ত্রন, বন্ধুদের সাথে ঘোরাফেরা ইত্যাদি নানা কারনে প্রচুর খাওয়া দাওয়া হয়। প্রত্যেকের শারীরিক গঠন অনুযায়ী ডায়েট চার্ট ও ফিটনেস প্ল্যান মানা উচিত। আপনি যদি খুব রোগা হন বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকে তা হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে খাওয়া দাওয়া ও ব্যায়াম করুন। কীভাবে ডায়েট ও ফিটনেস প্ল্যান করলে ফিট থাকতে পারবেন জেনে নিন।
বিয়ের একমাস আগে থাকেই নিজের ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করুন। একমাসে মাঝেমধ্যে একদিন বেশি খেয়ে ফেললে চিন্তার কোন কারন নেই। ভাত ও রুটির পরিমান একটু কমিয়ে দিন সালাদ বেশি করে খান। ব্যায়াম করার সময় একটু বাড়িয়ে দিন।বাইরে খাওয়া দাওয়া করলে সাথে সালাদ খাওয়ার চেষ্টা করুন। ডুবো তেলে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকুন।সারাদিন বাইরে থাকতে হলে ড্রাই ফ্রুটস সাথে নিয়ে নিন। হেলদি স্ন্যাকস হিসেবে ভালো হবে। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। বাইরের কোন খাবার খেলে প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। সারাদিনে খুব বেশি চা বা কফি না খাওয়াই ভালো।নানা রকমের সবজির তরকারি রাখুন খাদ্য তালিকায়। আলুর সাথে অন্যান্য সবজিও যেন যথেষ্ট পরিমানে থাকে সেদিকে নজর রাখুন। দুপুর ও রাতের খাবারে বেশি করে সবজি রাখুন।…

বিয়ের পূর্বে হবু স্ত্রী সম্পর্কে যে বিষয়গুলি জেনে নেয়া উচিত

দাম্পত্য মানেই একজন মানুষের সাথে নিজের বাকিটা জীবন কাটানো। আর এর সামাজিক স্বীকৃতি হলো বিয়ে। যদিও আজকাল ডিভোর্স খুব সহজ একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু তবুও যতটা সোজা ভাবা হয় বিষয়গুলো আসলে ততটা সহজ নয়। স্ত্রী এমন কেউ নন যে পছন্দ না হলেই বদলে ফেলবেন। বরং সে পরিস্থিতি যেন না হয়, সে কারণে বিয়ের আগেই কিছু খোঁজখবর করে নেয়া ভালো। পারিবারিক বিয়েতে তো বটেই, প্রেমের বিয়েতেও বিষয়গুলো একটু ভালো করে জেনে নেবেন। এতে সব শেষে লাভ হবে আপনাদের দুজনেরই।

অতীত সম্পর্কের ব্যাপারেও যথেষ্ট ধারণা রাখুন :- বিয়ের পর স্ত্রীর অতীত থেকে একজন প্রেমিক বা ভালোবাসার পুরুষ উঠে আসলে নিশ্চয়ই আপনার ভালো লাগবে না? কিন্তু সেই সম্পর্ক যদি "সারপ্রাইজ" হিসাবে দেখা দেয় বিয়ের পর, তাহলে সমস্যা। তাই আগেই জেনে রাখুন স্ত্রীর পুরনো সম্পর্কের ব্যাপারে, যেন ভবিষ্যতে এই ব্যাপারটি আর আপনাদের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করতে না পারে। জেনে নিন তাঁর পারিবারিক ইতিহাস :- শুধু পরিবারের সবার নাম-পরিচয়ই নয়, নিকট আত্মীয়দের পেশা এবং অন্যান্য জরুরী তথ্যগুলো জেনে রাখুন। সাথে এটাও জেনে রাখুন যে কোন বংশানুক্রমিক ব্যাধি আছে কিনা। পরিবারে কোন অপরাধের…

সদ্য বিবাহিত মেয়েদের যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত

বিয়ের আগে হবু শ্বশুরবাড়ির সবার সাথে বেশ সহজ সম্পর্ক হলেও বিয়ের পর কিন্তু স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক আমূল বদলে যেতে পারে। বিয়ের আগে বেশ কয়েকবার ঘুরে এসেছেন শ্বশুরবাড়ি। হবু স্বামী আর শ্বশুরবাড়ির সকলের সাথে বেশ ভাল করেই পরিচয় হয়ে গেছে। আপনি চান বিয়ের পরও এই রকম সম্পর্ক যেন সবার সাথে টিকে থাকে।

কিন্তু যেকোন মেয়ের জন্য নিজের সব কিছু ছেড়ে শ্বশুরবাড়ির সব মানুষের সাথে প্রথম প্রথম মিলেমিশে থাকাটা অনেক কষ্টের হয়ে থাকে। কীভাবে সামলাবেন এই সম্পর্ক বদল? জেনে রাখুন কিছু সমাধান সুত্র। স্বামীকে শ্বশুরবাড়ির অন্যান্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিন। তিনি আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষ তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তাঁর পরিবারের অন্য পরিচয়গুলো ভুলে গেলে চলবে না।দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা দেখা দিলে সব সময় নিজের বাবার বাড়ির মানুষজনকে বলতে যাবেন না বরং শ্বশুরবাড়ির গুরুজনদের পরামর্শ নিন। তাঁদের অভিজ্ঞতার মূল্য দিলে তাঁরা খুশি হবেন।নতুন শ্বশুরবাড়ির সবাই যে আপনার মন মত হবেন বা আপনার পছন্দসই ব্যবহার করবেন, এইরকম প্রত্যাশা না করাই ভাল। কারও সাথে মতামত না মিললে চট করে মেজাজ খারাপ করবেন না।শ্বশুরবাড়িতে প্রথম দিন থেকেই পারিবারিক বন্ধ…

সহবাস বা মিলনকালে পুরুষরা আত্মবিশ্বাস বাড়াবেন যে ভাবে

অনেক সময়ই দেখা যায় স্ত্রীকে সামনে পেয়ে মিলনকালে কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলেন কিছু কিছু পুরুষ। এমনকী, যে নারীর কথা উত্তেজিত হন পুরুষেরা, অনেক সময় দেখা যায় তাঁকে একান্তে পেয়েও হতাশা-দ্বিধায় ভোগেন পুরুষেরা। কারণ, প্রথমত তিনি একটা বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেন না, যে তাঁর সঙ্গিনীকে সুখী করতে পারবেন কী না। ঘাবড়াবেন না। আপনার কনফিডেন্স বাড়ানোর জন্য রইল কিছু টিপস।
আপনার সঙ্গিনী কিন্তু আপনার চেয়েও বেশি কল্পনাপ্রবণ। তিনি আপনার সঙ্গে মিলনের আগে বহুবার সে কথা তিনি মনে মনে ভেবে ফেলেছেন। আপনার সঙ্গে শয্যায় সে সবের পুনরাবৃত্তি করছেন মাত্র।শুধু ফোরপ্লে করে থেমে যাবেন না। কারণ, এতে আপনার স্ত্রী বা সঙ্গিনী হতাশ হতে পারেন। কাজের চাপ থাকবেই, কিন্তু নিজের সঙ্গিনীকে আপনি কতটা ভালবাসেন তা চেপে রাখবেন কেন?অযথা হতাশ হবেন না। দ্বিধায় ভুগবেন না। বিদেশি পর্ন ফিল্মের ক্যারেক্টার নন আপনি। একজন বাংলাদেশী পুরুষ। আপনার যৌন ক্ষমতাও আর পাঁচটা পুরুষের মতই। সঙ্গিনীকে একান্তে পেলে এটা মাথায় রাখবেন।নিজের বাহ্যিক যৌন্দর্যে মন দিন। সিনেমায় যতই দেখাক, একগাল খোঁচাখোঁচা দাড়ি দেখে নায়িকারা ছুটে আসছেন, বাস্তবে অনেকসময়ই তা হয় না। বিশেষত শয্য…

নারীদের যৌন শীতলতার পেছনে যে কারণ গুলি কাজ করে !

বিয়ের কিছুকাল পর অনেক স্বামীদেরই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, তাদের  স্ত্রী যৌনতার ক্ষেত্রে শীতল আচরণ করেন। এমনিতে খুবই ভালো স্ত্রী ও প্রেমিকা, কিন্তু যৌনতার প্রশ্ন এলেই গুটিয়ে যান। শারীরিক কোন সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও বিছানায় শীতল আচরণ করেন, অনীহা দেখান বা যথেষ্ট সক্রিয় নন। ফলে দাম্পত্যে অশান্তি অবধারিত ভাবেই হচ্ছে। অনেক নারী নিজেও বোঝেন নিজের এই সমস্যাটা, কিন্তু কাকে বলবেন বা কী করবেন, সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না। আমাদের এই ফিচার সেইসব নারীদের জন্য, যারা শারীরিক ভাবে সুস্থ হওয়া সত্ত্বেও শীতল যৌন আচরণ করে থাকেন। নারীর শীতল যৌন আচরণের পেছনে যে সর্বদা শারীরিক বা মানসিক কোন গুরুতর সমস্যা থাকবে, বিষয়টা তেমন নাও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিষয়টি স্বামী স্ত্রীর মাঝে সাধারণ বোঝাপড়ার অভাব, বয়সের পার্থক্য কিংবা অতীতের কোন ঘটনার কারণে হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে একটু সহমর্মিতা ও ভালোবাসা দিয়েই সমাধান করা সম্ভব।
বয়সের পার্থক্য ব্যবধান তৈরি করে :- আপনার স্ত্রীর বয়স যদি অনেক কম হয়ে থাকে কিংবা আপনার সাথে বয়সের পার্থক্যটা বেশী হয়ে থাকে, তবেও তিনি যৌনতায় শীতল আচরণ করতে পারেন আর এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশে…

এক চুমুতে মুখের মধ্যে প্রবেশ করে ৮ কোটি ব্যাকটেরিয়া - কি বলছে গবেষণা ?

চুমুতে ভালবাসা বাড়ে, ভালবাসা ছড়ায় জানাছিল, কিন্তু চুমুর মধ্যে দিয়ে ব্যাকটেরিয়ার আদানপ্রদান হয় তা কি জানা আছে? নতুন এক গবেষণা বলছে মাত্র ১০ সেকেন্ডের গভীর চুমুতে ৮ কোটি ব্যাকটেরিয়া একজনের লালার সঙ্গে অন্যজনের মুখে প্রবেশ করে। যে যুগল দিনে যতবার বেশি চুমু খায় তাদের মুখের মধ্যের মাইক্রোব্যাকটেরিয়ার তত বেশি মিল থাকে।

নেদারল্যান্ডের অরগানাইগেশন ফর অ্যাপলায়েড সায়েন্টিফিক রিসার্চের গবেষক রেমকো কোর্ট আমস্টারডামের মাইক্রোপিয়া (পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোবসদের মিউজিয়াম)-এর সঙ্গে যৌথভাবে ২১ জনের যুগলের উপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে চুমু খাওয়ার সময় তাদের আচরণ, কত ঘন ঘন তারা চুমু খান এই সব প্রশ্ন সহ একটি তালিকা পূরণ করতে দেওয়া হয়েছিল এই ৪২জনকে। এরপর প্রতি যুগলের যে কোনও একজনকে বেছে নিয়ে বিশেষ একধরণের ব্যাকটেরিয়া ভর্তি প্রোবায়োটিক পানীয় খেতে দেওয়া হয়েছিল।
এরপর তাদের সঙ্গি বা সঙ্গিনীকে ঘন চুমু খেতে বলা হয়। একবারের ঘন চুমুর পর দেখা গেছে যিনি ওই পানীয় খাননি তার মুখের লালার মধ্যে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার (ক্ষতিকারক নয় এমন ব্যাকটেরিয়া)সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। হিসাব করে দেখা গেছে মাত্র ১০ সেক…

সহবাস/যৌন মিলনে রতিসুখে বাধ সাধতে পারে বিরল অ্যালার্জি !

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীর, মন সাড়া দিলেও যৌন মিলনে প্রবল অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। অস্বস্তিকর এই পরিস্থিতির পিছনে থাকতে পারে অ্যালার্জির আতঙ্ক। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, বীর্যের সংস্পর্শে এলে কিছু কিছু মহিলার ত্বকে বিভিন্ন উদ্ভট উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এর ফলে ক্রমে সঙ্গমের নাম শুনলে ভীত হয়ে পড়েন তাঁরা।

মার্কিন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্ড্রু ওয়েইল জানিয়েছেন, শুক্রের সংস্পর্শে এলে কিছু কিছু নারীর ত্বকে উল্লেখজনক পরিবর্তন ঘটে। সংখ্যায় এমন মহিলারা যদিও বিরল, তবু সমস্যাটি জটিল। সম্প্রতি ডক্টর ওয়েইলের কাছে আরেক যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ এমনই এক রোগীকে পাঠান। মহিলার দাবি, প্রণয়ীর সঙ্গে যৌন মিলনের সময় কোনও ভাবে যদি তাঁর ত্বকে বীর্যের ছোঁয়া লাগে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তীব্র চুলকানি, জ্বালা এবং প্রদাহ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়ায় যে ধীরে ধীরে সঙ্গীর যৌন আহ্বানে সাড়া দিতে গেলে রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এই নারী। 
শুধু এই ক্ষেত্রেই নয়, এ ধরনের আরও কয়েকটি ঘটনার কথা জানতে পেরেছেন বলে দাবি ওয়েইলসের। তিনি জানিয়েছেন, উপরোক্ত সমস্যাগুলি ছাড়াও শুক্রের সংস্পর্শে এলে শ্বাসকষ্ট, যন্ত্রণাময় র‌্যাশের মতো উপসর্গ…

ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার !

আধুনিক যুগের কর্মব্যস্ত নারীদের ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়গুলোতে তাদের প্রধান সঙ্গী হয়ে ওঠে স্যানিটারি ন্যাপকিন। এই স্যানিটারি ন্যাপকিনই হতে পারে জরায়ু ক্যান্সারের কারণ! বিশ্বব্যাপী ৭৫% নারীই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে যৌনাঙ্গে চুলকানি, র‍্যাশ ও ব্যথা বোধ করেন। যার জন্য বেশিরভাগই দায়ি থাকে স্যানিটারি ন্যাপকিন।

আসুন জেনে নেয়া যাক বিজ্ঞানের দৃষ্টি থেকে স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্বাস্থ্যঝুঁকি। ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির গবেষণায় পাওয়া গেছে, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ডাইঅক্সিন (Dioxin) নামক এক ধরণের কেমিকেল। যা সরাসরি ক্যান্সারের জন্যে দায়ী। এছাড়া জরায়ুর নানা ধরনের সংক্রমণের জন্যেও দায়ী থাকে।এই এজেন্সির ১৯৯৬ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিটি স্যানিটারি ন্যাপকিনে ডায়োক্সিন থাকে ৪০০ পিপিটি। এই ডায়োক্সিন সন্তাণ ধারণ ক্ষমতা ও জরায়ুর নানা ধরনের রোগের জন্যও দায়ী।দীর্ঘ সময় ধরে সুরক্ষা দেয় যে ন্যাপকিন গুলো, সেগুলো রক্তকে জেলে পরিণত করে ফেলে। কিন্তু ৫ ঘন্টা পরেই সেখানে ফাঙ্গাস জন্মাতে শুরু করে। আর ত্বকের সংস্পর্শে এসে নানা ধরনের জরায়ুর সংক্রমণ, লাল র‍্যাশ সহ চুলকানী হতে পারে।প্যাডের ন…

নারীদের রজঃরোধ (Amenorrhoea) এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

রক্তস্রাব আরম্ভ হয়ে কখনো কখনো ইহা বন্ধ হয়ে যায় তখন এরূপ অবস্থাকে রজঃরোধ (Amenorrhoea) বলা হয়। নারীদের কষ্টকর সমস্যা গুলির মধ্যে রজঃরোধ একটি। তাই এর লক্ষণগুলি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিয়ে রোগটি নির্মূল করে ফেলা উচিত। তা না হলে অনেক কষ্টকর উপসর্গ সৃষ্টি হয় যা নারীদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই রজঃরোধের কারণ এবং লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখলে এ বিষয়ে সহজেই সচেতন থাকা যায় আর এই যুগে এটা করা প্রত্যেক নারীদেরই উচিত। তবে আক্রান্ত হলে আধুনিক হোমিওপ্যাথির অভিজ্ঞ ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করে পরামর্শ গ্রহণ করুন।

রজঃরোধ (Amenorrhoea) এর কারণ :- রজঃরোধ বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। অলসতা, রক্ত সল্পতা, সঙ্গম দোষ, ঠান্ডা লাগান, জলে বা বৃষ্টিতে ভেজা, দীর্ঘপথ পর্যটন, হঠাৎ শোক, ক্রোধ, ভয় ইত্যাদির জন্য রজঃরোধ হতে পারে। সাধারণত নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য নারীদের রজঃরোধ হয়ে থাকে। যথা :- গর্ভধারণ ও গর্ভসঞ্চার প্রথম এবং প্রধান কারণ। ফুসফুস, হৃত্পিণ্ড, যকৃত এবং জরায়ু বা ঐ জাতীয় যন্ত্রাদির কোন গোলযোগ দেখা দিলে রজঃরোধ হতে পারে। হঠাৎ কোন কারণে প্রবল মানসিক উদ্বেগ, উত্তেজনা প…

নারীদের যোনির বাহিরে আলসার (Vulvar ulcer) যে কারণে হতে পারে !

বিভিন্ন কারণে নারীদের যোনির বাহিরে আলসার (Vulvar ulcer) হয়ে থাকে। কারণের দিক বিবেচনা করে একে দুই ভাগে ভাগ করা যায় যথা -

সেপটিক আলসারভেনারেল আলসার 
তবে আলসার যে রকমেরই হোক না কেন হোমিও এবং বায়োকেমিকের সমন্বয়ে এর চমত্কার ফলদায়ক ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারগণ।


সাধারণত পেরিনিয়াল টিয়ার, নানা প্রকার বিজানুর ইনফেকশন থেকে সেপটিক আলসার হতে পারে। গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতি থেকে ভেনেরাল আলসার হতে পারে। যোনির বাহিরের আলসার থেকে ধীরে ধীরে অভ্যন্তর ভাগও আক্রান্ত হতে পারে। এই জাতীয় আলসার অতি শীঘ্রই চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং সমগ্র জননেদ্রিয় আক্রমন করে ভয়ানক আকার ধারণ করতে পারে। তাই এ সংক্রান্ত কোন প্রকার সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া মাত্র অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

নারীদের যোনির প্রদাহের (Vaginitis) কারণ, লক্ষণ এবং চিকিত্সা

নারীদের যোনির প্রদাহ (Vaginitis) একটি অতিশয় যন্ত্রনাদায়ক সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় নারীদের যোনি লালবর্ণ, উষ্ণ, স্ফীত এবং বেদনাযুক্ত হয়ে পুঁজ নিঃসৃত হয় এবং প্রস্রাব করার সময় যন্ত্রণা অনুভব হয় তার সাথে যোনিতে চুলকানি দেখা দেয়। যোনিতে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা হয়ে থাকে যেমন - যোনি প্রদাহ, যোনির আক্ষেপ, অবরুদ্ধ যোনি, যোনি ভ্রংশ, যোনির চুলকানি ইত্যাদি। বস্তুত এটি এক প্রকার যন্ত্রণাদায়ক বিশ্রী প্রকারের রোগ। তবে যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় এই সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অল্প দিনেই নির্মূল হয়ে যায়।

নারীদের যোনির প্রদাহের কারণসমূহ :- বিভিন্ন কারণে নারীদের যোনির প্রদাহ রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো -
প্রমেহ রোগের পুঁজ সংস্পর্শে অথবা অতিরিক্ত সংগম, বলত্কার, প্রসব কালে আঘাত, রক্ত দুষ্টি, ঠান্ডা লাগা ইত্যাদি কারণে যোনি প্রদাহ দেখা দিতে পারে। ঋতু স্রাবের সময় নোংরা কাপড় চোপড় ব্যবহার করলে নানা প্রকার জীবাণু ইনফেকশন হতে পারে তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই জাতীয় রোগ গনোরিয়া বা সিফিলিসের কারণে হয়ে থাকে। জরায়ু বা ডিম্বনালীর প্রদাহ থেকে ইহা হতে পারে। জরায়ু বা ডিম্বনালীর টিউবারকুলার ইনফেকশন থেকেও হতে প…

মূত্রনাশ বিকার বা ইউরিমিয়া (Uraemia) নির্মূলে হোমিওপ্যাথি কার্যকর

মূত্রগ্রন্থি দ্বারা যে সকল দূষিত পদার্থ সুস্থাবস্থায় শরীর হতে বের হয়ে থাকে তা যদি মূত্রের সঙ্গে নির্গত না হয়ে রক্তের মধ্যে সঞ্চালিত হয় তবে ইহাকে মূত্রনাশ বিকার বা ইউরিমিয়া (Uraemia or Uremia) বলা হয়। ইহাতে প্রস্রাব বা মূত্র রোধ এবং রক্ত দুষ্টির কতগুলো উপসর্গ ঘটে। এই উপসর্গগুলি ধীরে ধীরে অথবা হঠাৎ আবির্ভূত হতে পারে এবং রোগীকে সংকটজনক অবস্থায় ফেলতে পারে। তাই রোগের উপসর্গ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই রেজিস্টার্ড একজন হোমিও ডাক্তারের শ্মরনাপন্ন হওয়া উচিত।

এই জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে কতগুলো বিশেষ লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন - মূত্ররোধ, মূত্র সল্পতা, শোথ, বমন, বমন ইচ্ছা, ভয়ংকর মাথার যন্ত্রণা, মাথা ঘোরা, প্রবল আক্ষেপ আবার কখনো বা প্রলাপসহ আচ্ছন্নভাব অচেতন নিদ্রা অর্থাৎ কমা দেখা দেয়। তাই সকল লক্ষণের সাথে শ্বাস কস্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে হিস হিস শব্দ, শ্বাসে এমোনিয়ার মত গন্ধ প্রভৃতি লক্ষণও বর্তমান থাকে।

কোন কোন ক্ষেত্রে এই রোগের সঙ্গে পরিপাক ক্রিয়ার গোলযোগ থাকতে পারে। বলতে গেলে এটি অতি ভয়ঙ্কর প্রকৃতির রোগ বিশেষ। রোগীর মুখমন্ডল মলিন এবং কমল দেখায়। নাড়ী দ্রুত চলতে থাকে। শরীরের উষ্ণতা প্রথমে বর্ধিত হয় পরে…

নারীদের যোনির বহিঃভাগে ক্যান্সার (Vulvar Cancer) - লক্ষণ ও চিকিত্সা

এই জাতীয় ক্যান্সার টিসুতে দ্রুত বৃদ্ধি লাভ করে। ইহার জীবানু রক্তের মাধ্যমে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে টিসুতে ইহা বেশি বিস্তৃতি লাভ করে। প্রথমে টিউমার আকারে দেখা দেয়, তারপর ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর যোনি, মূত্রনালী, মূত্রাশয়, ওভারী, গুহ্যদ্বার ইত্যাদি আক্রান্ত হয়।

নারীদের যোনির বহিঃভাগে ক্যান্সার (Vulvar Cancer) :- সাধারণত সিফিলিস রোগ হতে এই জাতীয় ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে আবার কোন কোন ক্ষেত্রে ইহার সঠিক কারণ খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে দাড়ায় কারন হঠাৎ যোনি বা লেবিয়া প্রভৃতিতে আক্রমন হয়। লেবিয়া মেজরাতেই আক্রমন বেশি হয়ে থাকে। ইহা অনেক সময় বাইরে থেকে বিস্তার লাভ করে যোনি, মূত্রনালী, জরায়ু প্রভৃতিতে ছড়িয়ে পড়ে। যোনির ভেতর থেকে বা জরায়ু হতেও বিস্তার লাভ করতে পারে।
নারীদের যোনির বহিঃভাগে ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ :- প্রথমে নির্দিষ্ঠ কয়েকটি স্থানে ব্যথা ও ক্ষত দেখা দেয় তারপর ধীরে ধীরে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব ও রক্তপাত দেখা দেয় এবং ক্যান্সাররূপ লাভ করে। তবে রোগ ধরা পড়া মাত্রই দেরী না করে যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিলে তা খুব সহজেই নির্মূল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং জটিল উপসর্গগু…

স্ত্রীলোক ও পুরুষদের কামোন্মাদনা (অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা ) - কারণ, লক্ষণ, চিকিত্সা

যৌন বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার সময় আমরা দেখেছি স্ত্রীলোকের কামোন্মাদনার (Nymphomania) সমস্যাটিকেও অনেক যৌন বিশেষজ্ঞ বেশ গুরুত্বের সাথেই তুলে ধরেছেন। তবে এটি পুরুষদের মধ্যেও দেখা যায়। আধুনিক যৌন বিজ্ঞান ইহাকে একটি বিশেষ রোগ বলে চিহ্নিত করেছে। বাস্তবিকও তাই। "আধুনিক হোমিওপ্যাথি ঢাকা" তে বেশ কয়েকজন রোগিনীকে সফল হোমিও চিকিত্সা দিয়ে আমরা আরোগ্যও করছি। কিন্তু একটি বিষয় লিক্ষনীয় যে, এই রোগটির প্রতি অনেক ডাক্তারই ততটা মনোযোগ দেন না। দেশের প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথ এবং "আধুনিক হোমিওপ্যাথি ঢাকা" এর চিকিৎসক ডাক্তার হাসান তার কেইস স্টাডিতে বলেন, স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে সমস্যাটির পেছনে রোগিনীর বেশ কিছু শারীরিক কারণও বিদ্যমান থাকে। তাই সেদিকে যথাযথ দৃষ্টি রেখে রোগিনীর চিকিৎসা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন - প্রপার ট্রিটমেন্ট করা না হলে এর ফলে কিছু দূরারোগ্য ব্যাধিরও সৃষ্টি হতে পারে।


এবার আসুন বিষয়টির বিস্তারিত বিশ্লেষণে যাই। আমরা অনেক নারী ও পুরুষদেরকেই এই রোগটির কারণে খারাপ বলে অবহিত করে থাকি। অথচ প্রকৃত কারণটি খুঁজে দেখি না। দুর্নিবার কাম প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার জন্য মান মর্যাদা, লজ্জা ও ভয় …

লিঙ্গ প্রদাহ (Balanitis) - কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা

লিঙ্গ প্রদাহ (Balanitis) :- লিঙ্গমনি এবং লিঙ্গের অগ্রভাগের চর্মের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির প্রদাহকে লিঙ্গ প্রদাহ বা Balanitis বলে। বাংলায় এই প্রদাহকে মনোষ বলা হয়ে থাকে। সাধারনত যাদের লিঙ্গের অগ্রভাগের চর্ম অধিক লম্বা তাদেরই এই পীড়া হয়ে থাকে। আবার অনেক সময় প্রমেহ রোগের উপসর্গ রূপে ইহা প্রকাশ পায়। এছাড়া সহবাস করলে ঘর্ষণ জনিত চর্মময় বা শ্বেতপ্রদরে আক্রান্ত স্ত্রীলোকের সঙ্গে সহবাস করলে এই প্রদাহ হতে পারে।
লিঙ্গ প্রদাহের (Balanitis) লক্ষণ :- ইহাতে প্রথমে আক্রান্ত স্থান লালবর্ণ ধারণ করে, চুলকানি হয়, গরম বোধ ও বেদনাযুক্ত হয়। তারপর পুজ পড়তে থাকে এবং কখনো কখনো ক্ষত হয়ে যায়। লিঙ্গের সম্মুখ অংশ ও ইহার আবরণ প্রদাহিত হয়। ফুলে উঠে, ঘোর লাল বর্ণ হয়, টন টন করে, কাপড়ের ঘষা লাগলে বেদনা অনুভব হয়। প্রদাহিক স্থানের মধ্য হতে প্রচুর পরিমানে তরল হরিদ্রা বর্ণের বা সবুজাভ দূর্গন্ধযুক্ত চটচটে পুঁজ নির্গত হতে থাকে। কখনো কখনো লিঙ্গমুন্ডের উপর লাল বর্ণের ভাসা চওড়া ক্ষত সৃষ্টি হয়। ১০/১৫ দিন পর্যন্ত এই ক্ষতের কোন প্রকার পরিবর্তন দেখা যায় না কিন্তু তারপরে আপনা আপনি আরোগ্য হয়। কিন্তু অনেক সময় আবার ভয়ঙ্কর রূপ লাভ করে থাকে। তখ…

মহিলাদের জরায়ুর মুখের ক্যান্সার এবং কার্যকর ট্রিটমেন্ট

আজকাল জরায়ু ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত নারীদের সংখ্যা অধিকতর বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেখা গেছে রোগীদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ সারভিকের ক্যান্সার, ৩০-৩৫ ভাগ জরায়ুর ক্যান্সার এবং বাকি গুলি সারকোমা। সারকোমার চেয়ে ক্যান্সার এত বেশি হয় যে জরায়ুতে Malignant growth হলেই ভয়ের কারণ হয়ে দাড়ায়। প্রথম দিকে লক্ষণ তেমন প্রকাশ পেলেও অতি সামান্য। পরবর্তীকালে রোগ বৃদ্ধির সঙ্গে পেটের আকার বড় হয় এবং ঋতু বন্ধ হয়ে যায়। দূর্বলতা এবং জ্বর বৃদ্ধি পায়। কোমরে, পেতে ব্যথা হয়। কখনো জরায়ু বেঁকে পেটের দিকে ঠেলে যেতে পারে।


সাধারণভাবে বলা হয়ে থাকে, ৩০ শতাংশ নারী জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। পৃথিবীতে ক্যান্সারে যত মহিলার মৃত্যু হয়, তার এক-তৃতীয়াংশের ক্ষেত্রেই ঘাতক হল জরায়ু মুখের ক্যান্সার। প্রতি দিন অন্তত ২০০ মহিলার মৃত্যু হচ্ছে এই অসুখে। প্রতি ঘণ্টায় মারা যাচ্ছেন অন্তত আট জন। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তারপরও মনে করা হয়, দেশে মোট ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীর মধ্যে ২২ থেকে ২৯ শতাংশই জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। আলোচনার শুরুতেই বলে নেয়া ভাল যে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন, নারীর জরায়ু আবরণীর কোষগুলোতে…

শিশুদের শয্যামূত্র বা বড়দের অসাড়ে মূত্রত্যাগ কারণ এবং প্রতিকার

শয্যামূত্র বা অসাড়ে মূত্রত্যাগ (Enuresis) সাধারনত শিশুদের রোগ তবে অনেক সময় বড়দের এবং বৃদ্ধদেরও এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে মূত্রথলির দূর্বলতা পক্ষাঘাত বশত মূত্রধারণ ক্ষমতা সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে লোপ পায়। শিশুরা ঘমন্ত অবস্থায় মূত্রত্যাগ করে।
সাধারণত মূত্রথলির গায়ের পেশী সংকোচন বশত মূত্রবেগ হয় এবং ঠিক সেই মুহূর্তেই সূক্ষ স্নাযুক্রিয়ার ফলে মূত্রথলির গ্রীবায় অবস্থিত দ্বাররক্ষী সংকোচন পেশীর প্রসারণ ঘটে এবং মূত্রত্যাগ ক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু এই সহযোগিতা জন্মাতে শিশুদের ক্ষেত্রে কিছু দিন দেরী হয় এবং ততদিন বিছানায় প্রস্রাব করে। অনেকে ইহাকে শয্যামূত্র নামেও অবহিত করে থাকেন।
পেটে কৃমি থাকা, মুত্রাশয়ের উত্তেজনা, মুত্রাশয়ের পাথরী এবং মূত্রযন্ত্রের নানা প্রকার রোগের কারণে ইহা দেখা দিতে পারে। এই রোগের বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন - রোগীর ইচ্ছানুসারে মূত্রত্যাগ হয় না। কখনো মুত্রাশয়ের মূত্র সঞ্চয় হলে ফোটা ফোটা মূত্রত্যাগ হয় আবার কখনো মূত্রের বেগ এত বেশি হয় যে মূত্রবেগ সম্বরণ করতে পারে না।  রাত্রে কখনো কখনো বিছানায় প্রস্রাব করে। শিশুদের এবং বৃদ্ধদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায় আবার প…

নারীদের জরায়ুর প্রদাহ (Uterine Inflammation) - কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত নানা প্রকার রোগ-ব্যাধির মধ্যে ইনফেকশন বা প্রদাহের সমস্যা অন্যতম। বাংলাদেশ তথ্য সমগ্র বিশ্বে নারীরা এই সমস্যায় অধিক হারে আক্রান্ত হয়ে থাকে। দেখা গেছে কিছুটা সচেতন জীবন যাপন করলে জরায়ুর প্রদাহের সমস্যা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। আর তার জন্য এটি হওয়ার জন্য দায়ী কারণসমূহ এবং প্রকাশিত লক্ষণগুলি সম্পর্কে সুস্পস্ট ধারণা থাকা জরুরি। সাথে সাথে আক্রান্ত হলে প্রাথমিক অবস্থাতেই একজন রেজিস্টার্ড ও অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এবার আসুন নারীদের জরায়ু প্রদাহের (Uterine Inflammation) কারণ এবং প্রকাশিত উপসর্গগুলি সম্পর্কে জেনে নেই।

নারীদের জরায়ু প্রদাহের (Uterine Inflammation) কারণ :- বিভিন্ন কারণে নারীদের জরায়ু প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। এই কারণগুলি প্রত্যেক নারীকেই জেনে রাখা উচিত। তাতে জরায়ু সংক্রান্ত অনেক অনাকাংখিত জটিল সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকা সহজ হবে। নিম্নে প্রধান কারণগুলি উল্লেখ করা হল -
ঠান্ডা লাগা, ভিজা সেঁত সেঁতে স্থানে বাস থাকা, ঋতু বন্ধ হওয়া, অতিরিক্ত স্বামী সহবাস করা, কষ্টকর জরায়ুর উত্তেজনা ইত্যাদি কারণে হতে পারে। জরায়ুতে নানা প্রকার জীবানু দূষণ যেমন - মনি…

নারীদের ঋতুস্রাবে স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার

আগেকার দিনের নারীরা তাদের পিরিয়ড কালীন সময়ে ঘরের মাঝেই আবদ্ধ হয়ে থাকতেন যাতে কোনভাবে রক্তপাত দৃশ্যমান হলে তাদেরকে কোন প্রকার লোকলজ্জার পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়। আজকের আধুনিক জীবনে নারীদের একটি বড় সুবিধা করে দিয়েছে স্যানিটারি ন্যাপকিন। কিন্তু এর আছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য ঝুকিও! সঠিক স্যানিটারি ন্যাপকিন নির্বাচন এবং ব্যবহার করতে না পারলে এটা হয়ে ওঠে জরায়ু ও মুত্রথলির সংক্রমণসহ নানা প্রকারের ক্যান্সারের কারণ।

আগে শুধু কাপড়ের ন্যাপকিন বা তুলার প্যাড ব্যবহৃত হত কিন্তু এখন নানা প্রকার বিজ্ঞাপনের সুবাদে "ড্রাই উইভ" অথবা শুকনো ন্যাপকিনের ব্যাবহার অনেক বেড়েছে। বিজ্ঞাপনে বলা হয় "এখন আমার কোন দুশ্চিন্তাই নেই, সারাদিন একদম ফ্রি!!" লোভনীয় এইসব বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত হয়ে মেয়েরা প্যাড বা ন্যাপকিন ব্যাবহার করে এবং সেটা ২৪ ঘণ্টা বা আরও বেশি সময়ও পরে থাকে। 
ফলাফল কয়েক মাস পর অনাকাঙ্খিত মেয়েলি রোগে আক্রান্ত হয় যার কারন তারা খুঁজে পায়না। এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোন ধারনা না থাকায় নিজের অজান্তেই তারা নিজের ক্ষতি করে চলে। সেই ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছু তথ্য প্রদান করা হল-
স্যানিটার…