সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৪

রক্তস্রাব আরম্ভ হয়ে কখনো কখনো ইহা বন্ধ হয়ে যায় তখন এরূপ অবস্থাকে রজঃরোধ (Amenorrhoea) বলা হয়। নারীদের কষ্টকর সমস্যা গুলির মধ্যে রজঃরোধ একটি। তাই এর লক্ষণগুলি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিয়ে রোগটি নির্মূল করে ফেলা উচিত। তা না হলে অনেক কষ্টকর উপসর্গ সৃষ্টি হয় যা নারীদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই রজঃরোধের কারণ এবং লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখলে এ বিষয়ে সহজেই সচেতন থাকা যায় আর এই যুগে এটা করা প্রত্যেক নারীদেরই উচিত। তবে আক্রান্ত হলে আধুনিক হোমিওপ্যাথির অভিজ্ঞ ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করে পরামর্শ গ্রহণ করুন।

রজঃরোধ (Amenorrhoea) এর কারণ :- রজঃরোধ বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। অলসতা, রক্ত সল্পতা, সঙ্গম দোষ, ঠান্ডা লাগান, জলে বা বৃষ্টিতে ভেজা, দীর্ঘপথ পর্যটন, হঠাৎ শোক, ক্রোধ, ভয় ইত্যাদির জন্য রজঃরোধ হতে পারে। সাধারণত নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য নারীদের রজঃরোধ হয়ে থাকে। যথা :-
  • গর্ভধারণ ও গর্ভসঞ্চার প্রথম এবং প্রধান কারণ।
  • ফুসফুস, হৃত্পিণ্ড, যকৃত এবং জরায়ু বা ঐ জাতীয় যন্ত্রাদির কোন গোলযোগ দেখা দিলে রজঃরোধ হতে পারে।
  • হঠাৎ কোন কারণে প্রবল মানসিক উদ্বেগ, উত্তেজনা প্রভৃতি দেখা দিলে এই রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
  • রক্তহীনতা ও অপুষ্টি জনিত কারণেও হতে পারে।
  • যক্ষারোগে আক্রান্ত হলে এটি দেখা দিতে পারে।
  • অতিরিক্ত হাটাহাটির জন্য জরায়ু ও যোনি অঙ্গের উপর চাপ পড়লে এটি হতে পারে।
  • কখনো কখনো হরমোনের অভাব হলে এই রোগটি দেখা দেয়।
  • এমন অনেক নারী রয়েছেন যাদের মাঝে মাঝে রজঃরোধহয় আবার ঠিক হয়ে যায়। তাদের বলা হয় Habitual Amenorrhoea ।
  • কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ভয় দুঃখ বোধ, শোক, চিন্তা, উদ্বেগ ইত্যাদির কারণে এই রোগটি সৃষ্টি হয়।
  • স্নায়ুবিক দূর্বলতা, দীর্ঘকাল কোন কঠিন রোগে ভোগা ইত্যাদি কারনেও রজঃরোধ সৃষ্টি হতে পারে।
রজঃরোধ (Amenorrhoea) এর লক্ষণসমূহ:- এই রোগে নারীদের বিশেষ বিশেষ কতগুলো লক্ষণ প্রকাশ লাভ করে থাকে। যথা - রোগিনীর তলপেটে বেদনা, মাথা ঘোরা প্রভৃতি লক্ষণ দেখা যায়। শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটভার, পেটে বেদনা, গা বমি বমি ভাব ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়। রোগিনী ধীরে ধীরে রোগা হতে থাকে, জীর্ণ শীর্ণ হতে থাকে বা মোটাও হতে পারে। সর্বদাই দূর্বলতা ভাব, ক্লান্তি ভাব থাকে এবং শরীরের পুষ্টি সাধন হয় না। রক্ত শূন্যতার ভাব দেখা দেয়। দেহের রোগ ফেকাসে হয়ে যায়, মুখমন্ডল ও চোখ মলিন দেখায়।
ঋতুস্রাব আরম্ভ হয়ে আবার বন্ধ হয়ে যায় বা কিছু দিন স্থগিত থাকে এবং নানা প্রকার কষ্টকর লক্ষণ দেখা যায়। জ্বর জ্বর ভাব, মাথা ধরা, আক্ষেপ প্রলাপ, হৃত্স্পন্দন, বমি প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়। যদি ধীরে ধীরে ঋতুরোধ হয়ে আসে তাহলে উক্ত কষ্টকর লক্ষণ গুলো অনেক সময় প্রকাশ না পেয়ে রোগিনী ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে। অক্ষম হয়ে পড়ে। অনেক সময় পায়ের পাতা ফুলে, ক্ষুধাহীনতার ভাব দেখা দেয় এবং অন্যান্য স্নায়ুবিক লক্ষণগুলোও দেখা দেয়। তাই যথাসময়ে এর প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট অতি জরুরি। রোগাক্রমনের সঙ্গে সঙ্গেই অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে ট্রিটমেন্ট নিলে উপসর্গগুলি জটিলতার দিকে না গিয়ে শুরুতেই দূর হয়ে যায় এবং রোগিনী সুস্থতা লাভ করে। তা না হলে দেখা যায় - এই রোগ অর্থাৎ রজঃরোধ (Amenorrhoea) দীর্ঘদিন পর্যন্ত চলতে থাকলে রজস্রাব অধিক কালো হতে থাকে এবং তার সাথে জরায়ুর নানা প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
তথ্যসুত্র: বাংলা সেক্স হেলথ.কম
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
[X]