সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সদ্য বিবাহিত মেয়েদের যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত

বিয়ের আগে হবু শ্বশুরবাড়ির সবার সাথে বেশ সহজ সম্পর্ক হলেও বিয়ের পর কিন্তু স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক আমূল বদলে যেতে পারে। বিয়ের আগে বেশ কয়েকবার ঘুরে এসেছেন শ্বশুরবাড়ি। হবু স্বামী আর শ্বশুরবাড়ির সকলের সাথে বেশ ভাল করেই পরিচয় হয়ে গেছে। আপনি চান বিয়ের পরও এই রকম সম্পর্ক যেন সবার সাথে টিকে থাকে।

কিন্তু যেকোন মেয়ের জন্য নিজের সব কিছু ছেড়ে শ্বশুরবাড়ির সব মানুষের সাথে প্রথম প্রথম মিলেমিশে থাকাটা অনেক কষ্টের হয়ে থাকে। কীভাবে সামলাবেন এই সম্পর্ক বদল? জেনে রাখুন কিছু সমাধান সুত্র।
  • স্বামীকে শ্বশুরবাড়ির অন্যান্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিন। তিনি আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষ তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তাঁর পরিবারের অন্য পরিচয়গুলো ভুলে গেলে চলবে না।
  • দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা দেখা দিলে সব সময় নিজের বাবার বাড়ির মানুষজনকে বলতে যাবেন না বরং শ্বশুরবাড়ির গুরুজনদের পরামর্শ নিন। তাঁদের অভিজ্ঞতার মূল্য দিলে তাঁরা খুশি হবেন।
  • নতুন শ্বশুরবাড়ির সবাই যে আপনার মন মত হবেন বা আপনার পছন্দসই ব্যবহার করবেন, এইরকম প্রত্যাশা না করাই ভাল। কারও সাথে মতামত না মিললে চট করে মেজাজ খারাপ করবেন না।
  • শ্বশুরবাড়িতে প্রথম দিন থেকেই পারিবারিক বন্ধন মজবুত করার প্রতি যত্নশীল হয়ে উঠুন। চেষ্টা করুন রাতের খাবার একসাথে খেতে, যা সবার সাথে গল্প কররা একটা সুযোগ পাওয়া যায়।
  • শ্বশুরবাড়ির অভ্যন্তরীণ কোন সমস্যা হলে চেষ্টা করুন নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে। একে অপরের সম্বন্ধে কথা চালাচালি করা বা নিজেকে কোন ঝামেলায় জড়িয়ে ফেলা নিশ্চয়ই ভাল রুচির পরিচয় দেয় না।
  • ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করুন। শ্বশুরের কাগজপত্র গুছিয়ে দিন, পছন্দের কোন খাবার তৈরি করে দিন, শাশুড়িকে বাড়ির যে কোন কাজে সাহায্য করুন।
  • নিজের বাবার বাড়িতে ছোট খাটো ভুল করে সব মেয়েরাই পার পেয়ে যেতে পারে কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে কোন ভুল করে ফেললে তাঁর মাফ আপনি নাও পেতে পারেন। তাই বুঝে-শুনে চলুন সতর্ক থাকুন।
আপনার বাবা-মা হয়তো খুব সহজেই আপনার সমস্যা, মান-অভিমান বুঝতে পারতো তাই বলে যে শ্বশুরবাড়ির মানুষজন আপনার সব কিছু বুঝে নিবে তা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। তাই নিজেকে সংযত রেখে চলাই ভালো। কোন কিছু নিয়ে খুব সমস্যায় থাকলে স্বামীকে বুঝিয়ে বলুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…