সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

লোভে পড়ে যৌন উত্তেজক ঔষধ খাবেন না, যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হয়ে যেতে পারেন।

আপনি কি দাম্পত্য জীবনে অসুখী ? লিঙ্গ ছোট, নিস্তেজ, দূর্বল, স্ট্রং হয় না, ১-২ মিনিটে বীর্যপাত হয়ে যায়? যে সমস্ত ভাইরা দীর্ঘ দিন বিদেশ থাকার সময়ে বিভিন্ন খারাপ অভ্যাস এর কারনে যৌন শক্তি নষ্ট করে ফেলেছেন, স্ত্রীর নিকট লজ্জা পাচ্ছেন বা বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন ? যৌন রোগ, লিঙ্গ সমস্যা, শুক্রমেহ, স্বপ্নদোষ ও দ্রুত বীর্যপাত এর চিকিৎসা, পুরষ লিঙ্গ লম্বা/মোটা, স্ট্রং করতে চান ? যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এক রাতে ২/৩ বার মিলন করতে চান ? বীর্য গাড় করে প্রসাবে ধাতু ক্ষয় দূর করতে চান ? 

হারানো যৌবন পুনুরুদ্ধার করে নারী কে সন্তুষ্ট করতে চান ? অল্প উত্তেজনায় যাদের লিঙ্গের মাথায় লালা চলে আসে এবং আপনারা যারা পুরুষত্ব হিনতা, জন্ডিস, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, অসময়ে বীর্য পাত, মেয়েদের সাদা স্রাব, লিঙ্গের আগা মোটা গোরা চিকন ও অন্যান্য যৌন রোগের সঠিক সমাধান পেতে চান তারা আজই যোগাযোগ করুন.........................
এই সকল ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে হর হামেশাই প্রতারিত করা হচ্ছে তরুণ যুবকদের। ডাক্তার নামধারী এক শ্রেনীর অসাধু লোক হারবাল ইউনানী চিকিৎসার নাম করে যৌন রোগের ভয় দেখিয়ে কোমলমুতি যুবকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। অথচ দেখা যায় অনেকের কোনো প্রকার সমস্যা পর্যন্ত থাকে না। আবার কারো কারো সমস্যা থাকলেও এটা খুব সামান্য যা প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে অল্প দিনের মধ্যে চিরতরে দূর হয়ে যায়। 

কিন্তু এক শ্রেনীর হারবাল ইউনানী নামধারী ভূয়া চিকিৎসক তরুনদেরকে যৌন রোগের ভয় দেখিয়ে বছরের পর বছর ধরে উত্তেজক ঔষধ খাওয়াতে থাকে। যা এক সময় ভয়ঙ্কর ক্ষতি ডেকে আনে। অনেকে যৌন ক্ষমতায় অক্ষম পর্যন্ত হয়ে পড়েন, কেউ কেউ আবার লিভার এবং কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। তাই রাস্তা-ঘাট এবং ফুটপাত থেকে লোভে পড়ে এবং কানভাসারদের কথায় মুগ্ধ হয়ে যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। যদি আপনি প্রকৃতই কোনো সমস্যা অনুভব করে থাকেন তাহলে রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ কোনো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে যথাযথ ট্রিটমেন্ট নিন। 

উপরের ছবি গুলির মত দৃশ্য রাস্তাঘাটে চলতে গেলে সব সময়ই চোখে পড়ে। এক শ্রেনীর কিছু অসাধু লোক ডাক্তার সেজে শুধু মাত্র যৌন রোগেরই চিকিৎসা দিয়ে বেড়ায়।  অথচ বাংলাদেশের আইনে কেনভাস করে চিকিৎসা দেয়া দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু দেখা যায় অনেক যুবকরা লোভে পড়ে অথবা তাদের কথামালায় মুগ্ধ হয়ে এই সব মাদক শ্রেনীর যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে খেয়ে অকালেই তাদের যৌন ক্ষমতায় হারাচ্ছে। কেউ কেউ আবার বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হচ্ছেন। তাই হারবাল-ইউনানী নামধারী রাস্তা ঘাটের যৌন উত্তেজক ঔষধ ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। সুখী  ও আনন্দময় যৌন জীবন লাভ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…