সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

তরুণদের মাঝে দিন দিন যৌন অক্ষমতা ও যৌন বিকৃতি বাড়ছে !! কিন্তু কেন ?

আজকাল ইন্টারনেটে, ফেইসবুকে নানা প্রকার অশ্লীল বা চিত্তাকর্ষক যৌন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে (পুরুষাঙ্গ বড় করা, মিলনে সময় বৃদ্ধি করার) লোভ দেখিয়ে মারাত্মক ক্ষতিকর ঔষধ বিক্রির মাধ্যমে কিছু প্রতারক তরুনদের যৌন বিকৃতি এবং দিন দিন যৌন ক্ষমতায় অক্ষম করে তুলছে।

মনে রাখবেন এই সকল যৌন উত্তেজক ঔষধ পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কোনো ভুমিকাই পালন করে না। কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি করে মাত্র। ..........যা আপনার মধ্যে যৌন বিকৃতি সৃষ্টি করবে এবং এক সময় আপনাকে যৌন ক্ষমতায় পুরুপুরি অক্ষম করে তুলবে।
https://www.youtube.com/watch?v=ILuvW8vW-10&index=1&list=PLHtSixcxl0FCGq8yPBmR4b7PNl3fdJFNs
সাবধান !!!!!! ইন্টারনেটে, ফেইসবুকে যৌন রোগের (পুরুষাঙ্গ বড় করা, মিলনে সময় বৃদ্ধি করার) নাম করে বিজ্ঞাপন দেয়া এই সকল প্রতারকদের পাল্লায় পরবেন তো ধ্বংস হয়ে যাবেন। খুব অল্প বয়সেই আপনি আপনার যৌবন হারাবেন। একটি কথা মনে রাখবেন, ন্যাচারাল পুরুষাঙ্গ কখনোই বড় করা যায় না। যারা এই সকল বিজ্ঞাপন দেয় তারা আপনার দুর্বল মানসিক অবস্থার সুযোগ নিয়ে আপনার সাথে প্রতারণা করছে মাত্র। অথচ পুরু ক্ষতিটা আপনারই হচ্ছে। তাই, যে সকল প্রতারক কমলমতি তরুনদের লোভ দেখিয়ে বিভ্রান্ত করছে এবং তাদের ক্ষতি করে যাচ্ছে তাদের থেকে সাবধান হোন ।

হারবাল, কবিরাজি, ইউনানী, ন্যাচারাল ইত্যাদির নাম দিয়ে যারাই আপনাকে যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়ার কথা বলবে, মনে রাখবেন আপনি প্রতারিত হচ্ছেন। আজকাল হারবাল, কবিরাজি, ইউনানী, ন্যাচারাল এই শব্দগুলি যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করার ক্ষেত্রে একটি ফেশন হয়ে দাড়িয়েছে। অথচ এই সকল উত্তেজক ঔষধগুলির অধিকাংশতেই মাদক মেশানো হয় যা কিছু সময়ের জন্য দ্রুত উত্তেজনার সৃষ্টি করে থাকে। কিন্তু এর সুদূর প্রসারী ফলাফল অনেক ভয়ানক। এক সময় আপনি দূরারোগ্য কিডনি এবং লিভার রোগে আক্রান্ত হবেন যা আপনার মৃত্যু ডেকে আনার জন্য যথেষ্ট।

মনে রাখবেন, যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। একবার চিন্তা করুন, ছোট থেকে আপনি যৌবনে প্রদার্পন করলেন কোন সময় এই সকল ঔষধ খাওয়ার দরকার পড়ে নাই, আর তখন আপনার যৌন শক্তি ঠিকই ছিল, অথচ এই সকল প্রতারকদের বিজ্ঞাপন দেখেই আপনার যৌন শক্তির ঔষধ খেতে মন চাইল। কেন ?? সাবধান !!

তবে এটা ঠিক বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে মানুষের শরীরে নানা প্রকার রোগ বাসা বাধতে থাকে এবং তার সাথে সাথে মানুষের জীবনী শক্তিও কমতে থাকে যা মানুষকে যৌনতায় দুর্বল করে তুলে। কিন্তু এর জন্য যদি আপনি যৌন উত্তেজক ঔষধ খেতে থাকেন তাহলে আপনি আরো মরলেন। এটা আদৌ দরকার নেই। মনে রাখবেন যৌন শক্তিটাও আপনার শরীরেরই একটি অংশ। তাই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার শারীরিক ফিটনেস ঠিক আছে কিনা ? নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করেন কিনা ? সারাদিন কাজ করে শরীরের যে পরিমান ক্ষয় করেন সেই পরিমান শক্তি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সুষম খাদ্য গ্রহণ করেন কিনা ?

আপনি যদি নিয়মিত হাটেন এবং শরীরে কোনো প্রকার রোগকে বাসা বাধতে না দেন, নিয়মিত দুধ, ডিম, মধু এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করেন, তাহলে মনে রাখবেন আপনি কখনই যৌন দুর্বলতায় ভুগবেন না। এটা প্রমানিত সত্য এবং বাস্তব কথা।

সব শেষে একটি কথা..... যৌনতা নিয়ে এত চিন্তা করার দরকার নেই। আপনি আপনার কাজে কর্মে মনোযোগী হন। আপনার যৌন সংক্রান্ত কোন প্রকার সমস্যা হলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এক্ষেত্রে হোমিও হলে সবচেয়ে ভালো। কিন্তু বিজ্ঞাপন দেখে লোভে পড়ে নিজে নিজে যৌন উত্তেজক ঔষধ কিনে খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না। কারণ এইগুলি খেতে থাকলে কিডনি, লিভার ইত্যাদি বিকল হতে থাকবে এবং এক সময় তা আপনার মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…