সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হজমের দুর্বলতায় ভুগছেন যারা ? দেখুন হজম শক্তি বাড়াতে কার্যকর ঘরোয়া টোটকা

হজম না হওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। মশলাদার খাবার খাওয়ার পর ওষুধ খেয়ে খাবার হজম করান অনেকেই। কি আর করা করা যাবে মশলাদার খাবার না খেলে কি আর চলে! কিন্তু তা বলে ওষুধ খেয়ে হজম করানোর কোনও মানেই হয় না। তার বদলে ভারী অথবা মশলাদার খাবার খাওয়ার পরে ওষুধের বদলে এমন কিছু খান, যা রোজকার রান্নাতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া যথেষ্ট সহজলভ্যও এই জিনিসগুলি। তাহলে এবার এক ঝলকে দেখে নিন ওষুধের বদলে কি খেলে চট জলদি হয়ে যাবে হজম হবে আপনার…

এলাচ : সাধারণত রান্নাতে ভালো গন্ধ হওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচকে। কিন্তু হজমের জন্যও ব্যবহৃত হয় এলাচ। এলাচে ভোলাটাইল তেল থাকে। যা গ্যাস এবং বদ হজমের হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া মুখে দুর্গন্ধ ছাড়লে এবং পেটের আলসার এড়িয়ে চলতে অবশ্যই খেতে পারেন এলাচ। খাবার খাওয়ার পরে এলাচের কয়েকটা দানা নিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। এছাড়া লিকার চায়ের সঙ্গে এলাচের দানা মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি যে কোনও পেটের সমস্যা নিরাময়ে সক্ষম।

মৌরি : মৌরি সাধারণত মুখ শুদ্ধি হিসেবে কাজ করে। এটি মুখের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করে। খালি পেটে মৌরি খেলে গ্যাসট্রিকের সমস্যা দূর করা যায়। এছাড়া হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে মৌরি।
দা : পেটে ব্যথা হলে এবং গ্যাসের সমস্যার সম্মুখীন হলে অবশ্যই আদা খেতে পারেন। চিকিতসাবিজ্ঞানে আদাকে ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে আদা। সব থেকে বড় ব্যপার সর্দি কাশির ক্ষেত্রেও আদা খুবই উপকারি।

পান : বহু যুগ থেকে ভারতে খাবার খাওয়ার পরে পান খাওয়ার প্রচলন ছিল। কিন্তু তখন মানুষ বেশিরভাগটাই নেশার জন্যই খেয়ে থাকতেন। তবে তাঁরা অজানতে খেলেও এই পান শরীরের হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়াতেও সাহায্য করে। এছাড়া হার্ট ভালো রাখে, গ্যাসের সমস্যা দূর করে, শরীরে খারাপ টক্সিনের পরিমাণ কমিয়ে লিভার ভালো রাখতে সাহায্য করে।

মিছরি : মিছরি জলে মিশিয়ে খেলে অথবা শুধু খেলে পেট ঠান্ডা হয়। ঠান্ডা লাগলেও এই মিছরি খেলে খুব ভালো কাজ হয়। এছাড়া মুখ শুদ্ধি হিসেবেও কাজ করে এই মিছরি।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…