সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চুল পড়া রোধে ঘরেই তৈরি করে ফেলুন ২টি আয়ুর্বেদিক তেল !

চুলের পুষ্টির জন্য তেলের বিকল্প নেই। তেল চিটচিটে ভাবের জন্য অনেকে চুলে তেল লাগাতে চায় না। এতে চুলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে থাকে। তেল চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি যোগিয়ে চুলকে সিল্কি, শাইনি করে তোলে। আমরা সাধারণত বাজারের নারকেল তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করে থাকি। আয়ুর্বেদিক তেল চুলের জন্য বেশ উপকারী। এটি চুল পড়া রোধ করে চুলকে স্বাস্থ্যজ্বল ঝলমলে করে তোলে।

১। আয়ুর্বেদিক আমলা তেল
  • ১০০ গ্রাম আমলকি পাউডার
  • ২৫০ গ্রাম বিশুদ্ধ নারকেল তেল
  • ৪ লিটার পানি
এক তৃতীয়াংশ আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে নিন। অল্প আঁচে মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন পানি ১ লিটারে কমে না আসা পর্যন্ত। এবার পানিটি একটি সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিন। বাকী আমলকির গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এখন একটি বড় পাত্রে আগের ছাকা আমলকি পানি এর সাথে আমলকির পেস্ট এবং নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এবার পাত্রটি চুলায় ফুটতে দিন। ফুটে ঘন হয়ে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে এলে গ্লাস কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

২। তুলসি আয়ুর্বেদিক তেল
  • নতুন তুলসি পাতা অথবা তুলসি পাউডার
  • বিশুদ্ধ নারকেল তেল
  • পানি
  • মেথি
কয়েকটি তুলসি পাতা অথবা কয়েক চামচ তুলসি পাতা গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। যদি তুলসি পাতা ব্যবহার করেন তবে তুলসি পাতা পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার ১০০ মিলিলিটার নারকেল তেলের সাথে তুলসি পাতার পেস্ট মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। এর সাথে কয়েকটি মেথি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ জ্বাল দেওয়ার পর নামিয়ে ফেলুন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এটি কাঁচের জারে সংরক্ষণ রাখুন। সপ্তাহে দুইবার এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যম্পু করে ফেলুন।
টিপস: আয়ুর্বেদিক তেল ঠান্ডা স্থানে রাখুন। এতে কোন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করার কারণে রোদের তাপে তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ব্যবহার পর খুব ভাল করে তেলের ঢাকনাটি লাগিয়ে রাখুন। এই তেল আপনার চুল পড়া রোধ করবে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনার নিষ্প্রাণ চুলকে স্বাস্থ্যোজ্বল করে তুলবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…