সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দাম্পত্য সুখের চাবিকাঠি

আপনি যদি ভেবে থাকেন কেবলমাত্র শরীরের ভাইটালিটি বাড়ালেই আপনার দাম্পত্য যৌনজীবন সুখের হবে তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন৷ সুখের চাবিকাঠি লুকোন রয়েছে অন্যখানে৷ জেনে নিন... 

সম্প্রতি আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয় একটি গবেষণা করেছে দাম্পত্য সেক্স-লাইফ কখন আরও মধুর হয়ে ওঠে সেই বিষয়ে৷ তাঁরা জানতে পেরেছেন গৃহস্বামী সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাঁড়িকাঁড়ি রোজগার করে বাড়িতে নিয়ে এলেই দাম্পত্য যৌনজীবন সুখের হয় না৷ বরং গৃহস্বামী যদি এর পাশাপাশি ঘরের কাজেও স্ত্রীকে সঙ্গ দেন, তাহলেই এটা ঘটা সম্ভব৷ 

প্রায় ১৪০০ জার্মান দম্পতিকে নিয়ে টানা ৫ বছর গবেষণা করেছেন তাঁরা৷ 'স্কিপ দ্য ডিশেজ? নট সো ফাস্ট! সেক্স অ্যান্ড হাউসওয়ার্ক রিভিজিটেড' শীর্ষক এই গবেষণালব্ধ তথ্য জানাচ্ছে তাঁরা গবেষণার সময় পুরুষদের ব্যাপারে দু'টি বিষয় মাথায় রেখেছিলেন৷ এক, গৃহস্বামী ঠিক কী পরিমাণে গৃহকর্ম করেন৷ এবং দুই, গৃহস্বামী কি মনে করেন তিনি যথেষ্টই গৃহকর্ম করেন? 
দেখা গিয়েছে গৃহস্বামী কতটা গৃহকর্ম করেছেন সেটা দম্পতিদের যৌনজীবনে ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তিনি তাঁর স্ত্রীকে গৃহকর্মে সমান সহায়তা করেছেন এই ভাবনাই সুখী যৌনজীবনের মূল মন্ত্র৷ 

এখন এই 'সমান' গৃহকর্ম ব্যাপারটা এক দম্পতি থেকে অন্য দম্পতিতে আলাদা-আলাদা৷ গবেষকদের নেতা ড. ম্যাট জনসন জানিয়েছেন, 'যে কোনও সম্পর্কেই কে কতটা ঘরের কাজ করবেন তা নির্ভর করে দু'টি মানুষের নিজেদের ব্যক্তিগত চাওয়ার ওপর৷ তাই দাম্পত্য যৌনজীবনের সুখও নির্ভরশীল নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার ওপর৷ অতএব কাজের পরিমাণ খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ গৃহস্বামীকে কেবল জানতে হবে তাঁর স্ত্রী তাঁর কাছ থেকে ঠিক কতোটা সহায়তা আশা করছেন৷' 

২০১২ সালে এক গবেষণায় জানা গিয়েছিল যে সব পুরুষেরা বাড়িতে রান্নাবান্না, কাপড় কাচায় নিজেদের নিয়োজিত রাখেন, তাঁদের যৌনজীবন তেমন সুখের নয়৷ সাম্প্রতিক গবেষণা এই পুরনো ভাবনাকে নস্যাত্‍ করে দিচ্ছে৷ পাশাপাশি নতুন গবেষণায় এটাও জানা যাচ্ছে যে সব দম্পতি তাঁদের সন্তানের দেখভাল নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন, তাঁদের সেক্স-লাইফ সবচেয়ে ভালো৷ তবে এই গবেষণায় একটিই মাত্র ত্রুটি৷ এই গবেষণা করা হয়েছিল জার্মান দম্পতিদের নিয়ে৷ যেহেতু জার্মান পুরুষেরা সচরাচর বাড়ির কাজ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের পুরুষদের তুলনায় সবচেয়ে কম করেন তাই এই গবেষণালব্ধ তথ্য অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে কাজের পরিমাণ নিয়ে কিছুটা ব্যতিক্রম হবেই৷

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…