সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

এক মা আর তার ছেলের গল্প... (ভিডিওসহ)

এই গল্পের প্রধান চরিত্র দুটি। এক মায়াময়ী মা আর তার একমাত্র ছেলে। তাদের বসবাস যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয়। শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও মানুষ কত কঠিন কাজ সহজে করে ফেলে এই গল্প সেই শিক্ষাই দেবে। লিনডা বেননের চোখের মনি টিমি। সন্তানের জন্য মা পারেন না- এমন কিছু নেই। লিনডাও তেমনি। টিমির পুরো দেখাশোনা করেন তিনিই। ছেলেকে গোসল করান, জামা-কাপড় পড়িয়ে দেন।

অবলীলায় সব কাজ করে ফেলেন মা-ছেলে... ভাবছেন, এটা তো স্বাভাবিক, বলার কী আছে? আছে, বলার আছে। কারণ এই মা যে অন্য সব মায়ের চেয়ে একটু ভিন্ন। তাহলে আগে সেই গল্পটা বলি। লিনডা একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। এটি হোল্ট-ওরাম সিনড্রোম নামে পরিচিত। এই রোগে আক্রান্ত হলে হাড়ের বৃদ্ধিতে এবং হার্টে সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে দুই হাত ছাড়াই জন্ম হয়েছে লিনডার। কিন্তু তার মা-বাবার চোখের মনি ছিলেন তিনি।

অন্য সবার মতো স্বাভাবিক না হলেও লিনডা স্বাভাবিক জীবন-যাপনই করতেন। ধীরে ধীরে সব প্রতিবন্ধকতা জয় করেন তিনি। হাত না থাকায় সব কাজ তাকে পায়ের সাহায্যেই করতে হতো। বলা যায়, পুরোপুরি আত্মনির্ভরশীল তিনি। এক সময় বিয়ে করেন রিচার্ড বেননকে। সংসারের সব কাজ তিনি নিজেই করেন। রান্না থেকে শুরু করে কাপড় ধোয়া পর্যন্ত। কিন্তু প্রয়োজনের সময় সঙ্গীটি সব সময় তার পাশে পাশেই ছিলেন।

রান্না-বারার কাজটাও করেন লিনডা এক সময় নতুন অতিথির খবর আসে। কিন্তু...। সুখের মাঝেও বিষাদের ছায়া। কারণ চিকিৎসকরা জানান, লিনডার সন্তানও এই জটিল রোগে আক্রান্ত হবে। আরো সহজে বললে, লিনডার মতোই হাতছাড়া জন্ম নিবে। কিন্তু রিচার্ড-লিনডা দম্পতি তাদের সিদ্ধান্তে অটল। যাই হোক, তাদের কোলজুড়ে ফুটফুটে এক সন্তান লাগবেই।

অবশেষে জন্ম নিলো টিমি। জন্মের পরই নানা জটিলতায় ভুগছিল সে। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠে। এখন সে মায়ের মতোই নিজের কাজগুলো নিজেই করে। তবে মায়ের সাহায্য তো কিছুটা লাগেই।

মা-ছেলে একসাথে সাতার কাটে। খেলার সময় অবশ্য বাবা সাথেই থাকেন। তবে দেখার ব্যাপার হলো, মা-ছেলে কঠিন কাজগুলো অবলীলায় করে ফেলেন। ভিডিওতে দেখুন তাদের সেই চমৎকার মুহূর্তগুলো- সূত্র : ডেইলি মেইল

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…