সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পেন্সিল কামড়ে সারিয়ে তুলুন মাথাব্যথা! - কি বলছেন গবেষকরা

অফিসে ব্যস্ত দিন, শোরগোলের বিকেলে বাচ্চাদের নিয়ে ধুন্ধুমার ঘোরাঘুরির পর মাথা আপনার ব্যথায় টনটন করবে। তখন আর কি? ওষুধের বাক্স থেকে একটা মাথাব্যথা উপসমের ট্যাবলেট খুঁজে বের করবেন সেটাইতো স্বাভাবিক। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ওষুধের বাক্স না খুঁজে বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ থেকে পেন্সিল বক্সটি খুঁজে বের করার পরামর্শ দিয়েছেন। আর সে পেন্সিলটি দুপাটি দাঁতের মাঝখানে চেপে ধরে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলে ব্যাথা কমে যাবে। অ্যাসথেটিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জেন লিওনার্দো এই দাওয়াই দিয়ে বলেছেন, মাথাব্যথার অন্যতম কারণ কাজের চাপ, দুঃশ্চিন্তা, ক্লান্তি, কিংবা মনখারাপ থাকা।

আর সাধারণত মুখমণ্ডল, ঘাড়, চোয়াল আর খুলির পেশিতে সৃষ্ট খিচুনি থেকে এটা হয়। কোথায় ব্যথা হচ্ছে? সে প্রশ্নে অধিকাংশ রোগীই তাদের কপালের দুই দিক দেখিয়ে দেয়। এর কারণই হচ্ছে- কপালের এক দিক থেকে মাথার পেছনের দিকে বিস্তৃত হওয়া টেমপোরালিস নামে পাখা আকৃতির একটি পেশিতে খিচুনি। চোয়ালের পেশিতে খিচুনি হলে টেমপোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্ট (টিএমজি) ডিসফাংশন হয়। ঘুমের মধ্যে দাঁত কাটাও এর কারণ। ড. লিওনার্দোর মতে, দুই পাটি দাঁতের ফাঁকে পেন্সিল চেপে ধরে রাখলে চোয়ালের পেশি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
তিনি বলেন, মানুষের শরীরের জটিল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে এই চোয়াল। উপরের চোয়ালের দুই দিকের হাড় শুরু হয় দুটি কানের গোড়া থেকে, আর নিচের চোয়ালের হার দুই দিক থেকে গিয়ে খুলির সঙ্গে মেশে। দুটি হাড় ঠিক যেখানে মেশে সেখানে একটি কার্টিলেজ ডিস্ক রয়েছে যা চোয়ালের নড়াচড়ায় ভূমিকা রাখে। বেজবল ক্যাপের আকৃতির এই ডিস্কটি যখন তার স্থান থেকে সড়ে যায়, তখনই বিপত্তি দেখা দেয়।

টানা দাঁত কাটা কিংবা চোয়ালের ওঠানামার কারণে এমনটা ঘটতে পারে। এতে চোয়ালের পেশিগুলোতে চাপ পড়ে আর তাতে খিচুনি সৃষ্টি হয়, আর তারই সূত্র ধরে ডিস্ক স্থানচ্যুত হয়। এছাড়াও বয়সের কারণে জোড়ায় ক্ষয় হতে পারে কিংবা ভেঙ্গে যেতে পারে এতেও ডিস্ক সরে যায়। ফলে সেখানে ব্যথা হয়। কেউ কেউ মুখ খুলে হা করলেই ব্যথা পান। ছেলেবেলায় কোনও ধরনের আঘাত পেলে সে কারণেও এমনটা হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এতই খারাপ হয়ে পড়ে যে অস্ত্রপোচারের মাধ্যমে তা ঠিক করতে হয়। আর গুরুত্ব না দিলে এক পর্যায়ে চোয়াল স্থায়ীভাবে আটকে যেতে পারে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মানুষের মাথা ও ঘাড়ে ৩৬ ধরনের ও অবস্থানের পেশি রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ২০টি থেকেই মাথা ব্যথা হতে পারে। মাথা নাড়ানো, কাধ ঝাকানো, খাদ্য গ্রহণ, কথা বলা আর মুখের অভিব্যক্তি দেওয়া এর সব কিছুর জন্যই এসব পেশির ব্যবহার চলে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…