সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

তাবলিগ জামাত সম্পর্কে ডা. জাকির নায়েক যা বললেন

কোরআন হাদিসে কি তাবলীগ করার কথা বলা হয়েছে? পিস টিভি বাংলার নিয়মিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ডা. জাকির নায়েককে একজন দর্শক এই প্রশ্নটি করেন।

উত্তরে ডা. জাকির নায়েক বলেন, শরীয়তে ও কোরআন হাদিসে যা করার কথা বলা হয়েছে তা করতে হবে। যেমন নামাজ, যাকাত, ইত্যাদি। আর যা হারাম বলা হয়েছে তা থেকে বিরত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু করা জায়েজ নয়। তবে যা বলা হয়নি এগুলো স্থান কালপাত্র ভেদে কখনো কখনো উত্তম মুস্তাহাব হয়ে থাকে। করলে সওয়াব আছে না করলে সওয়াব নেই। তবে তাবলীগ করার কথা বলা হয়েছে কিনা তা আমাদের কোরআনেই রয়েছে। কোরআনের সূরা নাহালের ১২৫ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে, তোমারা মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করো হেকমতের সঙ্গে।’

এখানে হেকমত মানে হল, কৌশলের সঙ্গে। তার মানে এ নয় নরম ভাষায়। সময়কালে হেকমত কখনো নরম ভাষায় হবে কখনো কঠিন ভাষায় হবে। তবে সবসময় নরম ভাষায় হবে তা ঠিক নয়। যেমন কোরআনের অন্য আয়াতে হযরত ইব্রাহিম আ. থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। হযরত ইব্রাহিম আ. উপাসনার সমস্ত মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুশরিককে মুশরিক বলতেই হবে। হোক সে আপনার বাবা। এটাই হল হিকমাহ। এটা হল ধর্মপ্রচার সম্পর্কে কোরআন হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ এক আয়াত। এমনিভাবে সূরা আল ইমরানের ৬৪ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে, হে আহলে কিতাবগণ! একটি বিষয়ের দিকে আস যা আমাদের মধ্যে আর তোমাদের মধ্যে এক।’ সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলো কি? এক নাম্বার হল, ‘আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারও ইবাদত করবো না।’
আমি মনে করি এ আয়াতটি হচ্ছে দাওয়াতের মাস্টার কি (মূলবাণী)। কোনো অমুসলিমের সঙ্গে কথা বললে, সর্বপ্রথম এটা বলতে হবে, তোমরা অন্তত একটি বিষয়ে এক হও যে, আমরা আলøাহ ছাড়া কারও ইবাদত করবো না। তাহলে বোঝা গেল ধর্মপ্রচারের সর্বপ্রথম গুরুত্বপূর্ণ গাইড লাইন হচ্ছে, তাওহিদ। এভাবে কোরআন হাদিসে ধর্মপ্রচার সম্পর্কে কিছু গাইড লাইন দেওয়া আছে।

একইভাবে নবী সা.ও ধর্মপ্রচার সম্পর্কে বলেছেন। হাদিসটি সহীহ বোখারিতে রয়েছে। তিনি বলেন, আমার নিকট হতে একটি বাক্য হলেও পৌঁছিয়ে দাও। এখানে বলা হয়েছে, যে একটি বাক্য জানে তাও যেন সে পৌঁছিয়ে দেয়। এভাবেই কোরআন হাদিসে দাওয়াতের কথা বলা হয়েছে। সূত্র : পিসটিভি, ইউটিউিব থেকে

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…