সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মুখের মেদ কমানোর এক্সারসাইজ

একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন, অনেকরই শরীরে মেদ বাড়লেই সবার আগে মুখেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। ফলে মুখ ভারী দেখায়, গাল ফুলে যায়, বিশেষত থুতনির কাছে মেদ জমে যায়। এই সমস্যা মেকাপ দিয়েও সমাধান করা যায় না। মুখ থেকে মেদ কমাবার সহজ এবং নিরাপদ ও সম্ভবত একমাত্র উপায় হচ্ছে এক্সারসাইজ।

কোন ধরনের এক্সারসাইজ ?
অ্যারোবিক বা যোগাভ্যাসের অভ্যাস থাকলে তাতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন নাই। মুখের মেদ কমানোর জন্য শরীরে মেদ বা ফ্যাট কমানোর পাশা পাশি নিয়মিত এক্সারসাইজের সাথে মুখের জন্য আলাদা করে কিছু এক্সারসাইজ করলে ফলাফলটা একটু জলদি পেতে পারেন।

টিপস-এক :- চোখ দুটি বন্ধ করে, চোখের পাতার উপর আঙ্গুল রাখুন। এবার চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর চেষ্টা করুন এবং একই সঙ্গে ভুরু উপরে তোলার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ৫ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করলে আপনার কপালটি টোনড হবে। অনেকের মুখে মেদ জমলে চোখের তলাতেও মেদ জমে। আর তাই চোখের মেদ কমাতে চোখ দুটি বন্ধ করে রিলেক্স করুন। এবার চোখ দুটি বন্ধ অবস্থায় চোখের মনি উপরে তুলুন এবং নীচে নামান। প্রতিদিন ১০ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করুন। এরপর চোখ বন্ধ অবস্থায় যতটা সম্ভব ভুরু উপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। এক্সারসাইজটি করার সময় চোখ খোলা যাবে না। তারপর ১০ মিনিট রিলেক্স করুন। প্রতিদিন ১০ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করুন।
টিপস-দুই :- মুখের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে যতটা সম্ভব জোরে চুষুন এবং ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন, অতঃপর আঙ্গুল বের করে নিন। প্রতিদিন ১০ বার নিয়মিত এই এক্সারসাইজ করলে গালের ফোলাভাব অনেকটাই কমে যাবে এবং মুখের ভারী ভাবটাও কমে যাবে।

টিপস-তিন :-
আস্তে আস্তে আপনার মাথাটি পেছনের দিকে হেলাতে থাকুন, যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি আপনার ঘাড়ে চাপ অনুভব না করছেন। এবার আপনি আপনার চোয়ালটি একবার ডান হতে বাম দিকে, আরেকবার বাম হতে ডান দিকে নড়ানোর চেষ্টা করুন এবং এটি ৫ বার করা হলে আস্তে আস্তে রিলেক্স করুন। এই এক্সারসাইজটি আপনি দিনে ৫ বার করলে আপনার ঘাড় এবং গলার মাসল টোন হবে।

টিপস-চার :- হা করন। যতটা সম্ভব আপনার মুখ খোলার চেষ্টা করুন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি গালে, ঠোঁটে এবং থুতনিতে চাপ অনুভব না করছেন। এরপর ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন এবং রিলেক্স করুন। প্রতিদিন ৫ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করুন। এতে করে মুখের মাসল টোন হবে, রক্ত সঞ্চালন বাড়াবে এবং অতিরিক্ত মেদ কমাবে। তথ্য সূত্র: ইন্টারনেট

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…