সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চিত্‍‌ হয়ে শোবেন, না উপুড় হয়ে - কোনটা অধিক স্বাস্থ্যকর?

আপনি কি অনিদ্রায় ভুগছেন? নাকি আপনি ভুগছেন বদহজমে? ডাক্তার দেখানোর আগে ভালো করে বুঝে নিন৷ আপনার শোওয়ার ভঙ্গির উপরেই নির্ভর করছে শরীর কেমন থাকবে৷ পড়ে যান ...

চিত্‍‌ হয়ে শোওয়া :- আপনি যদি চিত্‍‌ হয়ে পিঠের ওপর ভর দিয়ে শুয়ে থাকেন তাহলে আপনার ঘাড়, মাথা এবং মেরুদণ্ড থাকবে নিউট্রাল পজিশনে৷ এতে আপনার পিঠের ওপর চাপ কম পড়বে৷ ডাক্তারদের মতে শোওয়ার ভঙ্গি হিসেবে এটি আদর্শ৷ কারণ, শবাসন ভঙ্গি ঘাড় এবং মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো৷ এর বাইরে আপনি যদি অর্থোপেডিক ম্যাট্রেস-এ ঘুমোতে পারেন তাহলে সেটা আপনার মেরুদণ্ডকে দেবে অতিরিক্ত সাপোর্ট৷ এমনকী বালিশ ছাড়াও আপনি এই ভঙ্গিতে ঘুমোলে ঘাড়ের ব্যথা নিয়ে ঘুম থেকে উঠতে হবে না৷

পাশ ফিরে শোওয়া :- যাঁদের ঘুমিয়ে নাক ডাকার অভ্যেস রয়েছে কিংবা যাঁরা স্লিপ অ্যাপনিয়া-য় ভুগছেন তাঁদের পক্ষে পাশ ফিরে শোওয়া ভালো৷ এইভাবে শুলে মেরুদণ্ড সোজা থাকবে এবং পিঠে ব্যথা হবে না৷ তবে মুখে ভাঁজ পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয় কারণ, সারারাত আপনার মুখ এক দিকে চাপা থাকে৷ এছাড়াও মহিলাদের স্তন 'ডিশেপড ' হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷

উপুড় হয়ে শোওয়া :- চিকিত্সকরা এই ভাবে শোওয়ায় আপত্তি করেন কারণ, এর ফলে আপনার মেরুদণ্ডে, মাংস পেশি এবং হাড়ের জোড়ায় চাপ পড়ে৷ এই কারণে শরীরে পিন ফোটানোর মতো ব্যথা অনুভব করতে পারেন সকালে ঘুম থেকে উঠে৷ যাঁরা খুব বেশি নাক ডাকেন কেবল তাঁদের পক্ষেই এই ভাবে ঘুমোলে ভালো৷
ফিটাল পজিশনে শোওয়া :- হাঁটু দু'টো মুড়ে বুকের কাছে নিয়ে শোওয়া হল ফিটাল পজিশনে শোওয়া৷ অর্থাত্‍‌ , জরায়ুর ভেতর সন্তান যেভাবে শুয়ে থাকে৷ চিকিত্সকদের মতে এই ভঙ্গি অত্যন্ত ক্ষতিকর৷ ঘাড় এবং পিঠে সমস্যা, শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে৷ তাই যাঁরা নাক ডাকেন এবং যাঁরা সন্তানসম্ভবা তাঁদের এইভাবে শোওয়া কখনওই উচিত নয়৷ মনোবিদদের মতে যাঁরা নিজেদের জীবনের ভীতি এবং চাপের মুখোমুখি হতে ভয় পান তাঁরাই এইভাবে শুয়ে থাকেন৷ এইভাবে শুলে ঘুমের সময় পিঠের দিকে কোনও কম্প্রেশন ঘটে না, যার ফলে মেরুদণ্ডের ডিস্কে ক্ষতি হতে পারে৷ কিন্ত্ত যদি এইভাবেই আপনাকে শুতে হয়, তাহলে বালিশের উচ্চতা যেন কখনওই খুব বেশি বা খুব কম না হয়৷ এরকম হলে ঘাড়ের মাংস পেশিতে টান ধরবে৷ সকালে উঠে ঘাড় ব্যাথা তো হবেই, মাথা ধরাও অস্বাভাবিক কিছু নয়৷-

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…