সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গর্ভবতী মায়েরা যা খেলে বাচ্চার মস্তিষ্ক দ্রুত বিকশিত হয়!

আমরা জানি, গর্ভবতী মায়েদের বাড়তি খাবার দিতে হয় । তবে এমন কিছু স্পেশাল খাবার আছে যা গর্ভবতী মায়েদের দিলে বাচ্চার মস্তিষ্ক দ্রুত বিকশিত হয়। সেটা হলো মাছ, মাছের বহু গুণের কথা শোনা গেলেও এ গুণটির কথা আগে জানা যায়নি। সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থায় মাছ খেলে তা গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে ভূমিকা রাখে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে এএনআই। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় গর্ভবতী নারীর মাছ খাওয়ার সঙ্গে শিশুর মস্তিষ্কের উন্নতির বিষয়টি মিলিয়ে দেখা হয়। এতে দেখা যায়, গর্ভবতী নারী যদি পর্যাপ্ত মাছ খায় তাহলে শিশুর মস্তিষ্ক বিকশিত হতে সহায়তা করে।

মানুষ ও বহু প্রাণীরই অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান ওমেগা সিক্স ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। মাছে এ উপাদানগুলো বেশিমাত্রায় থাকায় তা শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

এ বিষয়ে গবেষকদের একজন প্রফেসর নরিকো ওসুমি। তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে মাছের ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গর্ভাবস্থায় pregnant অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি নিয়মিত খাওয়া হলে শিশুর মস্তিষ্ক গঠন ভালো হয়। ইঁদুরের ওপর গবেষণায় দেখা যায়, গর্ভাবস্থায় ওমেগা সিক্স ও ওমেগা থ্রিযুক্ত খাবার কম খাওয়ানো হলে তাতে মস্তিষ্কের আকার ছোট হয় এবং অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায়। তবে এটি স্বাভাবিক ভাবে খাওয়ানো হলে তাতে মস্তিষ্কও দ্রুত বিকশিত হয়।
এ গবেষণাটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন গবেষকরা। এর কারণ বহু দেশেই বর্তমানে মাছ fish খাওয়ার পরিমাণ কমে গেছে। তার বদলে বিভিন্ন ভোজ্য তেল খাওয়ার পরিমাণ বাড়ছে। এতে ওমেগা থ্রি ও ওমেগা সিক্সের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

নতুন গবেষণায় তাই মানুষের মাছ খাওয়ার পরিমাণ কমায় ওমেগা থ্রি ও ওমেগা সিক্সের ঘাটতিকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গণ্য করছে। এ দুটি উপাদানকে গর্ভবতীদের খাবারে সংযোজনের জন্য বেশি করে মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।এ বিষয়ে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে স্টেম সেলস জার্নালে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…