সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ক্যান্সার থেকে ডায়াবেটিস, টমেটোর জাদুকরী গুণে দূর হবে জটিল সব সমস্যা

ফলের রাজা যদি হয় আম, তবে সবজির রাজা অবশ্যই বলা উচিত টমেটোকে। টমেটো যেমন হার্টের সমস্যা দূরে রাখতে পারে তেমনই ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা রুখতেও টমেটোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। শুধু খাওয়ার প্লেটে নয়, রূপচর্চারও অন্যতম উপাদান টমেটো। জেনে নিন টমেটোর কিছু গুণ-

ক্যান্সার প্রতিরোধক টমেটো :- টমেটোর মধ্যে থাকা লাইকোপেন প্রস্টেট, কোলোরেকটাল বা পেটের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়। এই প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রুখতে পারে। কাঁচা টমেটোর থেকেও বেশি উপকারী রান্না করা টমেটো। তাই যত পারুন টমেটো স্যুপ খান, রান্নাতেও ব্যবহার করুন টমেটো।

হার্টের দেখাশোনায় টমেটো :- টমেটোর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে যদি টমেটো থাকে তাহলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও অন্যান্য হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকখানি কমে যায়।

কিডনি ভাল রাখতে টমেটো :- কিডনি সুস্থ রাখতে টমেটো খান বীজ ছাড়া।

ডায়বেটিসের ওষুধ টমেটো :- টমেটোর মধ্যে থাকা ক্রোমিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

হাড়ের সমস্যা সমাধানে টমেটো :- টমেটোর মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমানে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন কে থাকে। টমেটো হাড়ের টিস্যু ঠিকঠাক রাখতে ও ছোটখাট সমস্যা দূর করতে তাই অপরিহার্য্য।

চোখের জন্য টমেটো :- চোখের দৃষ্টি উন্নত করতে টমেটোর ভূমিকা অপরিসীম। শিশুদের ডায়েটে তাই অবশ্যই রাখুন টমেটো।

ধুমপান থেকে ক্ষতি মেটাতে টমেটো :- ধুমপানের ফলে শরীরে যে ক্ষতি হয় তার প্রভাব কমাতে পারে টমেটোর মধ্যে থাকা কোমেরিক অ্যাসিড ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড।
টমেটোই সেরা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট :- মেটোতে প্রচুর পরিমানে থাকে ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি। এই ভিটামিন ও বিটা ক্যারোটিন অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে যা রক্তের ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তে ভাসমান এইসব রাসায়নিক শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। টমেটো যত লাল হবে তত বিটা ক্যারোটিনের পরিমান বেশি থাকবে। তবে রান্নার ফলে নষ্ট হয়ে যায় ভিটামিন সি, তাই যত পারেন কাঁচা টমেটো খান।

ত্বকের যত্নে টমেটো :- টমেটোর মধ্যে প্রচুর পরিমানে লাইকোপেন থাকে। যে কারণে অনেক ফেসিয়ালের মূল উপাদান থাকে টমেটো। ত্বকের কালো ছোপ যেমন দূর করে টমেটো, তেমনই ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়। যদি বাড়িতে টমেটো ব্যবহার করতে চান তবে ৮ থেকে ১২টা টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে নিন। টমেটোর খোসা দিয়ে অন্তত ১০ মিনিট পুরো মুখ ঢেকে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল দেখাবে।

চুলের দেখভাল করতে টমেটো:-  টমেটোর মধ্যে থাকা ভিটামিন এ চুল উজ্জ্বল ও পোক্ত হয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…