সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ওজন কমাতে সাহায্য করবে কলার তৈরি স্মুদি

ওজন কমানোর জন্য অনেক ধরণের সম্পূরক খাদ্য এখন বাজারে পাওয়া যায়। এদের অনেকগুলোই তেমন কার্যকরী নয় আবার কিছু আছে ক্ষতিকর। এজন্য বর্তমানে মানুষ ওজন কমানো ও স্থূলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করছে। ন্যাচারোপ্যাথিক চিকিৎসকরা দেখিছেন যে, গুল্ম, ফলমূল ও শাকসবজি শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এই স্বাস্থ্য কুশলীরা জানিয়েছেন যে, মানুষের এমন পরিকল্পিত ভাবে গঠিত যে সে তার স্বাভাবিক ওজনে ফিরে যেতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের কয়েকজন দেখেছেন যে, কলা এবং আদার স্মুদি শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। আসুন তাহলে জেনে নেই ওজন কমানোর জন্য কলার স্মুদি তৈরির কৌশল।
প্রথম পদ্ধতি:
 উপকরণ:
  • ১টি কলা
  • ১টি কমলা
  • আধা কাপ লো ফ্যাট দই
  • ১ চামচ নারিকেল তেল
  • সিকি চামচ আদা গুঁড়া
  • ২ টেবিল চামচ শণ বীজ(ফ্ল্যাক্স সিড)
  • ২ টেবিল চামচ ঘোল
প্রস্তুতপ্রণালী: সবগুলো উপকরণ একত্রে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করুন। ভালো ফল পাওয়ার জন্য এই পানীয়টি খাওয়ার পূর্বে এক কাপ কুসুম গরম পানি পান করে নিন।
দ্বিতীয় পদ্ধতি :
উপকরণ:
  • ১টি অরগানিক কমলা
  • ১টি অরগানিক কলা
  • ১টি অরগানিক আপেল
  • ১ চামচ অরগানিক লেবুর রস
  •  বিশুদ্ধ পানি
প্রস্তুতপ্রণালী: সবগুলো উপাদান একসাথে ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। যতটুকু প্রয়োজন পানি মিশান। চাইলে মিশ্রণটি ঘন রাখতে পারেন আবার তরল করেও নিতে পারেন আপনার যেমন পছন্দ। যেকোন এক বেলার খাবারের পরিবর্তে এই পানীয়টি পান করুন। এই পানীয়টি খাওয়ার পর শারীরিক কসরত করুন।

কলার পুষ্টি উপাদান: কলাতে পটাশিয়াম, ফাইবার, চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা পুষ্টি প্রদান করে, শক্তি প্রদান করে এবং রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে। কলা পরিপাকেও সাহায্য করে।

কলা ও এর সাথে যুক্ত অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান গুলো শরীরের জন্য উপকারী যা দীর্ঘমেয়াদি ওজন হ্রাসে সহায়তা করে। যারা জাঙ্ক ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে এই পানীয়টি পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই স্মুদি অনেক কার্যকরী হয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…