সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

লাভ ক্ষতির অংক করার টেকনিক (BCS math shortcut)

Bcs math shortcut এ আজ আপনাদের জন্য থাকছে লাভ ক্ষতির অংক করার শর্টকাট টেকনিক ।লাভ ক্ষতির অংক দিয়ে প্রায়ই BCS Exam এ প্রশ্ন আসতে দেখা যায় । কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না লাভ ক্ষতির অংক কিভাবে করতে হয়। অনেকের কাছেই এগুলো কঠিন মনে হয় , কিন্তু কিছু টেকনিক ফলো করলে অতি সহজেই আপনি লাভ ক্ষতির অংক করতে পারেন । চলুন দেখে নেই লাভ ক্ষতির অংক করার শর্টকাট টেকনিক। এই technique গুলো ফলো করলে Bcs Exam Preparation এ আপনাদের preparation আরও সহজ হয়ে যাবে। চলুন দেখে নেই

সূত্রঃ ১
ক্ষতিতে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে –
[লাভের হার উল্লেখ না থাকলে]
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ – ক্ষতির শতকরা হার)
অংকঃ একটি ঘড়ি ৫৬০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০% ক্ষতি হল। ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত ছিল?
সমাধানঃ
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ – ক্ষতির শতকরা
হার)
= (১০০ x ৫৬০) / (১০০ – ২০)
= ৭০০ টাকা

সূত্রঃ ২
বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা = (বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা / ক্রয়মূল্য) x (১০০ x বিক্রয়মূল্য / ১০০ + লাভ)
অংকঃ টাকায় ৬ টা করে ক্রয় করে টাকায় কয়টা বিক্রয় করলে ২০% লাভ হবে?
সমাধানঃ
বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা = (বিক্রয়কৃত পণ্য সংখ্যা / ক্রয়মূল্য) x
(১০০ x বিক্রয়মূল্য / ১০০ + লাভ)
= (৬ / ১) x (১০০ x ১ / ১০০ + ২০)
= ৫ টি

সূত্রঃ ৩
লাভে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে –
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ + লাভের শতকরা
হার)
অংকঃ একটি ছাগল ২৭৬ টাকায় বিক্রি হওয়ায় ১৫% লাভ হয়। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?
সমাধানঃ
ক্রয়মূল্য = (১০০ x বিক্রয়মূল্য) / (১০০ + লাভের শতকরা
হার)
= (১০০ x ২৭৬) / (১০০ + ১৫)
= ২৪০ টাকা

সূত্রঃ ৪
লাভে বিক্রিত পণ্যের বিক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে –
বিক্রয়মূল্য = {মোট লাভ (১০০ + লাভের হার)} / লাভের
হার
অংকঃ একটি জিনিস বিক্রি করে বিক্রেতা ক্রয়মূল্যের ৩৫% লাভ করেন। মোট ২৮০ টাকা লাভ হলেজিনিসটির বিক্রয়মূল্য কত?
সমাধানঃ
বিক্রয়মূল্য = {মোট লাভ (১০০ + লাভের হার)} / লাভের
হার
= {২৮০ (১০০ + ৩৫)} / ৩৫
= ১০৮০ টাকা

সূত্রঃ ৫
ক্ষতিতে পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে। [লাভের হার উল্লেখ থাকলে]
পণ্য সংখ্যা = বিক্রীত পণ্যের সংখ্যা x (১০০ – ক্ষতি) /
(১০০ + লাভ)
অংকঃ টাকায় ১২ টি লেবু বিক্রয় করায় ৪% ক্ষতি হয়। ৪৪% লাভ করতে হলে টাকায় কয়টি লেবু বিক্রয়করতে হবে?
সমাধানঃ
পণ্য সংখ্যা = বিক্রীত পণ্যের সংখ্যা x (১০০ – ক্ষতি) /
(১০০ + লাভ)
= ১২ x (১০০ – ৪) / (১০০ + ৪৪)
= ৮টি লেবু

সূত্রঃ ৬
নির্দিষ্ট সংখ্যক পণ্যের ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে –
শতকরা লাভ = (বিক্রয়মূলয় – ক্রয়মূল্য) x ১০০ / ক্রয়মূল্য
অংকঃ ২০ টাকায় ১২ টি করে আমড়া কিনে প্রতিটি ২ টাকা করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধানঃ শতকরা লাভ = (বিক্রয়মূলয় – ক্রয়মূল্য) x ১০০ / ক্রয়মূল্য
= (২৪ – ২০) x ১০০ / ২০
= ২০%
সূত্রঃ ৭
ক্ষতিতে পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে – [লাভের হার উল্লেখ না থাকলে]
ক্ষতির হার = (ক্ষতি x ১০০) / (বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি)
অংকঃ একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলো। ক্ষতির শতকরা হার কত?
সমাধানঃ
ক্ষতির হার = (ক্ষতি x ১০০) / (বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি)
= (২০ x ১০০) / (৩৮০ + ২০)
= ৫%

সূত্রঃ ৮
সংখ্যাযুক্ত পণ্যের ক্রয়মূল্য বিক্রয়ের ক্ষেত্র
শতকরা লাভ = (নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রয়কৃত সংখ্যা – নির্দিষ্ট
মূল্যে বিক্রিত সংখ্যা ) x ১০০ / নির্দিষ্ট মূল্যেবিক্রীত
সংখ্যা।
অংকঃ ৮টি কমলার ক্রয়মূল্য ৬ টি কমলার বিক্রয়মূল্যের সমান হলে শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধানঃ
শতকরা লাভ = (নির্দিষ্ট মূল্যে ক্রয়কৃত সংখ্যা – নির্দিষ্ট
মূল্যে বিক্রিত সংখ্যা ) x ১০০ / নির্দিষ্ট মূল্যেবিক্রীত
সংখ্যা।
= (৮ -৬) x ১০০ / ৬
= ৩৩.৩৩%

সূত্রঃ ৯
ক্রয় বিক্রয়ে ক্রমিক সংখ্যার ক্ষেত্রে –
ক্ষতি = ১০০ / (টাকায় যতটি বিক্রি হয়)^২
অংকঃ টাকায় ৫টি ও টাকায় ৭ টি দরে সমান সংখ্যক জামরুল কিনে টাকায় ৬ টি দরে বিক্রয় করলেশতকরা ক্ত লাভ বা ক্ষতি হবে?
সমাধানঃ
ক্ষতি = ১০০ / (টাকায় যতটি বিক্রি হয়)^২
= ১০০ / (৬)^২
= ২ ৭/৯ %

সূত্রঃ ১০
ক্ষতিতে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে –
[লাভের হার উল্লেখ থাকলে]
ক্রয়মূল্য = (১০০ x যত টাকা বেশী বিক্রয়)/ (ক্ষতির শতকরা হার + লাভের শতকরা হার)
অংকঃ একজন বিক্রেতা ১২.৫% ক্ষতিতে একটি জিনিস বিক্রি করেন। যে মূল্যে তিনি জিনিসটি বিক্রিকরলেন, তার চেয়ে ৩০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ক্রয়মূল্যে তার উপর ২৫% লাভ হত। জিনিসটিরক্রয়মূল্য কত?
সমাধানঃ
ক্রয়মূল্য = (১০০ x যত টাকা বেশী বিক্রয়)/ (ক্ষতির
শতকরা হার + লাভের শতকরা হার)
= (১০০ x ৩০)/ (১২.৫ + ২৫)
= ৮০ টাকা

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…