সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মাত্র ৪ দিনে ২ কেজি ওজন কমাতে ঝটপট গাজর ডায়েট - দেখুন কি ভাবে বানাবেন এবং খাবেন।

অনেকেই ওজন সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু কিভাবে ওজন কমাবেন বুঝতে পারছেন না। কিভাবে ডায়েট করলে ওজন কমে সেই সম্পর্কেও ধারণা নেই অনেকেরই। তাই আজ সম্পূর্ণা ২৪ ডট কম আপনাদের দিচ্ছে মাত্র ৪ দিনে ২ কেজি ওজন কমাতে ঝটপট গাজর ডায়েট। যারা ডায়েট করে ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তারা বেছে নিতে পারেন ৪ দিনের গাজরের ডায়েট। তাহলে শুনে রাখুন, মাত্র ৪ দিনের ডায়েটেই ২ কেজি পর্যন্ত ওজন কমাতে পারবেন আপনি। আর তাও একদম ব্যায়াম ছাড়াই!

একটি বড়মাপের গাজর থেকে ২২ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী গাজরে আছে কার্বোহাইড্রেট-১০ দশমিক ৬ গ্রাম, প্রোটিন শূন্য দশমিক ৯ গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক ২ গ্রাম, আঁশ ১ দশমিক ২ গ্রাম, নিকোটিনিক এসিড শূন্য দশমিক ৬ মিলিগ্রাম,
ভিটামিন ‘এ’ ৩১৫০ আইইউ, ক্যালসিয়াম ৮০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১০৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লোহা ১ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম, থায়ামিন দশমিক শূন্য ৪ মিলিগ্রাম।

আসুন জেনে নেয়া যাক ৪ দিনের গাজর ডায়েটের নিয়মাবলী-

ডায়েটের নিয়মাবলী:-
► গাজর খেয়ে ডায়েট করতে হলে আপনার সারা দিনের প্রধান খাবারটি হবে হলো গাজর। দিনরাত মিলিয়ে কম পক্ষে ৪ বার পেট ভরে অনেক গুলো করে গাজর খেতে হবে আপনার।

► গাজর সিদ্ধ করে, কাঁচা কিংবা সালাদ করে যেভাবে খুশি খেতে পারেন আপনি। তবে সালাদ বানিয়ে খাওয়ার সময় অবশ্যই মেয়োনেজ, তেল অথবা পনির ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র গাজর, লেবুর রস, ধনিয়া পাতা, কাঁচা মরিচ বা গোল মরিচের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।

► এই ৪দিন গাজর, গ্রিন টি আর পানি ছাড়া কিছুই খেতে পারবেন না আপনি। খুব বেশি স্বাদ পরিবর্তন করতে ইচ্ছে করলে এক বেলা গাজরের সাথে আপেল মিশিয়ে সালাদ করে খেতে পারেন।

► গাজরের ডায়েট চলাকালীন সময়ে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার করে পানি খেতে হবে। পানি কম খেয়ে শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দিবে এবং শরীরে সতেজতা থাকবে না। তাই ডায়েটের পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করুন।

► ডায়েট চলাকালীন সময়ে চা খেতে হলে গ্রীন টি পান করুন। চা খেতে ইচ্ছে করলেই বানিয়ে ফেলুন এক কাপ গ্রিন টি। গ্রিন টি ওজন কমাতে সহায়ক।

সতর্কতা :-
►গাজর খাওয়ার আগে অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
►গাজরের খোসা ছাড়িয়ে নিন সম্ভব হলে। কারণ ইদানিং সবজিতে নানান রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়।
►ডায়েট চলাকালীন সময়ে পানি খাওয়া কমাবেন না।
►কোনো অসুখ থাকলে বা ওষুধ সেবন করতে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়েট করবেন না।
►এই ডায়েট ৪ দিন বা খুব বেশি হলে ৫ দিন পর্যন্ত করুন। এক মাসে একবারই করতে পারবেন এই ডায়েট।
►ডায়েট চলাকালীন সময়ে জীম কিংবা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করবেন না।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…

ঘুম থেকে উঠেই কাচা ছোলা খাওয়ার ১৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা…

কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে।
উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। জেনে নিন ছোলার কিছু স্বাস্থ্যগুণের কথা
১. ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।
২. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় …

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…