সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জনতা ব্যাংক নেবে ৮৩৪ এক্সিকিউটিভ অফিসার

এই পদে আগ্রহী প্রার্থীরা ১০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত পদটিতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সব প্রক্রিয়া অনলাইনে করতে হবে
সোনালী ব্যাংকের পর এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক লোকবল নেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞাপন অনুযায়ী জনতা ব্যাংকে এক্সিকিউটিভ অফিসার (ইও) পদে ৮৩৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বেতন :- বিজ্ঞপ্তি অনুসারে এক্সিকিউটিভ অফিসাররা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুসারে চাকরিতে যোগ দেওয়ার শুরুতেই ২২ হাজার টাকা বেতন পাবেন। এ ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও পাবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা :- যেসব প্রার্থী এক্সিকিউটিভ অফিসার পদে আবেদন করবেন, তাঁদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পাস হতে হবে। প্রার্থীর শিক্ষাজীবনে ন্যূনতম দুটি প্রথম শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে। কোনো ক্ষেত্রে তৃতীয় শ্রেণি থাকলে আবেদন করা যাবে না। এ ছাড়া কম্পিউটার চালনায় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়স :- আবেদনকারীর বয়স ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে ২১ থেকে ৩০ বছর হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

আবেদন প্রক্রিয়া :- এই পদে আগ্রহী প্রার্থীরা ১০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত পদটিতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সব প্রক্রিয়া অনলাইনে করতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটের (www.erecruitment.bb.org.bd) মাধ্যমে। ওয়েবসাইটটিতে অনলাইন আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ উল্লেখ করতে হবে। ফরম পূরণ করার নিয়ম ও অন্যান্য শর্তাবলি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। অনলাইনে আবেদন করার পর প্রাপ্ত ট্র্যাকিং নম্বরটি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীদের ধাপে ধাপে এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নেওয়া হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি :- জনতা ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এরপর হবে মৌখিক পরীক্ষা। নৈর্ব্যক্তিকে ১০০ ও লিখিত পরীক্ষায় ২০০ নম্বর থাকবে। উভয় পরীক্ষাই একই দিনে হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আর এই পরীক্ষাতেও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার মতোই বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত, সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।

বাংলা :- বাংলা বিভাগে নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে ব্যাকরণ ও সাহিত্য থেকে। ব্যাকরণ অংশে সাধারণত শব্দ, বাক্য, পদ, সন্ধি বিচ্ছেদ, প্রকৃতি-প্রত্যয়, বাগ্ধারা, সমার্থক শব্দ, বানান শুদ্ধি, সমাস, কারক-বিভক্তি, প্রতিশব্দ, দেশি-বিদেশি শব্দ, এক কথায় প্রকাশ, অনুবাদ ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন থাকবে। আর সাহিত্য অংশে ইতিহাস, বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ, বিখ্যাত কবি-সাহিত্যিকদের জন্মতারিখ, জীবন ও কর্ম, উপাধি, ছদ্মনাম, চরিত্র ও উক্তি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। এ ছাড়া থাকতে পারে ভাবসম্প্রসারণ, পত্র ও সারাংশ নিয়ে প্রশ্ন।

ইংরেজি :- বাংলার মতো ইংরেজি ব্যাকরণের কতকগুলো নির্দিষ্ট বিষয় থেকে এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। ভুল থেকে শুদ্ধ, সমর্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, সঠিক বানান, টেন্স (কাল), পদ এসব বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে হতে পারে। তাই এসব বিষয়ে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিন। পরীক্ষায় অনুবাদ ও রচনা আসতে পারে। ইংরেজি সাহিত্য অংশে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, কবি-সাহিত্যিকদের জন্মতারিখ, জীবনী, গল্প, উপন্যাস ও নাটকের চরিত্র ও বিশেষ উক্তি সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। আর লিখিত অংশে ব্যাকরণ, পত্র, অনুবাদ ও রচনা লিখন বিষয়ে জোর দিতে ভুলবেন না।

গণিত :- এই পরীক্ষায় মাধ্যমিক পর্যায়ের পাটিগণিত ও বীজগণিত বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। বিশেষ করে ঐকিক নিয়ম, শতকরা, পরিমাপ ও একক, সুদকষা, লাভ-ক্ষতি ও পরিমিতি বিষয়ে। তাই আপনাকে এ-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে দক্ষ হতে হবে। এ ছাড়া লসাগু-গসাগু, বর্গ, সরল, মাননির্ণয় ও জ্যামিতিক সূত্র ও সংজ্ঞা তো আছেই। দক্ষতা যাচাই করতে বিশ্লেষণমূলক প্রশ্নও থাকতে পারে।

সাধারণ জ্ঞান :- সমসাময়িক ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। সেটা হতে পারে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক যেকোনো বিষয়। এ ছাড়া সাধারণ জ্ঞানের স্থায়ী বিষয় নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে। বাংলাদেশ বিষয়ে কৃষিজ, বনজ, প্রাণিজ ও খনিজসম্পদ, মুক্তিযুদ্ধ, শিল্প ও বাণিজ্য, ভৌগোলিক অবস্থান, আয়তন, সীমানা, নদ-নদী, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, পুরস্কার ও সম্মাননা, নৃতাত্ত্বিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন হবে। সুতরাং প্রস্তুত থাকুন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। এর সঙ্গে বিশ্ব রাজনীতি, দেশ ও জাতি, সীমারেখা, বিশ্ব অর্থনীতি, শিল্প ও বাণিজ্য, খেলাধুলা, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠন, চুক্তি ও সনদ, পুরস্কার ও সম্মাননা, বিখ্যাত স্থান ও স্থাপনা বিষয়ে জানা থাকলে আপনারই লাভ। জনতা ব্যাংকের এই পরীক্ষায় দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়েও প্রশ্ন করা হয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…