সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ওজন কমাতে কী খাচ্ছেন? দেখুন কোন খাবারগুলি দুটি এক সাথে খাওয়া উচিত নয়

অধুনা ওজন কমানোর জন্য যে যা খেতে বলেন তা-ই খাই আমরা। বুঝতে পারি না কী খেতে হবে। এমন কিছু খাবার আছে, যা একসঙ্গে খাওয়ার ফলে বুকে জ্বালাপোড়া ও হজমে সমস্যা হয়। একেকটা খাবারের একেক রকম গুণাগুণ। কিন্তু না বুঝে বা চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে খেলে সমস্যা হতে পারে। বারডেম জেনারলে হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলোর মতে, যেকোনো খাবার গ্রহণের আাগে সেই খাবারের পুষ্টির গুণাগুণ সম্বন্ধে জানতে হবে। কোন খাবারের সঙ্গে কোনটা খাওয়া উচিত আর কোনটা উচিত না, তা জানতে হবে। একসঙ্গে সব খাবার খেলে হজমে সমস্যা হয়, পেটের পীড়া দেখা দেয়।

ওজন কমার আগে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। তাই ডায়েট করার সময় কোন কোন খাবার খাবেন, কোনগুলো এড়িয়ে চলবেন, তা জেনে নিন।
দই ও টক ফল :- দই দুধের তৈরি খাবার। দই খাওয়ার পর টক ফল খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

আম ও শসা :-
আম ও শসা দুইটা দুই ধরনের খাবার। মুম্বাই সেলফকেয়ারের পুষ্টিবিদ সুমন আগারওয়ালের মতে, আম ফল এবং শসা সবজি। এই দুই খাবারে দুই ধরনের পদার্থ রয়েছে। ফলে এই দুই খাবার একসঙ্গে গ্রহণ করলে হজমে সমস্যা হয়।

দুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক :- দুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক কখনো একসঙ্গে গ্রহণ করা উচিত নয়।

সিরিয়াল বা ওটমিল এবং জুস :- অনেকেই সকালে সিরিয়াল বা ওটমিল গ্রহণ করে থাকেন এবং তার পরপরই জুস পান করেন। কিন্তু আসলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। সিরিয়াল বা ওটমিল খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে জুস খাওয়া উচিত।

খাওয়ার আগে ফল খাওয়া :- খাওয়ার আগে ফল খাওয়া ভালো। ফলমূলে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে। সুতরাং খাওয়ার পর ফল খাওয়া হলে তা পেটেই থেকে যায় এবং হজমে সমস্যা হয়। খালি পেটে ফল খাওয়া হলে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না।

কোমল পানীয় ও খাবার :- খাবার খেতে খেতে সফট ড্রিংকস খাওয়া উচিত নয়। কারণ, সফট ড্রিংকসে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, যার ফলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…