সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মহাষৌধ মাছ ! মাছ খেলে যে জটিল রোগগুলি থেকে রেহাই পাবেন আপনি।

বাংলাদেশের মানুষ মাছে-ভাতে থাকতে ভালোবাসে। সারা দুনিয়ায় এই সুনাম আমাদের রয়েছে। ভাতের সঙ্গে একটুকরো মাছ না হলে বহু মানুষ রয়েছেন যাদের খাওয়া অতৃপ্ত থেকে যায়। তবে এই অভ্যাস যে কতোটা উপকারী স্বাস্থ্যের পক্ষে, তা এবার জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরাই। মাছের মধ্যে এমন সব উপাদান রয়েছে যা সুস্থ থাকতে অনুঘটকের কাজ করে। তাই আমিশাষীরা মাংসের বদলে মাছ বেশি করে খাওয়া অভ্যাস করলে অনেক বেশি উপকার পাবেন। জেনে নিন কোন কোন উপকার পেতে মাছকে রাখবেন আপনার প্রতিদিনের খাবার টেবিলে।

নানা পুষ্টিগুণে ঠাসা : মাছ নানা ধরনের মাছের মধ্যে রয়েছে হাজারো পুষ্টিগুণ। ভিটামিন ডি, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলি শরীরের হাজারো সমস্যায় প্রতিষেধকের কাজ করে। এছাড়াও নানা ধরনের প্রোটিন ও আয়োডিন থাকে মাছের মধ্যে।

সুস্থ বৃদ্ধির সহায়ক : ছোটবেলা থেকেই মাছ খেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধি অনেক ভালো হয়। এছাড়াও মস্তিষ্কের বিকাশ ও চোখের দৃষ্টি মজবুত হয় মাছ খেলে।
অবসাদ কমাতে : সাহায্য করে অবসাদগ্রস্ত মানুষদের মেজাজ অনেক সময়ই খারাপ থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড অবসাদ কমাতে সাহায্য করে।

হার্টের রোগ কমায় : হার্টের যেকোনও সমস্যাকে আটকাতে সাহায্য করে মাছ খাওয়া। প্রতিদিন মাছ খেলে স্ট্রোকের মতো সমস্যার প্রবণতা অনেক কমে যায়।

ঘুম ভালো হয় : আজকের দিনে হাজারো চিন্তায় ঘুম ভালো করে হয় না বহু মানুষের। তবে সপ্তাহে অন্তত ২দিন করে মাছ খেলে ঘুম ভালো হবে।

মস্তিষ্কের জন্য ভালো : বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্ষমতা অনেক কমে যায়। তবে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত মাছ খান, তাদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কমে যায় মস্তিষ্কের বয়স। ফলে মস্তিষ্ক বেশি সচল থাকে।

সুস্থ ত্বক : ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে নিয়মিত মাছ খেলে ত্বক ও চুল ভালো থাকে।
ভিটামিন ডি-তে সমৃদ্ধ : এখনকার দিনে অনেকেরই সূর্যের তাপে পুড়ে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা হয় না। তবে তার বিকল্প হিসাবে মাছ খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি পূরণ হয়।

চোখের সমস্যা কমায় : মাছ খেলে চোখের নানা সমস্যা সহজে দেখা দেয় না।

স্পার্মের মান ভালো হয় : বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যে পুরুষেরা মাছ বেশি খান, তাদের স্পার্মের মান অনেক বেশি ভালো হয়।

ক্যানসারের প্রবণতা কমায় : মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ক্যানসারের প্রবণতাকে ৩০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত কম করতে পারে। কোলন ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যনসার ও ওরাল ক্যানসারের প্রবণতা মাছ খেলে অনেক কমে যায়।

ডায়বেটিসের সম্ভাবনা কমে :
প্রতিনিয়ত মাছ খেলে রক্তচাপ ও তাতে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ডায়বেটিসের আশঙ্কা কমে যায়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…