সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মূত্রনালির ইনফেকশন রোধে যে ৪টি খাবার খুবই উপকারী

নারীপুরুষ উভয়েরই এইধরনের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেকটা সময় প্রস্রাব চেপে রাখা, গর্ভধারণ, ডায়বেটিস, যৌনমিলনে সমস্যা ও মনোপজের সময় এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়। তাই সর্তক থাকতে হবে নিজেকেই। কিছু ধরণের খাবার রয়েছে যা এই মূত্রনালির ইনফেকশন হতে মুক্তি দিতে পারে। আজকে চলুন চিনে নেয়া যাক এমনই কিছু খাবার।

১) আমলকীঃ আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা মূত্রনালির ইনফেকশন প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখে। ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো ও ১ চা চামচ আমলকী গুঁড়ো ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে তা পান করুন চায়ের মতো। দিনে ৩ বার করে ৩-৫ দিন পান করুন এই পানীয়টি। মূত্রনালির ইনফেকশন দূর হবে সহজেই।

২) বেকিং সোডাঃ ১ গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে দিনে ২ বার পান করার অভ্যাস অ্যাসিড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এতে করে প্রস্রাবের অ্যাসিডিটি কমায়। এতে করে ব্যথা কম হয় এবং ইনফেকশন দূর হয়।
৩) আনারসঃ যদি আপনার নিয়মিত আনারস খাওয়ার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে তা আপনাকে মূত্রনালির ইনফেকশন থেকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে। কারণ আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ‘ব্রোমেলেইন’ যার অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ বন্ধ করতে সহায়তা করে।

৪) আপেল সিডার ভিনেগারঃ আপেল সিডার ভিনেগার মূত্রনালির ইনফেকশন নিরাময়ে অনেক বেশি কার্যকরী একটি উপাদান। কারণ এতে রয়েছে পটাশিয়াম, এনজাইম এবং আরও বেশ কিছু এসেনশিয়াল মিনারেল যা মূত্রনালির ইনফেকশন দূর করতে সহায়ক। ১ গ্লাস পানিতে ২ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে ২ বার করে পান করে নিন কয়েকদিন। সমস্যা সমাধান হবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…