সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ঘন ও লম্বা চুল দ্রুত চাইলে রোজ খেতে হবে এই খাবারগুলো!

সৌন্দর্যের বর্ণনায় সবার প্রথমে যে জিনিসটি আসে তা হচ্ছে চুল। নানান ধরণের উপমা দিয়ে চুলের সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়। কিন্তু বর্তমানে নানান ধরণের সমস্যার কারণে চুলের সৌন্দর্য কমে যাচ্ছে সবারই। আগের মত ঘন কালো লম্বা চুলের উপমা দেয়ার মত সুন্দর চুলের অধিকারী কাউকে খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টকর। আমরা অনেকেই অনেক রকমের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করে চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সব কাজ বিফল হয়ে যায়। কারণ এইসকল প্রোডাক্ট চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি যোগাতে পারে না।

কিন্তু এভাবে তো বসে থাকা যায় না। তাই আমাদের খুঁজতে হবে এমন কিছু যা আমাদের চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং চুলকে দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে। প্রকৃতি এমন একটি জিনিস যা আমাদের সকল সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি যোগাতে আমাদের চুলকে দিতে হবে সঠিক খাদ্য। আর এতেই দ্রুত বাড়বে চুল। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক সেই সকল অসাধারণ খাদ্য যা চুলকে দ্রুত বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। 
ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার :- ফ্যাটি এসিড চুলের বৃদ্ধিতে অনেক বেশি সহায়তা করে। কিন্তু এইসকল ফ্যাটি এসিড দেহে উৎপন্ন হয় না। ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া অনেক জরুরী। বাদাম, মাছ, পালং শাক এবং আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি এসিড রয়েছে। 
 
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার :-  আমাদের চুলের বৃদ্ধির জন্য কাজ করে কোলাজেন টিস্যু। যখন আমাদের কোলাজেন টিস্যু নষ্ট হয়ে যায় তখন চুলের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। ভিটামিন সি কোলাজেন টিস্যু ঠিক রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন অন্তত ২৫০ গ্রাম ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া চুলের বৃদ্ধিতে অত্যন্ত জরুরী। লেবু, কমলা লেবু, স্ট্রবেরি ইত্যাদি খান প্রতিদিন। 
 
বায়োটোন সমৃদ্ধ খাবার :-  চুলের বৃদ্ধির জন্য মাথার ত্বকের সুস্থ থাকা জরুরী। আর মাথার ত্বকের সুস্থতায় প্রতিদিন খাবার তালিকায় রাখতে হবে বায়োটোন সমৃদ্ধ খাবার। বাদাম, বাদামী চাল এবং ওটসে প্রচুর পরিমাণে বায়োটোন রয়েছে। 
 
আয়রন সমৃদ্ধ খাবার :-  চুলের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি উপাদান আয়রন। এবং দেহে আয়রনের কার্যকারিতা বাড়ায় ভিটামিন সি। তাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি খাদ্য তালিকায় রাখুন আয়রন সমৃদ্ধ খাবার। সবুজ শাক, কাজু বাদাম, ব্রকলি, কলিজা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। 
 
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ :-  খাবার চুলের ফলিকল উন্নত থাকলে চুলের বৃদ্ধি দ্রুততর হয়। চুলের ফলিকল উন্নত করতে প্রতিদিন খাদ্য তাকিয়ায় রাখুন ১০০ মিলি গ্রাম ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। ডিম, দুধ, মাছ, এবং মাংস খান পরিমিত পরিমাণে। এতে চুল পরাও বন্ধ হবে দ্রুত। 
 
ভিটামিন ই :-  চুল বৃদ্ধি না পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে চুল ভেঙে যাওয়া। আর চুল ভেঙে যাওয়ার জন্য দায়ী দেহে ভিটামিন ই এর অভাব। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। কাঠবাদাম, অলিভ অয়েল এবং পালং শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ই।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…