সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আপনার শিশুর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে যে ফলগুলো

শিশুর মস্তিষ্ক খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও পরিবর্তিত হয়। তাই তারা কি খায় তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া শিশুদের পরিক্ষার সময় ব্রেইনকে উদ্দীপিত করাটা জরুরী । “দ্যা হ্যাপিনেস ডায়েট এন্ড ফিফটি শেডস অফ কেলি” বইটির সহ লেখক ও মনোবিজ্ঞানী ড্রিও রামসে বলেন, “এই বছরগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্রেইনের উন্নতির জন্য এবং তারা যা খায় তা মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা ও জ্ঞানীয় দক্ষতার উপর প্রভাব বিস্তার করে”। পেট ভরা রেখে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এমন স্বাস্থ্যসম্মত ফল খাওয়ানো উচিৎ শিশুদের। আসুন তাহলে জেনে নেই এমন কিছু ফলের নাম যা শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১। আপেল :- দিনে একটি আপেল খেলে আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না- কথাটি আসলেই সত্যি। এসিটাইলকোলাইন নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে যা স্মৃতিশক্তিকে উদ্দীপিত করে। আপেল এই এসিটাইলকোলাইন কমে যেতে বাধা দেয়।

২। আঙ্গুর :- সবুজ বা কালো উভয় ধরণের আঙ্গুরেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সিতে ভরপুর থাকে যা স্মৃতিশক্তি ও জ্ঞানীয় কার্যক্রমের উন্নতি ঘটায়।
৩। কলা :- পটাশিয়ামে ভরপুর কলা আপনার শিশুর মনোযোগের উন্নতি ঘটাতে ও প্রাণবন্ত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও কলা নিউরোট্রান্সমিটারের নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

৪। কমলা :- আপনি কি জানেন কমলায় ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট ও ফলিক এসিড আছে যা মস্তিষ্কের গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ? কমলা শুধু শেখার দক্ষতা ও স্মৃতিশক্তির কার্যকারিতাই বৃদ্ধি করেনা বরং জ্ঞানীয় বৈকল্যও রোধ করে।

৫। বরই :- বরই এ কোয়ারসেটিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এই ফলটি যেহেতু খোসা সহই খাওয়া হয়। তাই অরগানিক বরই কিনুন ও ভালো করে ধুয়ে শিশুকে খেতে দিন।

৬। স্ট্রবেরি :- ফিসেটিন নামক ফ্লাভনয়েড থাকে মাংসল লাল স্ট্রবেরিতে যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে নিউরনকে উদ্দীপনা প্রদানের মাধ্যমে। এনালস অফ নিউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানা যায় যে, প্রতি সপ্তাহে দুই কাপ বা তারচেয়ে বেশি স্ট্রবেরি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

এই তালিকার ফলগুলো আপনার সন্তানের টিফিনে দিয়ে দিতে পারেন অথবা বাসাতেও খাওয়াতে পারেন। স্বাস্থ্যকর অন্যান্য খাবারের সাথে এই ফলগুলো আপনার সন্তানকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি তাকে বুদ্ধিমান/বুদ্ধিমতি হতে সাহায্য করবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…