সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পুরুষত্বহীনতা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ একই! কি বলছেন গবেষকরা

পুরুষত্বহীনতা৷ যে কোন পুরুষ মানুষের কাছেই দুঃস্বপ্ন এই ব্যাধি৷ সে জন্যই পুরুষত্বহীনতার সমাধান খুঁজতে প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিশ্বের বহু গবেষক দল৷ অবশেষে সাফল্যের দাবি করছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাঙালি গবেষক৷

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষকরা অবশ্য শুরু করেছিলেন কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ চিহ্নিত করতে৷ কিন্ত্ত পাঁচ বছরের গবেষণা শেষে বেড়িয়ে আসে অন্য তথ্য৷ তাঁরা দেখেন, পুরুষত্বহীনতা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার পিছনে একই কারণ বিদ্যমান ৷ 'মায়োসিন ভা (মায়োসিন ভি এ)' প্রোটিন এই সমস্যার মূল কারণ৷ স্নায়ু কোষের মধ্যে অবস্থিত এই বিশেষ প্রোটিনের অভাবেই বাড়ে পৌরুষহীনতা থেকে কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ৷

প্রাণীর শরীরে গবেষণা করে পাওয়া এই ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিতও হয়েছে 'প্লস ওয়ান' নামে একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান পত্রিকাতে৷ এই গবেষক দলের প্রধান, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এবং এআইএমএসের প্রাক্তন ছাত্র অরুণ চৌধুরী। তাঁর আশা এর ফলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা সম্ভব হবে৷ অচিরেই সহজ সমাধান মিলবে এই দুই রোগের৷
সাধারনত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরে মাইয়োসিন ভা প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয়৷ ফলে ডায়াবিটিসে আক্রান্তরাও উপকৃত হবেন আশা করা হচ্ছে।
স্বাভাবিক কাজকর্মের সময় অন্ত্র কিংবা পুরুষাঙ্গের ভিতরে অবস্থিত স্নায়ু কোষের মধ্যে অতি বিক্রিয়াশীল গ্যাস নাইট্রাস অক্সাইড তৈরি হয়৷ স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতে স্নায়ু কোষের ডগায় নাইট্রাস অক্সসাইড তৈরি হতে সাহায্য করে মায়োসিন ভা প্রোটিন৷ এই গ্যাসজাতীয় রাসায়নিকই অন্ত্রের এবং পুরুষাঙ্গের পেশিগুলির স্বাভাবিক কাজকর্ম সুনিশ্চিত করে৷ হার্ভার্ডের গবেষকরা দেখেছেন, এই প্রোটিনের ঘাটতি হলেই নাইট্রাস অক্সাইড তৈরিতে সমস্যা দেখা দেয়৷ আর যখন স্নায়ু কোষের মধ্যে এই প্রোটিনের অভাব হয় তখনই বাড়তে থাকে রোগের প্রকোপ৷ গবেষকদের দাবি , 'ডায়াবিটিসে আক্রান্ত মানুষের শরীরেও এই প্রোটিনের প্রবল ঘাটতি নজরে এসেছে৷ ফলে ডায়াবিটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহজে পরিশ্রান্ত, বমি, বুক জ্বালা, অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পুরুষত্বহীনতার জন্য এই প্রোটিন ঘাটতিই দায়ী তা সহজেই অনুমেয়৷'

এ দেশে পঞ্চাশোর্ধ পুরুষদের মধ্যে এই দুই ব্যাধির প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে৷-

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…