সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে নামানোর কার্যকর উপায়

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে কি যে যন্ত্রণা হয় তা কেবল ভুক্তভোগিরাই বলতে পারেন। জীবনে চলার পথে এর শিকার হননি এরকম মানুষও হয়তো খুজেঁ পাওয়া মুশকিল। গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে সবার মনে অসম্ভব অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। যা খুবই পীড়াদায়ক। তাই গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর উপায় সম্পর্কে আমাদের জ্ঞাত থাকা দরকার। নিচে গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর সহজ ৮টি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো : 

পানি পান করুন : গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে পানি পান করুন। পারলে হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়। 
 
সাদা ভাত গিলুন: গলায় আটকা মাছের কাঁটা সাদা ভাত খেয়ে খুব সহজে নামানো যায়। এজন্য আপনাকে ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে। মনে রাখবেন, শুধু ভাত খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না। 
কলা খান: গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে পারলে চটজলদি একটি কলা খান। কলা খেতে খেতে কখন যে কাঁটা নেমে যাবে তা আপনি টেরও পাবেন না। 
 
লেবু খান: গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে এক টুকরা লেবু নিন। তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে এর রস খান। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নিমিষেই নেমে গেছে। 
 
ভিনেগার খান: পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে। অলিভ ওয়েল খান: গলায় কাঁটা বিঁধেছে? তাহলে মোটেই দেরি না করে একটু অলিভ অয়েল খান। এতে কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে। কোকাকোলা 
 
পান করুন: গলায় আটকা কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোকাকোলা। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোক পান করলে তা নরম হয়ে নেমে যায়। 
 
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা: গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর ১০০% কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে হোমিওপ্যাথি। এজন্য আপনাকে নিকটস্থ ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়া শুকনো মুড়ি খেলেও সমাধান পাওয়া যায়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…