সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

এই গরমে মাথা ব্যথা থেকে বাচতে হলে যা যা করবেন

এই গ্রীষ্মে আগুন ঝরা রোদে তপ্ত হয়ে উঠেছে প্রকৃতি। আর আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গেই ঘটে যত বিপত্তির। পাশাপাশি দেখা দেয় নানা রকম শারীরিক সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হল মাথা ব্যথা। তবে বিভিন্ন কারণে হতে পারে এ মাথা ব্যথা।

স্ট্রেস, ভয়, শারীরিক কোনো সমস্যা, বিষণ্নতা, ওষুধ সেবন, অ্যালকোহল পান, কম ঘুম, পরীক্ষার চাপের কারণেও মাথা ব্যথা হয়। তবে গরমকালে প্রায় প্রত্যেকেই এ সমস্যায় ভোগেন। তাই কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়।

তাই এবার অর্থসূচকের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল গরমে মাথা ব্যথা থেকে বাঁচার ৫ উপায়-

১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন: গরমের সময় ঘামের সাথে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ তরল পদার্থ বেরিয়ে যায়। এর ফলে আমাদের শরীর হয়ে পড়ে পানিশূন্য। ফলে দেখা দেয় নানা রকম সমস্যা। মাথা ব্যথা, প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া, দুর্বলতাসহ আরও অনেক সমস্যা। এমনকি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করলে শরীরও ক্লান্ত হয়ে পরে। তখনও এ সমস্যাগুলো আরও প্রকট রূপে দেখা দেয়। এজন্যই গরমের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত। তবে এক্ষেত্রে একজন প্রাপ্ত বয়স্কের প্রতিদিন অন্তত ৩ লিটার ( ১৩ গ্লাস ) পানি পান করা উচিত।
২. রোদ থেকে সাবধান থাকুন: গরমের সময় যারা বাইরে চলাফেরা করেন তাদের অবশ্যই ক্যাপ, সানগ্লাস, ছাতা ব্যবহার করা উচিত। কারণ এ সময় রোদ বা সূর্যের আলো সরাসরি মাথার উপরে পড়ার কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে।

৩. অতিরিক্ত গরমে ধূমপান : বাইরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও অনেককেই ধূমপান করতে দেখা যায়। এমনিতেই এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তার উপর গরমের কারণে শরীর পানি শূন্য হয়ে পড়লে তখন এটি শরীরের জন্য মারাত্নক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তখন খুব বেশি মাথা ব্যথা হতে পারে। তাই গরমের সময় ধূমপান না করাই ভাল। আর যদি ধূমপান করতেই হয় তাহলে ধূমপানের আগে অবশ্যই কিছুটা পানি পান করুন। সেইসাথে একটু বিশ্রাম নিন।

৪. ভারী কাজ করার জন্য সাবধানতা:
গরমকালে শরীরের পানি শূন্যতার কারণে আমরা অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যায়। তাই যেকোনো ভারি কাজ করার সময় সব সময় পানি রাখতে হবে। তাহলে বেশি সমস্যায় পড়তে হবেনা।

৫. কোমল পানিও / কোল্ড ড্রিঙ্কস:
গরমের সময় তৃষ্ণার্ত হয়ে আমরা প্রায়ই কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করি।এটা অবশ্যই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ প্রায় সব ধরনের কোল্ড ড্রিঙ্কস এর মধ্যে অতিরিক্ত চিনি ও ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মেশানো থাকে। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর।এর ফলেই অনেক সময় দেখা দিতে পারে প্রচণ্ড মাথা ব্যথা। তাই এ সময়ে কোমল পানি পান করা একেবারেই নিরাপদ নয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…