সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আপনি কি অলস বা কুঁড়ে? তারপরও ফিট থাকবেন যে ভাবে।

টোনড বডি সঙ্গে ঝঝকে ত্বক চাই? কিন্তু তার জন্য যে পরিশ্রম করতে হবে, ঘাম ঝরাতে হবে। ওইখানেই সমস্যা। সারাদিন অফিস করে খেটেখুটে সত্যিই আর সকাল সকাল জিমে দৌড়তে কার ইচ্ছে করে বলুন? কিন্তু তার জন্য দীপিকা পাড়ুকোনেপ মত চেহারা পাওয়ার ইচ্ছেটাতো মরতে পারে না।! আমার-আপনার মতো অলস মেয়েদের জন্য এবার রইল সহজ ওয়ার্ক আউটের কয়েকটি ছোট্ট টিপস। যা দিনে মাত্র কয়েক মিনিট অভ্যাস করলেই ঝকমকে চেহারা ঠেকায় কে। 

* ঘুম থেকেই উঠেই তাড়া পড়ে যায় আপনার। সারাদিনের সবকিছু ঠিকঠাক রেডি আছে তো? সঙ্গে অফিসে আজ কী কী কাজ করতে হবে, তার তালিকাও একটা মনে মনে মিলিয়ে নিতে হয়। লন্ড্রি থেকে কাচা জামাকাপড় আনা হয়েছে? এই সব চিন্তায় আপনি ব্যতিব্যস্ত। ওয়ার্ক আউটের সময় কোথায়? কোনও সমস্যা নয়। ১০ মিনিট সময় বের করতে পারবেন? বাড়িতে না হলে অফিস পৌঁছেও এই ব্যায়াম করা যাবে। 
 
সিঁড়িতে একটু দ্রুতুপায়ে ওঠানামা করে নিন। মাত্র ১০ মিনিটেই কেল্লাফতে। হাত-পা সুগঠিত করার সঙ্গে শরীরের ক্ষমতা বাড়াবে এই ওয়ার্ক আউট। হার্টকে আরও সচল করবে, বাড়াবে মেটাবলিজমের হার, ঝরবে ক্যালোরি। একবারে ১০ মিনিট করতে না পারলে, পাঁচ মিনিট দিয়ে শুরু করুন, আস্তে আস্তে বাড়ান।
* এই ব্যায়াম করতে সময় লাগে মাত্র ২ মিনিট। কিন্তু এর কার্যকরী ক্ষমতা দারুন। প্রথমে ডা পা সামনে এগোন, শরীরটা সামনে ঝুঁকিয়ে দিন। আবার সোজা হয়ে এবার বাঁ পা সামনে এগোন, শরীর সামনে ঝুঁকিয়ে দিন। এবার ডান পা পিছিয়ে দিন, শরীরটা পেছনে হেলিয়ে দিন। এবার বাঁ পা দিয়ে একই ভাবে করুন। পিঠ ও পেটের মাসল শক্ত করে এই ব্যায়াম। শক্ত করে পায়ের পেশিও। নিয়মিত অভ্যাস করলে শরীরের নিচের অংশ টোনড হবে। থাই ও কাফ মাসল শক্তিশালী হবে। 
 
* মনকে শান্ত করতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অভ্যাস করুন। দিনে ১০ মিনিট প্রাণায়ম করলে ফল পাবেনই। প্রথম পা মুড়ে বসুন, এরপর শান্ত ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন ও ছাড়ুন। এই ভাবে প্রতিদিন ১০ মিনিট অভ্যাস করুন। এই আসনে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায়। শরীর ও মনকে শান্ত করে। ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি করে। এই বাড়তি অক্সিজেন আপনার চেহারায় চমক আনবে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…