সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হাতের পেশী কিভাবে বাড়ানো বা মোটা করা যায়?

প্রচুর ক্যালরী সমৃদ্দ খাবার গ্রহন করুন নিয়মিত। সেই সাথে হাতের ব্যায়াম করার জন্য ডাম্বেল ব্যবহার করতে পারেন। সকালে খালি পেটে কাচাছোলা খাবেন প্রতিদিন। দেহে পরিমিত খাদ্য গ্রহনের পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে কিনা সেটাও খেয়াল রাখুন।

পুষ্টিকর খাদ্য, সঠিক নিয়মে প্রতিদিন ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম এই তিনটি বিষয় ঠিকমতো মেইনটেইন করতে পারলে দেহকে যেকোন শেপে গড়ে তোলা সম্ভব। আরো ভালো হয় কোন অভিজ্ঞ জিম ইন্সট্রাক্টর থেকে পরামর্শ নিয়ে সে মোতাবেক কাজ করলে।

সকলেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান। সুস্বাস্থ্যের ব্যাপারটা নারী পুরুষ ভেদে একটু আলাদা । এই ভিন্নতার কারন হচ্ছে সুস্বাস্থ্যের সংজ্ঞা একেক জনের কাছে এক এক রকম। মেয়েদের ক্ষেত্রে মেদহীন ছিপছিপে গড়নের দেহকে সুস্বাস্থ্য মনে করা হয়। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে মেদহীন পেশী বহুল দেহকে সুস্বাস্থ্য হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু প্রকৃত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলতে মানসিক ও শারিরীক ভাবে রোগমুক্ত,কর্মোদ্দ্যমী, প্রচুর প্রানশক্তি সম্পন্ন ব্যাক্তিকে বুঝায়। আপনার পেশী বহুল দেহ আছে কিন্তু সে তুলনায় প্রানশক্তি বা স্ট্যামিনা, ভারসাম্যতা, নমনীয়তা এগুলো অনেক কম তাহলে আপনাকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলা যাবে না। যেসকল তরুন সুন্দর পেশী বহুল দেহের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যের সব গুলি বৈশিষ্ট্য ধারন করতে চান তাদের জন্য কতগুলি চমৎকার ব্যায়ামের বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হল।
এই ব্যায়ামটি রক্ত সঞ্চালন এবং দ্রুত চর্বি পোড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। পাশাপাশি পরবর্তী ব্যায়াম গুলোর জন্য আপনার শরীরকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে। সেজন্য একে “অ্যাকটিভ ওয়ার্ম আপ” ও বলা হয়। আপনার শরীরের বৃহৎ পেশীগুলোকে মজবুত করবে। সেই সাথে ব্যালেন্স , স্ট্যাবিলিটি এবং ফেক্সিবিলিটিও উন্নত করবে। কিভাবে করবেন – এই ব্যায়ামটির জন্য প্রয়োজন প্রচুর ভারসাম্য শক্তি। শুরুতে আপনার ব্যালেন্সের সমস্যা হবে। তাই আপনি প্রথম প্রথম দেয়ালের কাছে প্রায় পিঠ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ব্যায়ামটি চর্চা করতে পারেন। সোজা হয়ে দাঁড়ান। এরপর এক পায়ে দাঁড়িয়ে অন্য পা’টিকে সোজা রেখে যথাসম্ভব উপরের দিকে তুলুন (১)। তারপর অন্য পায়ের উপর ভর করে ধীরে ধীরে নিচে বসতে থাকুন যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার নিতম্ব পায়ের গোড়ালী স্পর্শ না করছে

(২)। এরপর এক পায়ে ভর দিয়ে আবার সোজা হয়ে দাঁড়ান। আপনার চেষ্টা থাকবে যেন দেয়ালের সাথে আপনার শরীরের স্পর্শ কম হয়।

নিয়মিত চর্চা করলে প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনি কোন কিছুর সাহায্য ছাড়াই এই ব্যায়ামটি করতে পারবেন। ব্যায়ামটি তিনটি সেটে করুন। প্রথম ও দ্বিতীয় সেটে ১৪ বার করুন। তৃতীয় সেটে ১২ বার করুন। প্রতি সেটের মাঝে ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।

থ্রী পয়েন্ট বার্পি জ্যাকনাইফ কেন করবেন:-
এর সাইড টু সাইড মুভমেন্ট আর কিছুটা ঘূর্ণনের কারনে পেটের ভালো ব্যায়াম হবে এবং হাঁটুর শক্তি বৃদ্ধি পাবে । পাশাপাশি লাফানোর কারনে কার্ডিও ফিটনেসও বৃদ্ধি পাবে। কিভাবে করবেন – প্রেস আপ পজিশন নিন

(১)। হাত দুটোকে ফ্লোরে রেখে এক লাফে পা দুটোকে আপনার হাতের ডানদিকে বুকের কাছে আনুন। যখন আপনার পা মেঝেতে এসে নামবে তখনই সোজা উপরের দিকে লাফ দিয়ে শুন্যে উঠে যান

(২)। আবার যখন মেঝেতে পা ফেলবেন তখন পা দুটি সোজা করে প্রেস আপ পজিশনে ফিরে যান। এবার একই ভাবে বাম দিক থেকে করুন

(৩)। এভাবে বার বার করুন। প্রথম ১০বার করার পরে একটু ব্যাথা হতে পারে কিন্তু পরে ঠিক হয়ে যাবে। তিনটি সেটের মধ্যে প্রথম দুই সেটে ২০বার করুন। তৃতীয় সেটে ১৬বার করুন। প্রতি সেটের মাঝে ৩০সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।

ল্যাটারেল ওয়াল ওয়াক কেন করবেন :-
এর মুভ গুলোতে শরীরের উপরের অংশে ব্যায়াম হয় যা বারবেলের মত সমান কার্যকর। কাঁধ আর বাহুতেও কাজ করে। কিভাবে করবেন – প্রথমে দেয়ালের কাছাকাছি পেছন ফিরে সোজা হয়ে দাঁড়ান। তারপরে হাত দুটিকে কাঁধের দু’ পাশে মেঝেতে রাখুন। এবার দু’হাতে ভর করে দেয়াল বেয়ে পা দুটোকে উপরে তুলুন ৭০ ডিগ্রী পযর্ন্ত। এই অবস্থায় ছোট ছোট পদক্ষেপে হাত ও পা দিয়ে পার্শ্ব বরাবর হাঁটুন। একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর্যন্ত এগিয়ে যান এবং আবার আগের জায়গায় ফিরে আসুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করতে হবে। তিনবার করার পর অল্প কিছুক্ষন লাফাতে হবে পরবর্তী ব্যায়ামটি করার জন্য।
পায়ের পেশীর জন্য এটি একটি চমৎকার ব্যায়াম। তাছাড়া পায়ের পেশীতে অতিরিক্ত ক্যালরী পোড়ানোর ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর। কিভাবে – দু’ পা ফাঁক করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার ধীরে ধীরে নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ুন। লাফ দিয়ে আপনাকে সামনে গিয়ে পড়তে হবে। তাই লাফ দিয়ে আপনার সর্বোচ্চ উঁচুতে উঠতে যতটুকু নিচে নামতে হবে ঠিক ততটুকুই নিচে দিকে নামুন। ব্যায়ামটি ভালভাবে করার জন্য আপনার হাত দুটোকে সামনের দিকে তুলে দিন। যতটুকু নিচে ঝুঁকে লাফ দিয়ে উপড়ে ছিলেন ঠিক ততটুকু নিচে ঝুঁকে লাফিয়ে পড়ুন। এবার ঘুরে দাঁড়িয়ে এক লাফে স্টার্টিং পজিশনে ফিরে আসুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে পানীয় - দেখুন কি ভাবে তৈরী করবেন

নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা না করে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করুন।
১) গাজর-আপেলের জুস: শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা, যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।  প্রস্তুতপ্রণালি:  ১। ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।  ২। এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৩। এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।  ৪। কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।  ২) হলুদের চা: হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।  প্রস্তুতপ্রণালি: - ১। ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।  ২। এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)।…