সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জেনে নিন যৌন মিলন বা স্ত্রী সহবাসের বৈজ্ঞানিক তথ্য

গবেষকরা বলছেন— শুধু প্রাকৃতিক নয়, যৌনমিলন একটি বৈজ্ঞানিক বিষয়। আর এবিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যও দিয়েছেন তারা।
 
কম কোলেস্টেরোল! ক্ষমতা বাড়ায়: বিছানায় যারা ভালো অবদান রাখতে পারছেন না তাদের উচিত কোলেস্টেরোলের মাত্রা পরীক্ষা করা। শরীরে কোলেস্টেরোলের মাত্রা বেশি হলে পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রটগার্স ইউনিভার্সিটির রবার্ট উড জনসন মেডিকেল স্কুলের গবেষকদের করা এক গবেষণা অনুযায়ী, কোলেস্টেরোলের মাত্রা কমানোর ওষুধ খেলে যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী ও সুখের হবে।

সঙ্গমের পর পরস্পরকে জড়িয়ে ধরা: সঙ্গমের পর পরস্পরকে জড়িয়ে ধরা নারীদের বহুল কাঙ্ক্ষিত বিষয়। এই আকাঙ্ক্ষাকে ইতিবাচক সমর্থন দিচ্ছে গবেষণাও।
কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টোর গবেষণা অনুযায়ী, যৌনমিলনের পর জড়িয়ে ধরা সম্পর্কের উপর সন্তুষ্টি ধরে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মিলনের পর যুগলের জড়িয়ে ধরার কারণে শরীরে নিঃসৃত ‘অক্সিটোসিন’ হরমোন এই সন্তষ্টির বৈজ্ঞানিক কারণ।

মিলন নোংরা মনে হলে: যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়ার মন-মানসিকতা না থাকলে কাজটা নোংরা মনে হতে পারে অনেকেরই। গবেষকদের মতে, সঙ্গম যদি উপভোগ্য না হয় তবে শরীরে স্বাভাবিক ঘেন্না লাগার প্রবৃত্তির কারণে তা নোংরা মনে হবে।

নেদারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ গ্রোনিনগেন’য়ের গবেষকরা গবেষণার জন্য কয়েকজন নারীকে পর্নো সিনেমা, খেলাধুলার ভিডিও বা অন্যান্য সাধারণ ভিডিওর মধ্যে যে কোনো একটি দেখার জন্য বলা হয়। পরে তাদেরকে বলা হয় স্বাভাবিকভাবে ঘেন্না লাগে এমন কিছু কাজ করতে। যেমন: পোকা পড়ে থাকা তরল পান করা। দেখা যায়, পর্নো সিনেমা দেখার পর ঘেন্না লাগে এমন কাজ করতে নারীরা ঘেন্না কম অনুভব করেছেন।

বেশি যৌনমিলন: লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষণা বলছে, একজন মানুষের মস্তিষ্কের গঠন তার সঙ্গম সঙ্গীর সংখ্যা বাড়াতে পারে। এক গবেষণার মাধ্যমে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে আসেন। গবেষণায় যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি দেখা অবস্থায় অংশগ্রহণকারীদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করা হয়। পরে তাদের যৌন প্রবৃত্তির উপর ভিত্তি করে কয়েকটি দলে ভাগ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, যৌন ইঙ্গিতমূলক ছবি দেখার সময় যাদের মস্তিষ্কের চঞ্চলতা বেশি ছিল, তাদের যৌনসঙ্গমের সঙ্গির সংখ্যাও ছিল সবচাইতে বেশি।

সঙ্গমে ক্যালরি পোড়ে: তথ্যটি বহুল প্রচলিত হলেও খুব কম মানুষই তা বিশ্বাস করেন। তবে কথাটি যে সত্য তার প্রমান দেখিয়েছেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যুবেক’য়ের গবেষকরা। এক ঘণ্টা সঙ্গমের মাধ্যমে ৩০ মিনিট জগিংয়ের সমপরিমাণ ক্যালরি পোড়ে।

গবেষণা অনুযায়ী, এক মিনিট সঙ্গমে পুরুষ হারায় ৪.২ ক্যালরি। আর নারীর পোড়ে প্রায় ৩.১ ক্যালরি। গড় হিসাবে, প্রতিবার যৌনমিলনে নারী-পুরুষ মিলে পোড়ে যথাক্রমে প্রায় ১০১ ও ৬৯ ক্যালরি
সূত্র এবং ছবি: রয়টার্স

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…