সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৃটেনে সেনা ক্যাম্পে নারী সৈন্যকে যেভাবে ধর্ষণ করা হয়

ঘটনার দু-দশক পরেও মহিলা সৈনিকের মৃত্য-রহস্য উন্মোচন হয়নি। মেয়েকে যে সেনা ব্যারাকের মধ্যে, রেপ করে খুন করা হয়েছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত পরিবার। এতগুলো বছর পরেও তারা আগের সিদ্ধান্তে অটল। এরই মধ্যে তাদের আইনজীবী আবার আদালতে দাবি করেছেন, ধর্ষণ যে হয়েছিল, সে প্রমাণ তাঁরা জোগাড় করেছেন। তার ভিত্তিতে আগামী মাস থেকে নতুন করে শুনানি হতে চলেছে বিশ বছর আগের এই মামলার। ইতিমধ্যে হাইকোর্টও আগের রায় বাতিল করে, ফের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

১৯৯৫-এর নভেম্বরে সারের কামবারলি ব্যারাকে রহস্য-মৃত্যু হয় প্রাইভেট শেরিল জেমসের। শেরিল তখন ১৮-র যুবতী। সদ্য সেনায় যোগ দিয়েছেন। নভেম্বরের এক রাতে মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ব্যারাকের মধ্যে ওই তরুণী নিজের রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, নাকি তাঁকে খুন করা হয়েছে, ধোঁয়াশা সেদিন থেকেই। যদিও, আত্মহত্যা বলেই তদন্তে চালানো হয়। কিন্তু, শেরিল জেমসের পরিবার প্রথম থেকেই সেই তদন্ত রিপোর্ট মানতে অস্বীকার করে।
সেই তদন্ত রিপোর্টের বিরোধিতা কের আদালতে শেরিলের পরিবারের আইনজীবী দাবি করেন, রাতভর ধর্ষণ করে গুলি করে মারা হয় শেরিলকে। সদ্য সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া ওই যুবতী যাতে সিনিয়রদের কুকীর্তি ফাঁস করতে না-পারেন, তাই পরিকল্পিত ভাবেই মাথায় গুলি করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।

সেনা বাহিবনীর তদন্ত রিপোর্টে যে গরমিল রয়েছে, তা-ও উল্লেখ করেন শেরিলদের আইনজীবী। আদালতে তিনি জানান, শেরিল জেমস মৃত্যুর তদন্ত শুরুই হয়েছিল, ঘটনার তিন সপ্তাহ পরে। কোনও সাক্ষীর বয়ান নেওয়া হয়নি। মেডিক্যাল রেকর্ডসও খতিয়ে দেখা হয়নি। এমনকী যে বুলেটটিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল, সেটিও পরীক্ষা করে দেখা হয়নি। যুবতীর পরনের পোশাক, রাইফেলও পাঠানো হয়নি ফরেন্সিক পরীক্ষায়। যে কারণে রয়াল মিলিটারি পুলিশের এই তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। আইনজীবীর সেই আর্জির প্রেক্ষিতেই ২০১৪-য় হাইকোর্ট নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

শেরিল শুধু একা নন। তাঁর মৃত্যুর পরেও ২০০২ পর্যন্ত সারের কামবারলি ব্যারাকে মোট চার জনের মৃত্যু হয়। একই রকম ভাবে। ওই চার জনই ছিলেন নবাগতা। ফলে, সন্দেহ আরও দানা বাঁধে।

মৃত তরুণীর পরিবারের নিয়োগ করা আইনজীবী অ্যালিসন ফস্টার আদালতে জানান, গুলিতে মৃত্যুর আগে শেরিলকে যে ধর্ষণ করা হয়েছিল, সে সাক্ষ্য তাঁরা জোগাড় করেছেন। সময়মতো তা আদালতে পেশ করা হবে। তাঁর দাবি, ঘটনার দিন রাতে এক সিনিয়র সেনা আধিকারিকের সঙ্গে শিরিলকে জোর করে শুতে বাধ্য করা হয়। তিনি সারারাত যৌননিগ্রহ করেন। শেরিলকে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়।-

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…