সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মাত্র একটি ব্যায়ামে পান সুগঠিত বাহু এবং পেট (ভিডিও সংযুক্ত)

এমনিতে ব্যায়াম না করলেও অনেকেই মেদ কমানোর জন্য ব্যায়ামের দিকে ঝুঁকে থাকেন। বেশীরভাগ মানুষ পেটের মেদ কমানোর জন্য ব্যায়ামের সহায়তা নেন। কিন্তু এর পাশাপাশি ঊর্ধ্ববাহুর মেদ কমানো বা বাহুকে সুগঠিত করারও দরকার পড়ে অনেকের। সেক্ষেত্রে সুগঠিত পেট এবং বাহু দুই-ই দিতে পারে এমন একটি ব্যায়াম হলো ডাম্বেল উড চপ। চলুন দেখে নেই এই দারুণ কার্যকরী ব্যায়ামের খুঁটিনাটি। 

প্রথম ধাপ :-  শুরু করতে হবে একটা ডাম্বেল দুই হাতে শক্ত করে ধরে। এর জন্য ডাম্বেলের মাঝের জায়গাটা নয়, বরং এর দুই পাশের ওজনদার অংশগুলো হাতে মুঠো করে ধরতে হবে। 

দ্বিতীয় ধাপ :-  আপনার দুই হিপের মাঝের যে দুরত্ব, তার চাইতে বেশি ছড়িয়ে রাখুন আপনার পা দুটোকে। হাঁটু একটু বাঁকিয়ে রাখুন। 

তৃতীয় ধাপ :-  ডাম্বেলটাকে এক কাঁধের ওপর তুলে ধরুন। এবার নিজের শরীর বাঁকিয়ে এই ডাম্বেল কাঁধের বিপরীত হিপের দিকে নামিয়ে নিয়ে আসুন। এই ওজন আবার ঘুরিয়ে ওপরের দিকে আনার জন্য আপনাকে একটু উবু হতে হবে। যতো বেশি ঝুঁকবেন, এই কাজটার পেছনে তত বেশি শক্তি ব্যয় করতে পারবেন। কিন্তু এই কাজটা করার সময়ে আপনি যেন চোট না পান সেদিকে বিশেষ নজর রাখা জরুরী। কম ওজন ব্যবহার করে শুরু করুন। ব্যথা পেলে শরীর বেশি না বাঁকানোই ভালো। 

চতুর্থ ধাপ :-  এবার হিপের কাছে থেকে আবার ঘুরিয়ে কাঁধের কাছে নিয়ে আসুন এটাকে। হাঁটু সোজা করে ফেলুন। একেক দিকের কাঁধ বরাবর ১২ বার করে এই ব্যায়ামের পুনরাবৃত্তি করুন। দেখে নিতে পারেন ভিডিওটি। এই ভিডিওতে ট্রেইনার অভিজ্ঞ বলে ডাম্বেলের মাঝে ধরে ব্যায়ামটি করছেন। আপনি ডাম্বেলের দুই প্রান্তে ধরে ব্যায়ামটা করবেন। ডাম্বেল ছাড়াও কেবল দিয়েও এই ব্যায়ামটি করা যেতে পারে। 
আপনি যদি নিয়মিত ব্যায়ামে অভ্যস্ত থাকেন বা এই ব্যায়াম বেশি সহজ মনে হয় তবে ডাম্বেলের ওজন বৃদ্ধি করে নিতে পারেন। টাইমিং পরিবর্তন করতে পারেন ইচ্ছে হলে। তবে অবশ্যই এই ব্যায়াম করার আগে নিজের ডাক্তার এবং ট্রেইনারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নেবেন এটা করার মতো শারীরিক ফিটনেস আপনার আছে কিনা। নয়তো আপনার চোট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভিডিও-

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…