সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যে ৬টি স্থানে শিশুদের নিয়ে যাওয়া উচিৎ নয়

ছোট্ট শিশু প্রতিটা পিতামাতার জন্যই আশীর্বাদ স্বরূপ। তাদের যত্নের ব্যাপারে কোন পিতামাতাই ত্রুটি রাখেন না। এমনকি অনেক পিতামাতাই আছেন যারা তাদের শিশু সন্তানকে এক মিনিটের জন্য ও চোখের আড়াল করেন না এবং সব জায়গায় তাদের নিয়ে যান। কিন্তু এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে শিশুদের নিয়ে যাওয়া মোটেই উচিৎ নয়। হাঁ এমন কিছু স্থানের কথাই আজ আমরা জেনে নেই আসুন যেখানে শিশুদের না নেয়া উচিৎ।

১। জিম জিমের উপকরণগুলো ঘামে ভেজা থাকে, মেঝেও তেমন পরিষ্কার থাকেনা এবং ব্যয়ামের জিনিসগুলোও থাকে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। শিশুরা এক জায়গায় বসে থাকতে পছন্দ করেনা। তাই আপনার শিশু সন্তান যদি কোন একটি ভারী জিনিস তুলে নিতে চায় তাহলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জিমে যাওয়ার সময় আপনার শিশু সন্তানকে বাড়িতে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে যান।

২। বিউটি পার্লার বিউটি পার্লার এমন একটি জায়গা যেখানে ছোট শিশুদের নিয়ে গেলে রাসায়নিক ধোঁয়া, পারফিউম ও এরোসলের উপস্থিতির জন্য সংক্রমণ ও শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতা হতে পারে।
৩। নাচের ক্লাসে ছোট শিশুদের নাচের ক্লাসে নিয়ে গেলে তারাও বড়দের নাচের স্টেপগুলো করার চেষ্টা করে তখন সে ব্যথা পেতে পারে। সেখানে অনেক জোরে গান বাজানো হয় যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর। যদি আপনি মনে করেন আপনার শিশু নাচ পছন্দ করে তাহলে তাকে বাড়িতেই গান বাজিয়ে নাচতে দিন যাতে সে উপভোগ করতে পারে।

৪। হাসপাতাল শিশুর কোন রোগে শিশুকে ডাক্তারের কাছে নিতে হবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অসুস্থ কাউকে দেখার জন্য আপনি যখন হাসপাতালে যাবেন তখন আপনার শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে না যাওয়াই ভালো। হাসপাতালের ইনফেকশন অনেক মারাত্মক হয় এবং শিশুর সংক্রামক ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৫। পার্টি সাধারণত পার্টিতে অনেক জোরে জোরে গান বাজে, ধূমপান হয় ও অনেক ভিড় হয়। এই পরিবেশে শিশু সন্তানকে নিয়ে গেলে সে কান্নাকাটি করতে পারে যা তার জন্য যেমন খারাপ তেমনি অন্যদের জন্যও খারাপ।

৬। সিনেমা হলে দীর্ঘক্ষণ প্রায় ২-৩ ঘন্টা একটি শিশু চুপচাপ বসে থাকবে এটা চিন্তা করাটা ভুল। তাই শিশু অস্থির হয়ে যেতে পারে ও কান্নাকাটি শুরু করতে পারে যা অন্যদের বিরক্তির কারণ হতে পারে। এছাড়াও সিনেমা হলের উচ্চ শব্দ ও তীব্র আলো শিশুর চোখ ও কানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই শিশুকে সিনেমা হলে না নিয়ে যাওয়াই উচিৎ। শিশুকে সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে বড় করার দায়িত্ব পিতামাতার। তাই শিশুর জন্য অনুপযুক্ত এমন স্থানে শিশুকে নিয়ে যাওয়া কোন অভিভাবকেরই উচিৎ নয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক থেকে মুছে দিন ৮ তথ্য!

বলতে গেলে এখন প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করেন। অসচেতনতায় নিজেরাই অনিরাপদ করছি নিজেদের। সেক্ষেত্রে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। যদি সবাই সচেতনভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি তাহলে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো এড়ানো সম্ভব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ থাকার জন্য আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ৮টি তথ্য এখনই মুছে ফেলুন।
বর্সাতমানে মাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই সম্পৃক্ত। কোনো না কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সদস্য। বলা যায় ভার্চুয়াল জগতের সঙ্গে বাস্তব জগত এখন একাত্মা। বর্তমানে যে হারে খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে তাতে নিরাপদ থাকাটা বেশ কঠিন। এসব ঘটনাকে আরো বেশি প্রভাবিত করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। ৮টি বিষয়ে সচেতন থাকলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন।
১. আপনার জন্ম তারিখ: অনেকেই নিজের জন্ম তারিখ ফেসবুকে উন্মুক্ত করে রাখেন। এটি আপনার জন্য অনিরাপদ। কারণ তথ্য প্রযুক্তির যুগে জন্ম তারিখ থেকেই অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন হ্যাকারা। অথবা যেকোনো শত্রু এই বিশেষ দিনে টার্গেট করে আপনার ওপর হামলা চালাতে পারে। তাই ফেসবুকে জন্মতারিখ উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
২. আপনার শিশু কোথায় পড়াশুন…

যেভাবে এলো বাঙালির বংশ পদবী! জেনে রাখুন বিসিএস সহ যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে

খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।
বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর স…

আঁচিল ঝরান প্রাকৃতিক উপায়ে

আঁচিলের কারণে অনেক সময় সৌন্দর্যে ভাটা পড়ে। শরীরের নানা স্থানে আঁচিল হতে দেখা যায়।এটি সাধারণত কালো, বাদামী, লাল, গোলাপি রঙের হয়ে থাকে। একেক জনের ক্ষেত্রে এর আকার, আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়। এটি অনেক সময় এমনিতেই সেরে যায়। অনেক সময় রয়ে যায় স্থায়ী দাগ হয়ে। আঁচিল দূর করা যায় দুই ভাবে। সার্জিক্যালি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে। আঁচিল সমস্যা সমাধানে কয়েকটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা ভালো। নিজের এবং অন্যের প্রয়োজনে যেকোনো সময় কাজে দিতে পারে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই পরিচিত একটি নাম। দিনে দু’বার আঁচিলের ওপর তুলোয় করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের পাতায় যদি লাগান খেয়াল রাখুন যাতে ভেতরে না যায়। নিয়মটি অনুসরণ করুন ২-৪ সপ্তাহ। আঁচিল ঝরে পড়বে।
ক্যাস্টর ওয়েল এবং বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে আঁচিলের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকালে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে রাতে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন। দ্রুত আঁচিল করার জন্য টি ট্রি ওয়েল অত্যন্ত কার্যকরী। সুপার শপ বা শপিং মলে এই তেল পাওয়া যায়। ভেজা তুলায় ক’ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল নিয়ে আঁচিলের ওপর মিনিট দশেক লাগ…