সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিয়ে করতে চলেছেন? এই কাজগুলো করেছেন তো?

বিয়ে একজন মানুষের জীবনের খুব সুন্দর আর স্বপ্নময় একটা সময়, যাকে ঘিরে অনেকেই মনে মনে অনেক কিছু ভেবে রাখেন। বিয়ে কোথায় হবে, কেমন হবে, কে কে আসবে, কী খাবার থাকবে, কতটা খরচ পড়বে, সংসারের খরচ কেমন করে চলবে, কতটা স্বাবলম্বী হতে হবে- এসবটাই মাথায় রেখে নিজের নিজের মতন করে ভাবতে পছন্দ করেন অনেকে। আপনি যদি হন তাদেরই ভেতরে একজন, তাহলে এই লেখাটি আপনারই জন্যে। আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, মানসিক আর পারিবারিক দিক থেকে বিয়ের জন্যে প্রস্তুত হলেও সত্যিই কোন কিছু বাদ পড়ে গেল কিনা? কিছু কি সত্যিই ছুটে গেল প্রস্তুতির অংশ থেকে? আপনাকেই বলছি, বিয়ের আগে একবার হলেও ভেবে দেখুন নিচের কাজগুলো করেছেন কিনা। অন্যথায় বিয়ের জন্যে প্রস্তুত আপনি- একটু হলেও হয়তো সন্দেহ রয়েই যাবে! চলুন তাহলে দেখে নিই বিয়ে নিয়ে ভাববার আগে প্রস্তুতিমূলক অবশ্যই করণীয় কিছু কাজ।

১. নিজের হৃদয় ভাঙা শুনতে খুবই পাগলাটে ধরনের মনে হলেও সত্যি যে পাকাপাকিভাবে কোন সম্পর্কে নিজেকে বাঁধবার আগে একবার হলেও অন্তত নিজের হৃদয়কে ভাঙার অভিজ্ঞতা থাকা উচিত আপনার। এতে করে সম্পর্কের ভুল-ঠিক, ভালো-খারাপ খুঁটিনাটি অনেকটাই জানা হয়ে যাবে আপনার। ফলে এরপরের সম্পর্কের জন্যে অনেকটাই সঠিক পথে চলতে পারবেন আপনি আগের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে। 
২. মানুষকে চেনা কাউকে সারাটা জীবনের জন্য নিজের সাথী করে নেওয়ার আগে আপনার নিশ্চয়ই উচিত হবে এটা জানা যে ঠিক কি ধরনের মানুষের সাথে আপনি আপনার জীবনটা কাটাতে চান? আর সেটা জানতে হলেই আপনাকে জানতে হবে মানুষের রকমফের সম্পর্কে। কোন মানুষ কেমন হয়, তাদের চিন্তা-ভাবনা, সঙ্গ, ভালো লাগা- মন্দ লাগা আর সেসবের সাথে নিজের চাওয়া-পাওয়ার মিল ঘটানো- এসব জানতে গেলে অবশ্যই মানুষের সাথে মিশতে হবে আপনাকে ( লাইফহ্যাক )। 

৩. নিজেকে চেনা অন্য কাউকে চিনতে যাওয়ার আগে নিজেকেও ভালো করে চিনে নিন। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে অন্যদের ইচ্ছেমতন চলতে গিয়ে নিজে কি হতে চেয়েছিলেন, কি করতে চেয়েছিলেন- সেটা বেমালুম ভুলে যায়। ফলে নিজের সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় অন্যদের সম্পর্কেও ধারণাটা ঠিকঠাকভাবে পায় না তারা। ভুল সিদ্ধান্ত নেয় আর সমস্যায় পড়ে। তাই আগে নিজেকে জানুন। কি করতে চান আপনি? কোন ব্যাপারগুলোতে কখনোই অন্যের জন্যে পিছু হটবেননা? আপনার স্বপ্ন কী? ভাবুন আর নিজেকে আবিষ্কার করুন। 

৪. একলা সময় কাটানো পুরোটা জীবন তো অন্যদের সাথেই কাটাতো হবে। তাই বিয়ের মতন কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একলা কিছু সময় কাটান। ঘুরতে চলে যান কোথাও। নিজেকে সঙ্গ দিন। চেনা মানুষের বাইরে অন্য কোন বন্ধু বানান। অন্যদের সাথে নিজে কতটা সহজ সেটা দেখার চেষ্টা করুন। কে জানে, এই একলা কাটানো সময়গুলোই হয়তো আপনার কাছে নিজেকে আর অন্যকে প্রকাশ করবে ভিন্নভাবে। 

৫. নিজের পরিচয় গড়া কেন আপনি বিয়ে করতে চাইছেন? প্রথমে এই কারণটি খুঁজে বের করুন ( রলগাই )। এর সাথে যদি নিজের জীবন অন্য কাউকে পরিচালনার অধিকার দেওয়ার কোনরকম সম্পর্ক না থাকে তাহলে বিয়ের আগেই নিজের ক্যারিয়ার তৈরি করুন। নিজের আলাদা একটা পরিচয় গড়ে তুলুন। যাতে করে আপনার ভবিষ্যত এই একটি মাত্র কাজে খুব বেশি প্রভাবিত না হয়। 

৬. খুঁটিনাটি ব্যাপার শেখা বিয়ের মাধ্যমে নানারকম সম্পর্কে পা রাখার আগেই শিখে নিন কিছু ছোটখাটো কাজ। এই যেমন- নিজের যত্ন নেওয়া, নিজেকে ভালোবাসা, টুকটাক ঘরের কাজ করতে পারা, মানুষকে বিশ্বাস করা, যৌক্তিকভাবে কোন ব্যাপারকে বিশ্লেষণ করা- ইত্যাদি। তাহলে আপনি নারী হোন বা পুরুষ, বিয়ের পরবর্তী সময়গুলো একটু হলেও স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠবে আপনার জন্যে।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিয়মিত ঘৃতকুমারী রস পানের ৭টি বিস্ময়কর উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতি পরিচিত একটি উদ্ভিদের নাম। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরা জুস পান করে থাকেন। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার উপকারিতা?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে :- অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৪। ওজন হ্রাস করতে :- ওজন কমাতে অ…

পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

জাফরানের ২০টি ঔষধি গুন বিশ্বের সবচেয়ে দামী মশলা জাফরান। স্যাফরন বা কেশর নামেও এটি পরিচিত৷ এই মশলা নামীদামী অনেক খাবারে ব্যবহৃত হয়। খাবারের স্বাদ, ঘ্রাণ, রঙ বাড়িয়ে তুলতে এই ‘গোল্ডেন স্পাইস’ এর জুড়ি নেই। তবে জাফরানের কাজ শুধু এরমধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাফরানের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ ঔষধিগুণ। জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা৷মাত্র ১ চিমটে জাফরান আপনাকে প্রায় ২০ টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিতরোগ দূর করে।
২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে…

দ্রুত ওজন কমাতে চান? সকালের চায়ের কাপে মিশিয়ে নিন শুধু এই তিনটি ঘরোয়া জিনিস…

জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।

মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। দ্রুত ওজনও কমাতে চান তাঁরা। কিন্তু জিমে গিয়ে কষ্টকর এক্সারসাইজ বা ডায়েটিং পছন্দ নয় অনেকেরই। তাঁরা চান ওজন কমানোর কোনও সহজতর প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করতে। এরকম মানুষের জন্য রইল ওজন কমানোর এক অতি সহজ উপায়ের হদিশ।
আপনাকে যা করতে হবে তা হল, প্রথমেই এই তিনটি ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে নিতে হবে একটি

মিশ্রণ—১ চা চামচ দারুচিনি,১/২ কাপ কাঁচা মধু,৩/৪ কাপ নারকোল তেল। তারপর এক চা চামচ পরিমাণ এই মিশ্রণ মিশিয়ে নিন সকালের গরম চায়ের কাপে। এবার পান করুন সেই চা। ব্যস্, ওজন কমানোর জন্য এইটুকুই যথেষ্ট।

অবিশ্বাস্য লাগছে? তাহলে জেনে রাখুন, ওজন কমানোর এই প্রাকৃতিক অভ্যাসে সায় রয়েছে ডাক্তারদেরও। দারুচিনি শরীরে শর্করা থেকে কর্মক্ষমতা সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে। কাঁচা মধু উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। আর নারকেল তেল বাড়ায় শরীরের মেটাবলিজম। পরিণামে শরীরে মেদ ঝরে গিয়ে হ্রাস পায় ওজন।

কী ভা…